চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভেতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। কর্পোরেট জগত থেকে রাজনীতি–সবখানে তাদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন জামায়াত আমির। আজ সোমবার সন্ধ্যায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়।
এ সময় তিনি বলেন, “আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যেখানে কোনো মা বা বোনকে, মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আমাদের নির্বাচিত করুন।”
দেশের মানুষ ‘পরিবর্তন চায়’ দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, “কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত দেখিয়েছে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদী ও তাদের সহযোদ্ধারা। তাদের রক্তের শপথ নিয়ে নতুন প্রজন্মের লক্ষ লক্ষ সাহসী সন্তান আজ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। এই দেশ আমাদের সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুনরা রচনা করবে।”
তরুণদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা তোমাদের হাত ধরতে চাই। জুলাইয়ের মত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া।”
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়ে ‘ঐক্যের’ বাংলাদেশ গড়তে চায়, যে বাংলাদেশে “কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না।”
শফিকুর বলেন, “জনগণ চায় একটু নিরাপত্তা সুশাসন ও ইনসাফ । তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই।”
আগামী নির্বাচন জাতিকে ‘একটি নতুন স্বপ্নের দিকে নিয়ে যাওয়ার মহাসুযোগ’ হিসাবে এসেছে মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, “যেসব সমস্যা আমরা বিগত দিনে সমাধান করতে পারিনি, যে লুটেরা গোষ্ঠীকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি, সেসব সমস্যার সমাধান এবং লুটেরা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণের সুযোগ হচ্ছে আগামী নির্বাচন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভেতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। কর্পোরেট জগত থেকে রাজনীতি–সবখানে তাদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন জামায়াত আমির। আজ সোমবার সন্ধ্যায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়।
এ সময় তিনি বলেন, “আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যেখানে কোনো মা বা বোনকে, মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আমাদের নির্বাচিত করুন।”
দেশের মানুষ ‘পরিবর্তন চায়’ দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, “কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত দেখিয়েছে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদী ও তাদের সহযোদ্ধারা। তাদের রক্তের শপথ নিয়ে নতুন প্রজন্মের লক্ষ লক্ষ সাহসী সন্তান আজ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। এই দেশ আমাদের সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুনরা রচনা করবে।”
তরুণদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা তোমাদের হাত ধরতে চাই। জুলাইয়ের মত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া।”
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়ে ‘ঐক্যের’ বাংলাদেশ গড়তে চায়, যে বাংলাদেশে “কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না।”
শফিকুর বলেন, “জনগণ চায় একটু নিরাপত্তা সুশাসন ও ইনসাফ । তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই।”
আগামী নির্বাচন জাতিকে ‘একটি নতুন স্বপ্নের দিকে নিয়ে যাওয়ার মহাসুযোগ’ হিসাবে এসেছে মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, “যেসব সমস্যা আমরা বিগত দিনে সমাধান করতে পারিনি, যে লুটেরা গোষ্ঠীকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি, সেসব সমস্যার সমাধান এবং লুটেরা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণের সুযোগ হচ্ছে আগামী নির্বাচন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানকে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সোহানা নাসরিনকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক রাজনীতিতে সবচেয়ে বিভাজনমূলক ঘটনাগুলোর একটি হলো সাবেক যুদ্ধনায়ক বেন রবার্টস-স্মিথকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। একসময় যিনি দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘ভিক্টোরিয়া ক্রস’প্রাপ্ত বীর হিসেবে জাতীয় গৌরবের প্রতীক ছিলেন, এখন তিনি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত।