চরচা ডেস্ক

ফুকুশিমা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি চুল্লি পুনরায় চালু করেছে জাপান। ঐ দুর্ঘটনার জেরে দেশটি তার সবকটি পারমাণবিক চুল্লি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল।
বিবিসি’র একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, টোকিও’র উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ নম্বর চুল্লিটি বুধবার পুনরায় চালু করা হয়। আগামী মাস থেকে এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটি জাপানের পারমাণবিক শক্তি পুনর্জাগরণের সবশেষ পদক্ষেপ, তবে এই পথ এখনো অনেক দীর্ঘ। ৭ নম্বর চুল্লিটি ২০৩০ সালের আগে চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং বাকি পাঁচটি চুল্লি একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক কমে যাবে।
জাপান বরাবরই জ্বালানি আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাই তারা প্রথম থেকে পারমাণবিক শক্তি গ্রহণকারী দেশের একটি হয়ে ওঠে। কিন্তু ২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পরপরই জাপান তাদের মোট ৫৪টি চুল্লির সবকটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।
জাপানে রেকর্ডকৃত শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ফুকুশিমা দাইইচি কেন্দ্রের চুল্লিগুলোর গলন, তেজস্ক্রিয় নিঃসরণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে গভীর ট্রমা তৈরি করে। ঐ ঘটনা পর যারা এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপদ ঘোষণা করা সত্ত্বেও তাদের অনেকেই সেখানে আর ফিরে আসেননি।
গত এক দশক ধরে দেশটি এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুনরায় সচল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩টি সচলযোগ্য চুল্লির মধ্যে ১৫টি পুনরায় চালু করা হয়েছে। টেপকো-র মালিকানাধীন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া চুল্লিটিই প্রথম সচল করা হলো।
২০১১ সালের আগে জাপানের মোট বিদ্যুতের প্রায় ৩০ শতাংশ আসত পারমাণবিক শক্তি থেকে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৫০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ছিল দেশটির। তবে গত বছরের জ্বালানি পরিকল্পনায় ২০৪০ সালের মধ্যে তারা তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ পারমাণবিক উৎস থেকে মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই লক্ষ্যমাত্রা আগের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাগুলো থেকে তুলনামূলক বাস্তবসম্মত বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।

ফুকুশিমা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি চুল্লি পুনরায় চালু করেছে জাপান। ঐ দুর্ঘটনার জেরে দেশটি তার সবকটি পারমাণবিক চুল্লি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল।
বিবিসি’র একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, টোকিও’র উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ নম্বর চুল্লিটি বুধবার পুনরায় চালু করা হয়। আগামী মাস থেকে এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটি জাপানের পারমাণবিক শক্তি পুনর্জাগরণের সবশেষ পদক্ষেপ, তবে এই পথ এখনো অনেক দীর্ঘ। ৭ নম্বর চুল্লিটি ২০৩০ সালের আগে চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং বাকি পাঁচটি চুল্লি একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক কমে যাবে।
জাপান বরাবরই জ্বালানি আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাই তারা প্রথম থেকে পারমাণবিক শক্তি গ্রহণকারী দেশের একটি হয়ে ওঠে। কিন্তু ২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পরপরই জাপান তাদের মোট ৫৪টি চুল্লির সবকটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।
জাপানে রেকর্ডকৃত শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ফুকুশিমা দাইইচি কেন্দ্রের চুল্লিগুলোর গলন, তেজস্ক্রিয় নিঃসরণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে গভীর ট্রমা তৈরি করে। ঐ ঘটনা পর যারা এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপদ ঘোষণা করা সত্ত্বেও তাদের অনেকেই সেখানে আর ফিরে আসেননি।
গত এক দশক ধরে দেশটি এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুনরায় সচল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩টি সচলযোগ্য চুল্লির মধ্যে ১৫টি পুনরায় চালু করা হয়েছে। টেপকো-র মালিকানাধীন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া চুল্লিটিই প্রথম সচল করা হলো।
২০১১ সালের আগে জাপানের মোট বিদ্যুতের প্রায় ৩০ শতাংশ আসত পারমাণবিক শক্তি থেকে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৫০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ছিল দেশটির। তবে গত বছরের জ্বালানি পরিকল্পনায় ২০৪০ সালের মধ্যে তারা তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ পারমাণবিক উৎস থেকে মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই লক্ষ্যমাত্রা আগের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাগুলো থেকে তুলনামূলক বাস্তবসম্মত বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।