চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার গঠন করার পর এখন অপেক্ষা সংসদের প্রথম অধিবেশনের। এই অধিবেশন ঘিরে মানুষের আগ্রহের মূল কারণ প্রথম অধিবেশনে শুরুর দিনই নির্বাচিত হবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এই পদের জন্য বিএনপির দুজন নেতার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সফলতা এবং ক্লিন ইমেজের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক ও প্রবীণ রাজনীতিকের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিএনপি অনেকটাই নির্ভার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেও মঈন খান সরকারের কোনো পদে নেই। দলের অনেকেই মনে করছেন স্পিকার পদের জন্যই তাকে রাখা হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নামও স্পিকার হিসেবে শোনা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তার দীর্ঘ আইনি ক্যারিয়ার এবং সাংবিধানিক বিষয়ে জ্ঞান সংসদ পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন দলের অনেকে।
বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে দলটির পক্ষে বিচার বিভাগ ও আইনি লড়াইয়ে সামনের সারিতে ছিলেন। তাই ধারণা করা হচ্ছে স্পিকার পদে তাকেও দেখা যেতে পারে।
বিএনপির যেসব নেতার সঙ্গে চরচা কথা বলেছে, তারা কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি। তাদের ভাষ্য, দলের যথাযথ ফোরামে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনেই প্রথম বৈঠকেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।
তবে আগের সংসদের স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব কে করবেন, তা ঠিক করবেন রাষ্ট্রপতি।
অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তির সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। সেখানে সংসদ সদস্যরা একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করবে।
আবার সংসদ সদস্যরা নিজেরাও অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য তাদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনীত করতে পারেন। যার সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়ে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে।
স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার না থাকায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিতদের সংসদ সদস্যের শপথ পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার গঠন করার পর এখন অপেক্ষা সংসদের প্রথম অধিবেশনের। এই অধিবেশন ঘিরে মানুষের আগ্রহের মূল কারণ প্রথম অধিবেশনে শুরুর দিনই নির্বাচিত হবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এই পদের জন্য বিএনপির দুজন নেতার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সফলতা এবং ক্লিন ইমেজের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক ও প্রবীণ রাজনীতিকের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিএনপি অনেকটাই নির্ভার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেও মঈন খান সরকারের কোনো পদে নেই। দলের অনেকেই মনে করছেন স্পিকার পদের জন্যই তাকে রাখা হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নামও স্পিকার হিসেবে শোনা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তার দীর্ঘ আইনি ক্যারিয়ার এবং সাংবিধানিক বিষয়ে জ্ঞান সংসদ পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন দলের অনেকে।
বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে দলটির পক্ষে বিচার বিভাগ ও আইনি লড়াইয়ে সামনের সারিতে ছিলেন। তাই ধারণা করা হচ্ছে স্পিকার পদে তাকেও দেখা যেতে পারে।
বিএনপির যেসব নেতার সঙ্গে চরচা কথা বলেছে, তারা কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি। তাদের ভাষ্য, দলের যথাযথ ফোরামে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনেই প্রথম বৈঠকেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।
তবে আগের সংসদের স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব কে করবেন, তা ঠিক করবেন রাষ্ট্রপতি।
অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তির সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। সেখানে সংসদ সদস্যরা একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করবে।
আবার সংসদ সদস্যরা নিজেরাও অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য তাদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনীত করতে পারেন। যার সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়ে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে।
স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার না থাকায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিতদের সংসদ সদস্যের শপথ পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।