চরচা প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া পাঁচজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো.রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী ও ঝন্টু শেখ। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা জানান, এই রায়ে তারা সন্তুষ্ট।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এম শরীফুল ইসলাম বলেন, “আশা করছি, উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে।”
২০১৬ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস থেকে মৌলভীপাড়ার বাসায় ফেরার পথে বাসুকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় একদল হামলাকারী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর থানায় বাসুর ছোট ভাই জাসু শেখ মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১২ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাপগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।
২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ পাঠানো হয়।
মামলার বিচার চলাকালে ২৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ রায় ঘোষণা হলো।

গোপালগঞ্জে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া পাঁচজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো.রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী ও ঝন্টু শেখ। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা জানান, এই রায়ে তারা সন্তুষ্ট।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এম শরীফুল ইসলাম বলেন, “আশা করছি, উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে।”
২০১৬ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস থেকে মৌলভীপাড়ার বাসায় ফেরার পথে বাসুকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় একদল হামলাকারী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর থানায় বাসুর ছোট ভাই জাসু শেখ মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১২ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাপগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।
২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ পাঠানো হয়।
মামলার বিচার চলাকালে ২৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ রায় ঘোষণা হলো।