Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ভারত সীমান্তে কুমির ও সাপ ছাড়লে বাস্তুতন্ত্রের কী হবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০৯: ৫১
ভারত সীমান্তে কুমির ও সাপ ছাড়লে বাস্তুতন্ত্রের কী হবে?

সম্প্রতি ভারত সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কুমির ও বিষধর সাপ ‘মোতায়েন’ করতে চাচ্ছে। এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। মূলত অবৈধ আন্তঃসীমান্ত কর্মকাণ্ড এবং নথিপত্রহীন অভিবাসন রোধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও গবেষক এ নিয়ে বলছেন, যদি কুমির বা বিষধর সাপ সীমান্তে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে তারা বুঝতে পারবে না কে বাংলাদেশি আর কে ভারতীয়। কেউ কেউ একে নথিপত্রহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চরম নিষ্ঠুরতা এবং অমানবিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দাবি করেছে। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মানুষের বিরুদ্ধে প্রকৃতি ও প্রাণীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার একটি সম্পূর্ণ নতুন উপায়। তারা একে নতুন ধরনের ‘জৈব-রাজনৈতিক সহিংসতা’ অ্যাখ্যা দিয়েছেন।

এর পাশাপাশি আরেকটি প্রশ্ন উঠেছে। আর তা হলো- সীমান্ত অঞ্চলে নতুনভাবে ছেড়ে দেওয়া কুমির ও বিষধর সাপ সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বাংলাদেশ সীমান্তে কেন সাপ-কুমির ছাড়তে চায় ভারত?crocodile

ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া’র কৌশল ও লিয়াজোঁ প্রধান রথীন বর্মন আল জাজিরাকে বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদীমাতৃক এলাকাগুলোতে কুমির ওই অঞ্চলের আদি বা স্থানীয় কোনো প্রাণী নয়।”

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণে সুন্দরবনে এক প্রজাতির কুমির পাওয়া যায় এবং অন্য একটি প্রজাতি আসামের সংরক্ষিত জলাভূমিগুলোতে দেখা যায়, যা সীমান্ত এলাকা থেকে অনেক দূরে। তিনি জানান, যদি এই প্রাণীগুলোকে সীমান্ত এলাকায় সরিয়ে আনা হয়, তবে তারা হয়ত টিকে থাকতে পারবে না।

বর্মন বলেন, “প্রথমত, তারা খুব দ্রুত মারা যাবে। তথাকথিত বিষধর সাপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।”

প্রজাতির প্রাকৃতিক বিস্তৃতির পরিসরে যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা কারসাজির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বর্মন।

বর্মন বলেন, “আমরা যদি এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিই, তবে তা পুরো খাদ্যশৃঙ্খল বা বাস্তুতন্ত্রে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আমি সেইসব অন্যান্য প্রাণীদের নিয়ে চিন্তিত, যাদের এই পৃথিবীতে এবং ওই এলাকাগুলোতে বেঁচে থাকার সমান অধিকার রয়েছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “প্রযুক্তিগতভাবে, এটি কোনোভাবেই পরামর্শযোগ্য নয়। একটি উন্মুক্ত ও প্রবহমান নদীতে এটি নিশ্চিতভাবেই কখনো কাজ করবে না।”

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের জলাভূমি এলাকাগুলো অত্যন্ত বন্যাপ্রবণ, যার ফলে বিষধর সাপগুলো জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মানবাধিকার কর্মী হর্ষ মান্দার বলেন, “এই ধরনের নীতি ভারতীয় রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতাকেই প্রতিফলিত করে। নদীতে থাকা একজন নথিপত্রহীন অভিবাসীকে কুমির, সাপ কিংবা বন্দুকের মুখে ঠেলে দেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না।”

সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়লে উল্টো ভারতীয়দেরই কামড়াবে না তো?crocodile

তিনি আরও যোগ করেন, “ভারতীয় রাষ্ট্র যা করতে ব্যর্থ হয়েছে, এই প্রাণীরা তা করতে পারবে না; অর্থাৎ তারা শনাক্ত করতে পারবে না কে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’। স্বাভাবিকভাবেই, তারা সীমান্তের উভয় পাড়ের স্থানীয় মানুষের ওপরই আক্রমণ চালাবে।”

একটি আন্তর্জাতিক সীমান্তের ‘রক্ষী’ হিসেবে প্রাকৃতিক শিকারি প্রাণী মোতায়েন করা কোনো নতুন ঘটনা নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম প্রেসিডেন্সির সময় অভিবাসীদের ঠেকাতে সাপে কামড়ানো বা কুমিরে ভরা পরিখা খনন করা এবং মানুষের পায়ে গুলি করার মতো ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল।

তবে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো অস্বীকার করে বলেছিলেন, “আমি সীমান্ত নিরাপত্তার ব্যাপারে কঠোর হতে পারি, কিন্তু এতটা কঠোর নই।” তিনি একে ‘ভুয়া খবর’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের একটি উদাহরণ সামনে এসেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিতর্কের মধ্য দিয়ে ‘সাউথ ফ্লোরিডা ডিটেনশন ফ্যাসিলিটি’ খোলা হয়, যাকে ট্রাম্প সমর্থক সরকারি কর্মকর্তারা ‘অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ’ নামে ডাকেন। এর দূরবর্তী ও জলাভূমি সদৃশ অবস্থানের কারণে এই ডাকনাম দেওয়া হয়েছে।

মনে করা হয়, সেখানকার ভূখণ্ডে থাকা শিকারি প্রাণীরা এমন এক সীমানা তৈরি করে রেখেছে যা পালানো অসম্ভব করে তোলে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, কেন্দ্রটি অমানবিক পরিস্থিতির জন্য কুখ্যাত হয়ে উঠেছে এবং এটি এভারগ্লেডসের ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি করার জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছে। সংস্থাটি এই কেন্দ্রটি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিষয়: অভিবাসনসীমান্তবাংলাদেশভারত
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।