চরচা প্রতিবেদক

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনাল দ্রুত সময়ের মধ্যে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী থার্ড টার্মিনালটি জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে কোনো প্রকার বিলম্ব না করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আমরা এখন দ্রুত চালুর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।”
টার্মিনালটি কবে নাগাদ চালু হতে পারে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম জানান, এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রকল্পের নানা দিক নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজন হলে পুরো প্রকল্পের ওপর তদন্ত পরিচালনা করা হবে। দ্রুত চালুর পথে কী কী বাধা আছে, তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, থার্ড টার্মিনাল নিয়ে বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে। কিছু অংশে কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে, পাশাপাশি নেটওয়ার্কসংক্রান্ত কিছু সমস্যাও ছিল। প্রকল্পের ৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনাল দ্রুত সময়ের মধ্যে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী থার্ড টার্মিনালটি জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে কোনো প্রকার বিলম্ব না করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আমরা এখন দ্রুত চালুর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।”
টার্মিনালটি কবে নাগাদ চালু হতে পারে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম জানান, এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রকল্পের নানা দিক নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজন হলে পুরো প্রকল্পের ওপর তদন্ত পরিচালনা করা হবে। দ্রুত চালুর পথে কী কী বাধা আছে, তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, থার্ড টার্মিনাল নিয়ে বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে। কিছু অংশে কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে, পাশাপাশি নেটওয়ার্কসংক্রান্ত কিছু সমস্যাও ছিল। প্রকল্পের ৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।