চরচা ডেস্ক

দীর্ঘদিনের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হতেই আমেরিকা অভিযোগ তুলেছে, ২০২০ সালে চীন গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জেনেভায় এক নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিনিধি টমাস ডিন্যানো দাবি করেন, চীন আন্তর্জাতিক নিয়ম ভেঙে গোপনে পরীক্ষা চালিয়েছে এবং সিসমিক মনিটরিং (ভূকম্পন পরিমাপক) ফাঁকি দিতে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে।
আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে থাকা ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ স্থ্যানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যার ওপর যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা এখন আর কার্যকর নেই। ফলে ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বের দুই প্রধান পরমাণু শক্তিধর দেশ কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা ছাড়াই তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সাজাতে পারবে।
জেনেভা সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পরমাণু অস্ত্রের দিক থেকে আমেরিকা ও রাশিয়া প্রত্যেকের কাছে প্রায় ৪ হাজার পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে। অন্যদিকে, চীনের কাছে প্রায় ৬০০টি ওয়ারহেড রয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে আমেরিকা।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, কেবল রাশিয়া নয়, বরং চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করে একটি নতুন ও বিস্তৃত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি করতে হবে। আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টি নিয়ে বলেন, “রাশিয়া ও চীন তাদের পরমাণু শক্তি বাড়াতে থাকলে আমেরিকা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। আমরা নিজেদের পরমাণু সক্ষমতা আরও আধুনিক করব।”
চীন অবশ্য এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। চীনের প্রতিনিধি শেন জিয়ান মার্কিন দাবিকে ‘ভুয়া প্রচারণা’ বলে অভিহিত করেছেন। শেন জিয়ান জানান, আমেরিকা ও রাশিয়ার তুলনায় চীনের অস্ত্রের সংখ্যা অত্যন্ত সামান্য, তাই তারা এই মুহূর্তে নতুন কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে অংশ নিতে আগ্রহী নয়। চীনের মতে, পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার জন্য আমেরিকা এই দায়ী।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং বড় দেশগুলোর মধ্যে আস্থার অভাব থাকায় বিশ্ব এখন একটি অনিশ্চিত সময়ের দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে পরমাণু অস্ত্রের এই নিয়ন্ত্রণহীনতা ভুল বোঝাবুঝির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

দীর্ঘদিনের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হতেই আমেরিকা অভিযোগ তুলেছে, ২০২০ সালে চীন গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জেনেভায় এক নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিনিধি টমাস ডিন্যানো দাবি করেন, চীন আন্তর্জাতিক নিয়ম ভেঙে গোপনে পরীক্ষা চালিয়েছে এবং সিসমিক মনিটরিং (ভূকম্পন পরিমাপক) ফাঁকি দিতে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে।
আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে থাকা ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ স্থ্যানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যার ওপর যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা এখন আর কার্যকর নেই। ফলে ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বের দুই প্রধান পরমাণু শক্তিধর দেশ কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা ছাড়াই তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সাজাতে পারবে।
জেনেভা সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পরমাণু অস্ত্রের দিক থেকে আমেরিকা ও রাশিয়া প্রত্যেকের কাছে প্রায় ৪ হাজার পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে। অন্যদিকে, চীনের কাছে প্রায় ৬০০টি ওয়ারহেড রয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে আমেরিকা।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, কেবল রাশিয়া নয়, বরং চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করে একটি নতুন ও বিস্তৃত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি করতে হবে। আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টি নিয়ে বলেন, “রাশিয়া ও চীন তাদের পরমাণু শক্তি বাড়াতে থাকলে আমেরিকা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। আমরা নিজেদের পরমাণু সক্ষমতা আরও আধুনিক করব।”
চীন অবশ্য এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। চীনের প্রতিনিধি শেন জিয়ান মার্কিন দাবিকে ‘ভুয়া প্রচারণা’ বলে অভিহিত করেছেন। শেন জিয়ান জানান, আমেরিকা ও রাশিয়ার তুলনায় চীনের অস্ত্রের সংখ্যা অত্যন্ত সামান্য, তাই তারা এই মুহূর্তে নতুন কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে অংশ নিতে আগ্রহী নয়। চীনের মতে, পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার জন্য আমেরিকা এই দায়ী।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং বড় দেশগুলোর মধ্যে আস্থার অভাব থাকায় বিশ্ব এখন একটি অনিশ্চিত সময়ের দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে পরমাণু অস্ত্রের এই নিয়ন্ত্রণহীনতা ভুল বোঝাবুঝির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।