রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪ ঘণ্টা ধরে পোল্লাপুকুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিক্ষার্থীরা। অবরুদ্ধ করা হয় স্থানীয় এক ওসিকে।
আজ রোববার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে রাজশাহীর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা রাজকীয় পরিবহন নামের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। বাকিদের দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ছাড়া দুর্ঘটনায় অটোরিকশার আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বেলপুকুরিয়া থানা ও পুঠিয়া থানা পুলিশ উপস্থিত হলেও সীমানা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিবাদ চলে। উভয় থানা কর্তৃপক্ষ এলাকাটি তাদের আওতাভুক্ত নয় বলে দাবি করে লাশের দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানালে স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, পুলিশ বাসটিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। এর প্রতিবাদে তারা বেলপুকুরিয়া থানার ওসি মো. আরজুকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তিনি সেখান থেকে বের হতে সক্ষম হন।
এই ঘটনার জেরে ৪ ঘণ্টা ধরে পোল্লাপুকুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিক্ষার্থীরা, যার ফলে রাস্তার দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে বেলপুকুরিয়া থানার ওসি মো. আরজু জানান, উত্তেজিত জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে—এমন পরিস্থিতির আশঙ্কায় বাসটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে শিক্ষার্থীরা তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দীর্ঘ সময় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যায়।
পুলিশের মতিহার জোনের ডিসি ও এসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এরপর অবশেষে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪ ঘণ্টা ধরে পোল্লাপুকুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিক্ষার্থীরা। অবরুদ্ধ করা হয় স্থানীয় এক ওসিকে।
আজ রোববার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে রাজশাহীর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা রাজকীয় পরিবহন নামের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। বাকিদের দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ছাড়া দুর্ঘটনায় অটোরিকশার আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বেলপুকুরিয়া থানা ও পুঠিয়া থানা পুলিশ উপস্থিত হলেও সীমানা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিবাদ চলে। উভয় থানা কর্তৃপক্ষ এলাকাটি তাদের আওতাভুক্ত নয় বলে দাবি করে লাশের দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানালে স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, পুলিশ বাসটিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। এর প্রতিবাদে তারা বেলপুকুরিয়া থানার ওসি মো. আরজুকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তিনি সেখান থেকে বের হতে সক্ষম হন।
এই ঘটনার জেরে ৪ ঘণ্টা ধরে পোল্লাপুকুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিক্ষার্থীরা, যার ফলে রাস্তার দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে বেলপুকুরিয়া থানার ওসি মো. আরজু জানান, উত্তেজিত জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে—এমন পরিস্থিতির আশঙ্কায় বাসটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে শিক্ষার্থীরা তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দীর্ঘ সময় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যায়।
পুলিশের মতিহার জোনের ডিসি ও এসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এরপর অবশেষে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।