চরচা ডেস্ক

আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে লিওনেল মেসি হ্যাটট্রিক করলেও আলোচনা বেশি ছিল তার কান্না নিয়ে। একটি গোলের পর যেভাবে আবেগআপ্লূত হয়ে পড়েছিলেন, তা সবার মনেই জন্ম দিয়েছিল প্রশ্নের। আর্জেন্টাইন তারকা নিজে না বললেও তার পরিবার নিশ্চিত করেছে, মূলত বাবার অসুস্থতায় ভেঙে পড়েছিলেন মেসি।
ইএসপিএনকে মেসির পরিবার একটি বিবৃতি দিয়েছে এই বিষয়ে। সেখানে বলা হয়েছে, “অতি সম্প্রতি যেভাবে (মেসির কান্না নিয়ে) বিভিন্ন গুজব, অনুমান নির্ভর ও অসত্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেটা আমাদের ভালো লাগেনি। খুবই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে যে সংবেদনশীলতার অভাব দেখা গেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন মানুষের স্বাস্থ্য এবং তার পরিবারের মানসিক শান্তিকে স্রেফ মনের মাধুরি মিশিয়ে প্রচারের বিষয় বানানো উচিত নয়।”
তবে মেসির বাবা হোর্হে মেসি ঠিক কোন রোগে আক্রান্ত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি বিবৃতিতে। তবে সাবেক বার্সেলোনা তারকার পরিবার স্পষ্ট করে বলেছে, হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থার খবর শুধুমাত্র পরিবারের একান্ত ঘনিষ্ঠ সদস্যদের কাছেই আছে। তাই পরিবারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া অন্য সব তথ্যকে অসত্য হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে সবশেষ শারীরিক অবস্থাও তুলে ধরা হয়েছে, “তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তিনি সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় মধ্যে আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থার ইতিবাচক উন্নতি দেখা যাচ্ছে।”
আলজেরিয়া ম্যাচে প্রথম গোলের পর মেসিকে চোখ মুছতে দেখা যায়। তবে কেন, সেটা তিনি তখন খোলাসা করেননি। শুধু বলেছিলেন, ব্যক্তিগত কারণে তিনি আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।
ছেলের পুরো পেশাদার ক্যারিয়ার জুড়েই হোর্হে মেসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে ট্রায়ালের জন্য তিনিই মেসিকে স্পেনে নিয়ে গিয়েছিলেন।
পরে বার্সেলোনা, পিএসজি এবং সবশেষ ইন্টার মায়ামিতে ৩৯ বছর বয়সী মেসির দলবদল প্রক্রিয়াতেও হোর্হে মেসিই ছিলেন মূল ব্যক্তি। এছাড়া ছেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, ছবি স্বত্ব সহ মাঠের বাইরের সবকিছুর দেখভাল করে আসছেন তিনি।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে লিওনেল মেসি হ্যাটট্রিক করলেও আলোচনা বেশি ছিল তার কান্না নিয়ে। একটি গোলের পর যেভাবে আবেগআপ্লূত হয়ে পড়েছিলেন, তা সবার মনেই জন্ম দিয়েছিল প্রশ্নের। আর্জেন্টাইন তারকা নিজে না বললেও তার পরিবার নিশ্চিত করেছে, মূলত বাবার অসুস্থতায় ভেঙে পড়েছিলেন মেসি।
ইএসপিএনকে মেসির পরিবার একটি বিবৃতি দিয়েছে এই বিষয়ে। সেখানে বলা হয়েছে, “অতি সম্প্রতি যেভাবে (মেসির কান্না নিয়ে) বিভিন্ন গুজব, অনুমান নির্ভর ও অসত্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেটা আমাদের ভালো লাগেনি। খুবই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে যে সংবেদনশীলতার অভাব দেখা গেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন মানুষের স্বাস্থ্য এবং তার পরিবারের মানসিক শান্তিকে স্রেফ মনের মাধুরি মিশিয়ে প্রচারের বিষয় বানানো উচিত নয়।”
তবে মেসির বাবা হোর্হে মেসি ঠিক কোন রোগে আক্রান্ত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি বিবৃতিতে। তবে সাবেক বার্সেলোনা তারকার পরিবার স্পষ্ট করে বলেছে, হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থার খবর শুধুমাত্র পরিবারের একান্ত ঘনিষ্ঠ সদস্যদের কাছেই আছে। তাই পরিবারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া অন্য সব তথ্যকে অসত্য হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে সবশেষ শারীরিক অবস্থাও তুলে ধরা হয়েছে, “তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তিনি সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় মধ্যে আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থার ইতিবাচক উন্নতি দেখা যাচ্ছে।”
আলজেরিয়া ম্যাচে প্রথম গোলের পর মেসিকে চোখ মুছতে দেখা যায়। তবে কেন, সেটা তিনি তখন খোলাসা করেননি। শুধু বলেছিলেন, ব্যক্তিগত কারণে তিনি আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।
ছেলের পুরো পেশাদার ক্যারিয়ার জুড়েই হোর্হে মেসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে ট্রায়ালের জন্য তিনিই মেসিকে স্পেনে নিয়ে গিয়েছিলেন।
পরে বার্সেলোনা, পিএসজি এবং সবশেষ ইন্টার মায়ামিতে ৩৯ বছর বয়সী মেসির দলবদল প্রক্রিয়াতেও হোর্হে মেসিই ছিলেন মূল ব্যক্তি। এছাড়া ছেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, ছবি স্বত্ব সহ মাঠের বাইরের সবকিছুর দেখভাল করে আসছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। ওয়াশিংটনের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও আজ শনিবার ইরানের সামরিক কমান্ড এটি পুনরায় বন্ধের নির্দেশ দেয়।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম গত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই নেতার বদলে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয় যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ মালিককে। নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পান মালিক।