
খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৯০ জন নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ২১ জন ভর্তি হন। একই সময়ে ঝিনাইদহে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের পরামর্শেই তার অন্যতম প্রধান সহযোগী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ইমনের জন্য ভারতের আধার কার্ডও বানানো হয়। সীমান্তের ওপারে তাকে নেওয়ার জন্য বড় সাজ্জাদের লোকজন অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু সীমান্তে পৌঁছার আগেই পুলিশের জালে আটকা পড়েন সাম্প্রতিক সময়ে খুন, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনায় আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও তার তিন সহযোগী।
গত বুধবার ভোরে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ডেভিড ইমন।
আজ বৃহস্পতির চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম সংবাদ সম্মেলন করে ইমনের গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
মাসুদ আলম বলেন, “চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যার ঘটনায় গত ২২ জুলাই ইলিয়াস রওফে ধামা ইলিয়াস নামে ইমনদের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইমন ও তার অন্যান্য সহযোগীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য জানতে পারি।
গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডেভিড ইমন ভারতে পালানোর জন্য খুলনার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে জানা যায়।”
এসপি বলেন, “তাকে অনুসরণ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায়, পদ্মাসেতুর মুন্সীগঞ্জ টোলপ্লাজায় তল্লাশি করা হলেও পুলিশ ব্যর্থ হয়। পরে পুলিশ ঝুমঝুমপুরে অভিযান চালিয়ে প্রাইভেট কার থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।”
মাসুদ আলম বলেন, “ডেভিড ইমন বড় সাজ্জাদের পরামর্শেই ভারতে পালানোর চেষ্টা করেছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। গ্রেপ্তার হওয়া চারজন খুবই ধুরন্ধর। তারা খুলনা যাওয়ার পথে বিভিন্ন সময় চালক ও গাড়ি পরিবর্তন করেছে। তারা কখনো দেশীয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করত না।
তারা বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে অ্যাপসের মাধ্যমে বিভিন্নজনের সাথে যোগাযোগ করত। বুধবার ভোর ৬টার দিকে ইমন ও তার সহযোগীদের ভারতীয় সীমান্ত পার হওয়ার কথা। সে পার হলে সেখানে লোক অপেক্ষায় ছিল তাকে রিসিভ করার জন্য।”
এসপি মাসুদ আলম আরও বলেন, বড় সাজ্জাদের পরামর্শেই সে ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টায় ছিল। তার জন্য ভারতের একটি আধার র্কাডও বানানো হয়। যেটি তার কাছ তেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালানোর জন্য ডেভিড ইমন তার গোঁফও কেটে ফেলে।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বলেন, “গোঁফ না থাকায় তাকে প্রথমে চেনা যায়নি। কিন্তু তার কথা শুনে বোঝা গেছে।”
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইমনকে গ্রেপ্তারের পর চট্টগ্রামে এনে ফটিকছড়ি উপজেলায় একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি এলজিসহ দেশীয় কিছু অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া একইসময়ে জেলা পুলিশের একটি দল নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালালেও বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী রায়হানকে ধরতে পারেনি।
পুলিশ সুপার বলেন, “এ সন্ত্রাসী বাহিনীর মূল হলেন বড় সাজ্জাদ। দেশে তাদের প্রধান সহযোগী ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান। রায়হান এখনো দেশেই আছে, তাকে ধরতে আমরা এখনো কাজ করছি।”
গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত খুন, চাঁদাবাজি, ভাংচুরসহ ১৩ টি মামলার খোঁজ পাওয়া গেছে। তাকে বিভিন্ন মামলায় রিমান্ডে এনে জ্ঞিাসাবাদের জন্য অনুমতি চাওয়া হবে আদালতের কাছে। এছাড়া গ্রেপ্তার ধামা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মোট ২১ টি মামলা রয়েছে।

খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৯০ জন নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ২১ জন ভর্তি হন। একই সময়ে ঝিনাইদহে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়।

নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জনমত জরিপে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকেও চাপের মুখে রয়েছেন ট্রাম্প।

মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ
কারাগারে বন্দী সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মা সন্ধ্যা রাণী ধর হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান

সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বিশৃঙ্খলা’ থামিয়ে সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনপরিসরে নৈতিক অবক্ষয়মূলক কনটেন্ট প্রতিরোধ করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেছেন, “কোনো অবস্থাতেই মুক্তচিন্তা, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা বা সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা