চরচা ডেস্ক

ভারতের পরবর্তী চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানিকে নিযুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি জেনারেল অনিল চৌহানের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যার মেয়াদ আগামী ৩০ মে শেষ হতে চলেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানি বর্তমানে ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২৪ সালের ১ জুলাই ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিনি সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান (ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ) ছিলেন। এছাড়া ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তিনি সেন্ট্রাল কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রামানির সামরিক ক্যারিয়ার অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি গারওয়াল রাইফেলসে কমিশন লাভের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তার দীর্ঘ ৩৭ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করতে ২০১৯ সালে ভারতে চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) বা প্রতিরক্ষা প্রধানের পদটি সৃষ্টি করা হয়।

ভারতের পরবর্তী চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানিকে নিযুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি জেনারেল অনিল চৌহানের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যার মেয়াদ আগামী ৩০ মে শেষ হতে চলেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানি বর্তমানে ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২৪ সালের ১ জুলাই ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিনি সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান (ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ) ছিলেন। এছাড়া ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তিনি সেন্ট্রাল কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রামানির সামরিক ক্যারিয়ার অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি গারওয়াল রাইফেলসে কমিশন লাভের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তার দীর্ঘ ৩৭ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করতে ২০১৯ সালে ভারতে চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) বা প্রতিরক্ষা প্রধানের পদটি সৃষ্টি করা হয়।

প্রথম দিনের শেষ বেলায় সুযোগ ছিল ফিফটি তুলে নেওয়ার। তবে ১০১ টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা থেকে মুশফিকুর রহিম জানতেন, তার উইকেটের মূল্য কত। সেই একই টেম্পারামেন্ট দ্বিতীয় দিনেও দেখিয়ে চলেছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের সবাই সাজঘরে ফিরে যাওয়ায় প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর গড়াটা হয়ে উঠেছে চ্যালেঞ্জিং। তব