চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সেনা সদস্যদের উদ্দেশে অশালীন ভাষা ও গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বুধবার নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, বিষয়টি তদন্তের।
তিনি বলেন, কেউ ক্ষুব্ধ হলে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি বা অ্যাডজুডিকেশন কমিটিতে অভিযোগ করতে পারেন। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয়, কোনো প্রার্থী বা ভোটার আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন, তবে কমিশন ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, "এটা এটা ফ্যাক্টস টু ফ্যাক্টস, কেস টু কেস ভিত্তিতে বলতে হবে। একেবারে ইউনিফর্ম একটা কথা কিন্তু বলা যাবে না।"
নির্বাচনী শৃঙ্খলা রাখতে কমিশনের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সারা দেশে প্রায় ৩০০ বিচারকের নেতৃত্বে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। মাঠপর্যায়ে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে বহু ক্ষেত্রে ইতোমধ্যেই জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কমিশনার বলেন, অভিযোগ শুধু প্রার্থীর পক্ষ থেকেই নয়–গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবর বা অন্য কোনো সূত্র থেকেও কমিটি তা আমলে নিতে পারে। তদন্তের পর প্রতিবেদন ও সুপারিশ কমিশনের কাছে যাবে, এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, নির্বাচনী কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ যদি নিজেরাই আচরণবিধি ভঙ্গ করেন, তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা যাবে এবং তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "আমরা মনে করি, নির্বাচনী পরিবেশ যথেষ্ট ভালো আছে। তুলনামূলকভাবে ভালো আছে তো অবশ্যই বলব।"
এসময় শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুর পর নির্বাচন স্থগিতের প্রসঙ্গ আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, "১২ ফেব্রুয়ারির আগে এই নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, তফসিল ঘোষণা করতে হবে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিয়ে। আপিলের সময় আছে, স্ক্রুটিনির সময় আছে। কাজেই এই নির্বাচন কখন হবে এই মুহূর্তে এখন আমরা ঘোষণা দিতে পারছি না।"

ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সেনা সদস্যদের উদ্দেশে অশালীন ভাষা ও গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বুধবার নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, বিষয়টি তদন্তের।
তিনি বলেন, কেউ ক্ষুব্ধ হলে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি বা অ্যাডজুডিকেশন কমিটিতে অভিযোগ করতে পারেন। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয়, কোনো প্রার্থী বা ভোটার আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন, তবে কমিশন ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, "এটা এটা ফ্যাক্টস টু ফ্যাক্টস, কেস টু কেস ভিত্তিতে বলতে হবে। একেবারে ইউনিফর্ম একটা কথা কিন্তু বলা যাবে না।"
নির্বাচনী শৃঙ্খলা রাখতে কমিশনের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সারা দেশে প্রায় ৩০০ বিচারকের নেতৃত্বে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। মাঠপর্যায়ে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে বহু ক্ষেত্রে ইতোমধ্যেই জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কমিশনার বলেন, অভিযোগ শুধু প্রার্থীর পক্ষ থেকেই নয়–গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবর বা অন্য কোনো সূত্র থেকেও কমিটি তা আমলে নিতে পারে। তদন্তের পর প্রতিবেদন ও সুপারিশ কমিশনের কাছে যাবে, এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, নির্বাচনী কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ যদি নিজেরাই আচরণবিধি ভঙ্গ করেন, তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা যাবে এবং তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "আমরা মনে করি, নির্বাচনী পরিবেশ যথেষ্ট ভালো আছে। তুলনামূলকভাবে ভালো আছে তো অবশ্যই বলব।"
এসময় শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুর পর নির্বাচন স্থগিতের প্রসঙ্গ আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, "১২ ফেব্রুয়ারির আগে এই নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, তফসিল ঘোষণা করতে হবে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিয়ে। আপিলের সময় আছে, স্ক্রুটিনির সময় আছে। কাজেই এই নির্বাচন কখন হবে এই মুহূর্তে এখন আমরা ঘোষণা দিতে পারছি না।"