তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তারে আসকের নিন্দা

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তারে আসকের নিন্দা
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। ছবি: আসক ফেসবুক পেজ

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তির অভিযোগে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে গোলাম মোস্তফা নামের এক ব্যক্তিকে সাইবার নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে আসক এ কথা জানিয়েছে।

আসক জানিয়েছে, এই ধরনের গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বিএনপি নেতা গতকাল বুধবার পার্বতীপুর মডেল থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার আগেই, গত ২০ জানুয়ারি রাতে পুলিশ গোলাম মোস্তফাকে তার বাসা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পরে পরদিন আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।

আসক বলছে, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সমালোচনা, ব্যঙ্গ বা বিতর্ক গণতান্ত্রিক চর্চার স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় অংশ। অথচ দেশে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিবিদদের সমালোচনার অভিযোগে নাগরিকদের গ্রেপ্তার, হয়রানি ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।

আসক আরাও বলছে, এর আগে ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানকে কটুক্তির অভিযোগে শহিদুল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে বিএনপি কর্মীরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন এবং দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের পর তিনি কারাবরণ করেন, যদিও পরে জামিন পান। তবে সেই ঘটনায় বিএনপি বিবৃতি দিয়ে বলেন, মতপ্রকাশের কারণে গ্রেপ্তার সঠিক নয়। অথচ এই ঘটনা তার সম্পূর্ণ বিপরীত দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

আসকের মতে, রাজনৈতিক ভিন্নমত বা সমালোচনার প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত রাজনৈতিক যুক্তি ও গণতান্ত্রিক বিতর্কের মাধ্যমে। মামলা করে মানুষকে জেলে পাঠানো গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে।

সম্পর্কিত