বরিশাল প্রতিনিধি

রাত পোহালেই একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দেশজুড়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুতি চললেও বরিশাল জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন এক চিত্র। জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নেই কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল জেলায় মোট ১ হাজার ৫৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৩৩টি বিদ্যালয়েই নেই কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার। অর্থাৎ, মাত্র ১৫৩টি বিদ্যালয়ে স্থায়ী মিনার রয়েছে। পুরো বিভাগের চিত্র আরও হতাশাজনক; বিভাগের ৬ হাজার ২৩৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১ হাজার ২৮৭টিতে শহীদ মিনার আছে।
স্থায়ী মিনার না থাকায় প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি এলে শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে কলাগাছ, বাঁশ বা কাঠ দিয়ে অস্থায়ী মিনার তৈরি করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পরদিনই সেসব উপড়ে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে মাটি দিয়ে বেদি তৈরি করে শ্রদ্ধা জানানো হয়, যা দীর্ঘস্থায়ী কোনো প্রভাব ফেলে না কোমলমতি শিশুদের মনে।
গুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারজানা ববি বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে প্রতিবছরই কলাগাছ দিয়ে অস্থায়ী মিনার বানানো হয়। একটি স্থায়ী মিনার থাকলে শিশুরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পেত।’’
বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়। তিনি বলেন, ‘‘একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। অথচ আমাদের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি ভাষা আন্দোলনের এই মহান প্রতীক অনুপস্থিত থাকে, তবে এর তাৎপর্য কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতাতেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে। ব্যবহারিক শিক্ষার অভাব ঘটবে।’’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ‘‘সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে পর্যায়ক্রমে সব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের। যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো মিনার নেই, সেখানে সুন্দর ও মানসম্মত শহীদ মিনার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’’

রাত পোহালেই একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দেশজুড়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুতি চললেও বরিশাল জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন এক চিত্র। জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নেই কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল জেলায় মোট ১ হাজার ৫৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৩৩টি বিদ্যালয়েই নেই কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার। অর্থাৎ, মাত্র ১৫৩টি বিদ্যালয়ে স্থায়ী মিনার রয়েছে। পুরো বিভাগের চিত্র আরও হতাশাজনক; বিভাগের ৬ হাজার ২৩৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১ হাজার ২৮৭টিতে শহীদ মিনার আছে।
স্থায়ী মিনার না থাকায় প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি এলে শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে কলাগাছ, বাঁশ বা কাঠ দিয়ে অস্থায়ী মিনার তৈরি করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পরদিনই সেসব উপড়ে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে মাটি দিয়ে বেদি তৈরি করে শ্রদ্ধা জানানো হয়, যা দীর্ঘস্থায়ী কোনো প্রভাব ফেলে না কোমলমতি শিশুদের মনে।
গুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারজানা ববি বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে প্রতিবছরই কলাগাছ দিয়ে অস্থায়ী মিনার বানানো হয়। একটি স্থায়ী মিনার থাকলে শিশুরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পেত।’’
বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়। তিনি বলেন, ‘‘একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। অথচ আমাদের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি ভাষা আন্দোলনের এই মহান প্রতীক অনুপস্থিত থাকে, তবে এর তাৎপর্য কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতাতেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে। ব্যবহারিক শিক্ষার অভাব ঘটবে।’’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ‘‘সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে পর্যায়ক্রমে সব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের। যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো মিনার নেই, সেখানে সুন্দর ও মানসম্মত শহীদ মিনার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’’