বিরতিতে ব্রাজিল ০ : ০ নরওয়ে
চরচা ডেস্ক

ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে প্রথম বৈধ শটটা হয়েছে ৩৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে। পুরো অর্ধে দুই দলের পোস্টে শট মোটে ৪টি।
ম্যাচ না দেখে থাকলে এতটুকু পড়ে যে কারও মনে হবে, কী বিরক্তিকর এক ম্যাচই না জানি হয়েছে!
বিরতির আগে গোল না দেখা ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে আজ একেবারে আহামরিও হয়তো কিছু হয়নি, দুই বক্সে ঘটনার সংখ্যা একেবারে আঙুলে গোনার মতো। কিন্তু যে অল্প কিছু ঘটনা ঘটেছে, তাতেই ইতিহাসের বই উল্টেপাল্টে দেখতে হচ্ছে।
কী ঘটেছে? ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে! ম্যাচের দশম মিনিটেই নরওয়ে বক্সে ব্রাজিল স্ট্রাইকার মাতেউস কুনিয়াকে ফাউল করেন নরওয়ে ডিফেন্ডার আয়ের। রেফারি প্রথমে পেনাল্টি না দিলেও ভিএআর মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত পাল্টান। প্রায় তিন মিনিট সময় পার করার পর নেওয়া পেনাল্টিতে খুব বাজে শট নিলেন ব্রাজিল মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সহজেই শটটা ঠেকিয়ে দেন নরওয়ে গোলকিপার নিলান্ড।
তাতে ইতিহাসের বই উল্টেপাল্টে দেখার দরকার পড়ছে কেন? কারণ, বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের বাইরে ম্যাচের কোনো অংশ ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে – এমন কিছু দেখতে হলে আপনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স-ব্রাজিল ম্যাচে জিকোর পেনাল্টি মিসে ফিরতে হবে।
ম্যাচে অবশ্য এর আগে নরওয়েই বল ব্রাজিলের জালে জড়িয়েছিল। ৩ মিনিটে ডানদিক ধরে সরলথ বল নিয়ে ঢুকে কাটব্যাক করেন, বক্সে ঢুকে দারুণ শটে বল জালে জড়ান নরওয়ে মিডফিল্ডার বের্গ। কিন্তু রেফারি জানিয়ে দেন, সরলথ আগেই অফসাইডে ছিলেন। গোল বাতিল।
মাঝে দুই দল পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষ বক্স পর্যন্ত ওঠার পথে দারুণ কিছুর সম্ভাবনা জাগিয়েছে, কিন্ত প্রতিপক্ষ বক্সে গিয়ে খেই হারিয়েছে। এদিকে ভিনিসিয়ুস আর ওদিকে আন্তোনিও নুসা গতি আর ড্রিবলিং দেখিয়েছেন, কিন্তু ওই পর্যন্তই। ৩৫তম মিনিটে অবশেষে ওডেগার্ডের শট ম্যাচকে কোনো বৈধ শট দেখতে না পাওয়ার যন্ত্রণা দেয়, যদিও শটটা সাইডপোস্টে লেগেছে।
দুই মিনিট পর হালান্ড লাফিয়ে ওঠা বলে পা ছুঁইয়ে ব্রাজিল গোলকিপার আলিসনকে ফাঁকি দিতে চেয়েছিলেন। যোগ করা সময়ে প্রথমে ওডেগার্ডের শট ঠেকালেন আলিসন, উল্টোদিকে মার্তিনেল্লি বলে পা ছোঁয়াতে পারলেই ব্রাজিলের পাল্টা আক্রমণ পূর্ণতা পেত।
বিরতির আগ পর্যন্ত অবশ্য হিসেব উল্টেপাল্টে দেওয়া ফুটবলই চোখে পড়েছে। ব্রাজিল শট বেশি নিয়েছে (৫টি, নরওয়ের ৪টি), কিন্তু বলের দখল ৬৪% সময়ে ছিল নরওয়ের হাতেই। হয়তো নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে প্রচণ্ড গরমে নরওয়েকে বলের দখল দিয়ে পাল্টা আক্রমণে ওঠাই ছিল ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তির ট্যাকটিকস।
তবে বলের দখল নিয়েও নরওয়ে কিছু করতে পারেনি। ব্রাজিল যেখানে ৪০ বছর পুরোনো ব্যথা সইছে পেনাল্টি মিস করে, নরওয়ে এই বিশ্বকাপে পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রথমবার বিরতির আগে গোল পেল না।

ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে প্রথম বৈধ শটটা হয়েছে ৩৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে। পুরো অর্ধে দুই দলের পোস্টে শট মোটে ৪টি।
ম্যাচ না দেখে থাকলে এতটুকু পড়ে যে কারও মনে হবে, কী বিরক্তিকর এক ম্যাচই না জানি হয়েছে!
বিরতির আগে গোল না দেখা ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে আজ একেবারে আহামরিও হয়তো কিছু হয়নি, দুই বক্সে ঘটনার সংখ্যা একেবারে আঙুলে গোনার মতো। কিন্তু যে অল্প কিছু ঘটনা ঘটেছে, তাতেই ইতিহাসের বই উল্টেপাল্টে দেখতে হচ্ছে।
কী ঘটেছে? ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে! ম্যাচের দশম মিনিটেই নরওয়ে বক্সে ব্রাজিল স্ট্রাইকার মাতেউস কুনিয়াকে ফাউল করেন নরওয়ে ডিফেন্ডার আয়ের। রেফারি প্রথমে পেনাল্টি না দিলেও ভিএআর মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত পাল্টান। প্রায় তিন মিনিট সময় পার করার পর নেওয়া পেনাল্টিতে খুব বাজে শট নিলেন ব্রাজিল মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সহজেই শটটা ঠেকিয়ে দেন নরওয়ে গোলকিপার নিলান্ড।
তাতে ইতিহাসের বই উল্টেপাল্টে দেখার দরকার পড়ছে কেন? কারণ, বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের বাইরে ম্যাচের কোনো অংশ ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে – এমন কিছু দেখতে হলে আপনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স-ব্রাজিল ম্যাচে জিকোর পেনাল্টি মিসে ফিরতে হবে।
ম্যাচে অবশ্য এর আগে নরওয়েই বল ব্রাজিলের জালে জড়িয়েছিল। ৩ মিনিটে ডানদিক ধরে সরলথ বল নিয়ে ঢুকে কাটব্যাক করেন, বক্সে ঢুকে দারুণ শটে বল জালে জড়ান নরওয়ে মিডফিল্ডার বের্গ। কিন্তু রেফারি জানিয়ে দেন, সরলথ আগেই অফসাইডে ছিলেন। গোল বাতিল।
মাঝে দুই দল পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষ বক্স পর্যন্ত ওঠার পথে দারুণ কিছুর সম্ভাবনা জাগিয়েছে, কিন্ত প্রতিপক্ষ বক্সে গিয়ে খেই হারিয়েছে। এদিকে ভিনিসিয়ুস আর ওদিকে আন্তোনিও নুসা গতি আর ড্রিবলিং দেখিয়েছেন, কিন্তু ওই পর্যন্তই। ৩৫তম মিনিটে অবশেষে ওডেগার্ডের শট ম্যাচকে কোনো বৈধ শট দেখতে না পাওয়ার যন্ত্রণা দেয়, যদিও শটটা সাইডপোস্টে লেগেছে।
দুই মিনিট পর হালান্ড লাফিয়ে ওঠা বলে পা ছুঁইয়ে ব্রাজিল গোলকিপার আলিসনকে ফাঁকি দিতে চেয়েছিলেন। যোগ করা সময়ে প্রথমে ওডেগার্ডের শট ঠেকালেন আলিসন, উল্টোদিকে মার্তিনেল্লি বলে পা ছোঁয়াতে পারলেই ব্রাজিলের পাল্টা আক্রমণ পূর্ণতা পেত।
বিরতির আগ পর্যন্ত অবশ্য হিসেব উল্টেপাল্টে দেওয়া ফুটবলই চোখে পড়েছে। ব্রাজিল শট বেশি নিয়েছে (৫টি, নরওয়ের ৪টি), কিন্তু বলের দখল ৬৪% সময়ে ছিল নরওয়ের হাতেই। হয়তো নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে প্রচণ্ড গরমে নরওয়েকে বলের দখল দিয়ে পাল্টা আক্রমণে ওঠাই ছিল ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তির ট্যাকটিকস।
তবে বলের দখল নিয়েও নরওয়ে কিছু করতে পারেনি। ব্রাজিল যেখানে ৪০ বছর পুরোনো ব্যথা সইছে পেনাল্টি মিস করে, নরওয়ে এই বিশ্বকাপে পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রথমবার বিরতির আগে গোল পেল না।