চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশের ফুটবলের ‘ঐতিহাসিক’ ম্যাচ ছিল এটি। ইউরোপের মাটিতে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু তপু বর্মণ ম্যাচটা পুরোপুরি নিজের করে নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলের ইতিহাসেই ঢুকে গেলেন। ইউরোপের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি ফুটবলার হিসেবে গোল করলেন, ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন সেখানেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জোড়া গোল করে দেশকে জেতালেন। সান মারিনোকে ২–১ গোলে হারানোর ম্যাচটা তাই পুরোপুরিই তপুময়।
ইউরোপে এর আগেও খেলেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেটা অবশ্য ২৬ বছর আগে। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের লেস্টারে ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন আলফাজ আহমেদ–হাসান আল মামুনরা। কিন্তু সে ম্যাচে ১–০ গোলে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই আজ সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচের ১৯তম মিনিটে শেখ মোরছালিনের ক্রস থেকে তপু বর্মণ যখন হেডে গোল করে বাংলাদেশকে ১–০ গোলে এগিয়ে নিলেন, প্রথম বাংলাদেশি ফুটবলার হিসেবে ইউরোপের মাটিতে গোল করার ইতিহাসটা গড়া হয়ে গিয়েছিল। ৮৬ মিনিটে সেই তপু বর্মণের আরেকটি হেডের গোলেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
ম্যাচটা যে ‘তপুময়’ সেটি আরও একটি কারণে। ডিফেন্ডার তপুর গোল করার অভ্যাসটা আছে। দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৮ গোল করাটা সাধারণ কোনো বিষয় নয়। তবে মাঝেমধ্যে রক্ষণকাজে মাঝেমধ্যে ‘ভুল–ভ্রান্তি’র ‘বদঅভ্যেস’টাও তার মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে তার ভুলেই ১–১ সমতা ফিরিয়েছিল সান মারিনো। ইউরোপের মাঠে যখন ‘ড্র’ করে ফেরাটাই বাংলাদেশের ভবিতব্য মনে হচ্ছিল, তখনই তপু–ম্যাজিক। ৮৬ মিনিটের সেই জয়সূচক গোল। যদিও জয়সূচক গোলের পরও মিতুল মারমার এক হাস্যকর ভুলে সবকিছু গুবলেট হয়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছিল। নিরীহ এক বল হাত ফসকে বেরিয়ে প্রায় গোলে প্রবেশ করতে গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে কোনোমতে গোল লাইনের ওপরে তা থামান বাংলাদেশের গোলরক্ষক।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা টমাস ডুলি বাংলাদেশের কোচ হিসেবে শুরুটা দারুণ করলেন। শুরুর একাদশ দেখে অবশ্য অনেক সমর্থকেরই মুখ কালো হয়ে গিয়েছিল। শমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম, জায়ান আহমেদ—তিন প্রবাসী তারকাকেই ডাগ আউটে অপেক্ষায় রাখলেন। শুরুর একাদশে রাখলেন রফিকুল ইসলামকে। তবে রফিক একেবারে মন্দ খেলেননি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা সান মারিনোর বিপক্ষে শুরু থেকেই তেড়েফুড়ে আক্রমণে গেছে বাংলাদেশ। তবে গোলের জন্য ভরসা করতে হয়েছে তপু বর্মণের ওপরই। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য শমিত, জায়ান, বিশ্বনাথ ঘোষ, ফাহমিদুল—সবাই নামলেন। ডুলির নিজের অস্ত্রগুলোকে আজ ভালোভাবেই ঝালিয়ে নিতে পেরেছেন। সেটা বলাই বাহুল্য।
সান মারিনো ইউরোপের দেশ হলেও তাদের ফুটবল ইতিহাস সমৃদ্ধ নয়। উয়েফার বিভিন্ন বাছাইপর্বে বড় বড় শক্তির সামনে পড়ে নাজেহাল হওয়াটাই তাদের কপালের লিখন। এই তো কিছু দিন আগেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অস্ট্রিয়ার কাছে ১০–০ গোলে হেরেছিল তারা। তাই এই দেশটির বিপক্ষে ম্যাচটি ‘ঐতিহাসিক’ তকমা লাগানো থাকলেও ম্যাচটা জিততে না পারলে সমালোচনার ঝড়ের মধ্যেই পড়তে হতো বাংলাদেশ দলকে। সান মারিনোর বিপক্ষে ২–১ গোলের জয়টা তাই যতটা না ঐতিহাসিক, তার চেয়ে অনেক বেশি নিজেদের কাজটা সফলভাবে শেষ করতে পারার স্বস্তির।

বাংলাদেশের ফুটবলের ‘ঐতিহাসিক’ ম্যাচ ছিল এটি। ইউরোপের মাটিতে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু তপু বর্মণ ম্যাচটা পুরোপুরি নিজের করে নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলের ইতিহাসেই ঢুকে গেলেন। ইউরোপের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি ফুটবলার হিসেবে গোল করলেন, ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন সেখানেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জোড়া গোল করে দেশকে জেতালেন। সান মারিনোকে ২–১ গোলে হারানোর ম্যাচটা তাই পুরোপুরিই তপুময়।
ইউরোপে এর আগেও খেলেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেটা অবশ্য ২৬ বছর আগে। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের লেস্টারে ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন আলফাজ আহমেদ–হাসান আল মামুনরা। কিন্তু সে ম্যাচে ১–০ গোলে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই আজ সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচের ১৯তম মিনিটে শেখ মোরছালিনের ক্রস থেকে তপু বর্মণ যখন হেডে গোল করে বাংলাদেশকে ১–০ গোলে এগিয়ে নিলেন, প্রথম বাংলাদেশি ফুটবলার হিসেবে ইউরোপের মাটিতে গোল করার ইতিহাসটা গড়া হয়ে গিয়েছিল। ৮৬ মিনিটে সেই তপু বর্মণের আরেকটি হেডের গোলেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
ম্যাচটা যে ‘তপুময়’ সেটি আরও একটি কারণে। ডিফেন্ডার তপুর গোল করার অভ্যাসটা আছে। দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৮ গোল করাটা সাধারণ কোনো বিষয় নয়। তবে মাঝেমধ্যে রক্ষণকাজে মাঝেমধ্যে ‘ভুল–ভ্রান্তি’র ‘বদঅভ্যেস’টাও তার মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে তার ভুলেই ১–১ সমতা ফিরিয়েছিল সান মারিনো। ইউরোপের মাঠে যখন ‘ড্র’ করে ফেরাটাই বাংলাদেশের ভবিতব্য মনে হচ্ছিল, তখনই তপু–ম্যাজিক। ৮৬ মিনিটের সেই জয়সূচক গোল। যদিও জয়সূচক গোলের পরও মিতুল মারমার এক হাস্যকর ভুলে সবকিছু গুবলেট হয়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছিল। নিরীহ এক বল হাত ফসকে বেরিয়ে প্রায় গোলে প্রবেশ করতে গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে কোনোমতে গোল লাইনের ওপরে তা থামান বাংলাদেশের গোলরক্ষক।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা টমাস ডুলি বাংলাদেশের কোচ হিসেবে শুরুটা দারুণ করলেন। শুরুর একাদশ দেখে অবশ্য অনেক সমর্থকেরই মুখ কালো হয়ে গিয়েছিল। শমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম, জায়ান আহমেদ—তিন প্রবাসী তারকাকেই ডাগ আউটে অপেক্ষায় রাখলেন। শুরুর একাদশে রাখলেন রফিকুল ইসলামকে। তবে রফিক একেবারে মন্দ খেলেননি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা সান মারিনোর বিপক্ষে শুরু থেকেই তেড়েফুড়ে আক্রমণে গেছে বাংলাদেশ। তবে গোলের জন্য ভরসা করতে হয়েছে তপু বর্মণের ওপরই। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য শমিত, জায়ান, বিশ্বনাথ ঘোষ, ফাহমিদুল—সবাই নামলেন। ডুলির নিজের অস্ত্রগুলোকে আজ ভালোভাবেই ঝালিয়ে নিতে পেরেছেন। সেটা বলাই বাহুল্য।
সান মারিনো ইউরোপের দেশ হলেও তাদের ফুটবল ইতিহাস সমৃদ্ধ নয়। উয়েফার বিভিন্ন বাছাইপর্বে বড় বড় শক্তির সামনে পড়ে নাজেহাল হওয়াটাই তাদের কপালের লিখন। এই তো কিছু দিন আগেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অস্ট্রিয়ার কাছে ১০–০ গোলে হেরেছিল তারা। তাই এই দেশটির বিপক্ষে ম্যাচটি ‘ঐতিহাসিক’ তকমা লাগানো থাকলেও ম্যাচটা জিততে না পারলে সমালোচনার ঝড়ের মধ্যেই পড়তে হতো বাংলাদেশ দলকে। সান মারিনোর বিপক্ষে ২–১ গোলের জয়টা তাই যতটা না ঐতিহাসিক, তার চেয়ে অনেক বেশি নিজেদের কাজটা সফলভাবে শেষ করতে পারার স্বস্তির।