চরচা ডেস্ক

হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইকে বিদেশি শক্তির সঙ্গে আঁতাত এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক প্রকাশনার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় সময় সোমবার তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হংকং হাই কোর্ট বেঞ্চে ৭৮ বছর বয়সী অ্যাপল ডেইলি পত্রিকার (বর্তমানে বন্ধ) প্রতিষ্ঠাতার এই সাজা ঘোষণা করা হয়। গত ডিসেম্বরে তাকে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
বিবিসি জানিয়েছে, এর আগে পৃথক একটি ঔপনিবেশিক আইনের আওতায় রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে সাজা পেয়েছিলেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী জিমি লাই। ২০২০ সাল থেকেই তিনি বিভিন্ন অভিযোগে জেলে আছেন। তার পরিবার কারাগারে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জিমি লাইয়ের কারাদণ্ডকে 'কার্যত একটি মৃত্যুদণ্ড' হিসেবে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি বলেছে, “এমন দীর্ঘমেয়াদি সাজা একই সঙ্গে একটি নিষ্ঠুরতা ও অন্যায়”।
সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, “লাইয়ের ওপর বছরের পর বছর চালানো নিপীড়ন চীনা সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতাকে ধ্বংস করা এবং যারা কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনা করে তাদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ।”
চীনের ২০২০ সালে প্রবর্তিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে মামলা হওয়া সবচেয়ে সুপরিচিত ব্যক্তি হলেন ৭৮ বছর বয়সী জিমি লাই হলেন । ২০১৯ সালের হংকংয়ের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভের পর এই আইন তৈরি করা হয়েছিল।
জিমি লাইকে হংকংয়ে অনেকে স্বাধীনতার রক্ষক মনে করেন, কিন্তু বেইজিং তাকে চীনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখে।
চীনের গুয়াংজুতে জন্ম নেওয়া জিমি লাই ১২ বছর বয়সে হংকংয়ে এসেছিলেন। এরপর এক পর্যায়ে তিনি জনপ্রিয় পোশাক ব্রান্ড 'গিয়র্দানো'সহ কোটি কোটি ডলারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন।
পাশাপাশি তিনি নেক্সট ম্যাগাজিন ও আপল ডেইলির মতো গনতন্ত্রপন্থী সংবাদমাধ্যম চালু করেন এবং ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ দমনের পর তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কণ্ঠ হয়ে উঠেন।

হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইকে বিদেশি শক্তির সঙ্গে আঁতাত এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক প্রকাশনার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় সময় সোমবার তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হংকং হাই কোর্ট বেঞ্চে ৭৮ বছর বয়সী অ্যাপল ডেইলি পত্রিকার (বর্তমানে বন্ধ) প্রতিষ্ঠাতার এই সাজা ঘোষণা করা হয়। গত ডিসেম্বরে তাকে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
বিবিসি জানিয়েছে, এর আগে পৃথক একটি ঔপনিবেশিক আইনের আওতায় রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে সাজা পেয়েছিলেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী জিমি লাই। ২০২০ সাল থেকেই তিনি বিভিন্ন অভিযোগে জেলে আছেন। তার পরিবার কারাগারে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জিমি লাইয়ের কারাদণ্ডকে 'কার্যত একটি মৃত্যুদণ্ড' হিসেবে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি বলেছে, “এমন দীর্ঘমেয়াদি সাজা একই সঙ্গে একটি নিষ্ঠুরতা ও অন্যায়”।
সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, “লাইয়ের ওপর বছরের পর বছর চালানো নিপীড়ন চীনা সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতাকে ধ্বংস করা এবং যারা কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনা করে তাদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ।”
চীনের ২০২০ সালে প্রবর্তিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে মামলা হওয়া সবচেয়ে সুপরিচিত ব্যক্তি হলেন ৭৮ বছর বয়সী জিমি লাই হলেন । ২০১৯ সালের হংকংয়ের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভের পর এই আইন তৈরি করা হয়েছিল।
জিমি লাইকে হংকংয়ে অনেকে স্বাধীনতার রক্ষক মনে করেন, কিন্তু বেইজিং তাকে চীনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখে।
চীনের গুয়াংজুতে জন্ম নেওয়া জিমি লাই ১২ বছর বয়সে হংকংয়ে এসেছিলেন। এরপর এক পর্যায়ে তিনি জনপ্রিয় পোশাক ব্রান্ড 'গিয়র্দানো'সহ কোটি কোটি ডলারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন।
পাশাপাশি তিনি নেক্সট ম্যাগাজিন ও আপল ডেইলির মতো গনতন্ত্রপন্থী সংবাদমাধ্যম চালু করেন এবং ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ দমনের পর তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কণ্ঠ হয়ে উঠেন।