চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদা থানার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে জহিরুল ইসলাম সাজিদ নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সাজিদ চাঁদপুরের মতলব উপজেলার আব্দুল জলিলের ছেলে। সে বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে মুগদা এলাকায় ভাড়া থাকতেন এবং হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মুগদা থানার এসআই আবু তারেক দিপু জানান, গতকাল বুধবার গভীর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ বাসায় গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের বরাতে তিনি জানান, রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমাতে যান। সাজিদ নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। রাতের কোনো এক সময়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় বলে পরিবারের দাবি। দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এসআই আরও বলেন, কী কারণে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রাজধানীর মুগদা থানার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে জহিরুল ইসলাম সাজিদ নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সাজিদ চাঁদপুরের মতলব উপজেলার আব্দুল জলিলের ছেলে। সে বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে মুগদা এলাকায় ভাড়া থাকতেন এবং হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মুগদা থানার এসআই আবু তারেক দিপু জানান, গতকাল বুধবার গভীর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ বাসায় গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের বরাতে তিনি জানান, রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমাতে যান। সাজিদ নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। রাতের কোনো এক সময়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় বলে পরিবারের দাবি। দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এসআই আরও বলেন, কী কারণে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।