চরচা ডেস্ক

সম্প্রতি লাখ লাখ উটের জন্য পাসপোর্ট ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মূল্যবান এই প্রাণীর আরও ভালো ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সৌদি আরবের গণমাধ্যম আল আখবরিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি সরকারের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে এই নথির ছবিও দেখিয়েছে। সেখানে সবুজ রঙের একটি পাসপোর্ট দেখা যায়, যার ওপর রয়েছে দেশের প্রতীক এবং সোনালি রঙের একটি উটের ছবি।
কেন পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে উটকে?
আরব অঞ্চলে উট বহুদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি মালিকদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ায় এবং লাভজনক প্রজনন শিল্পেরও প্রসার ঘটায়।
দেশটির মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই পাসপোর্ট প্রতিটি উটের জন্য একটি স্বীকৃত সরকারি পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করবে। যা প্রাণীটিকে যাচাই করার জন্য ব্যবহার করা হবে।
আল আখবরিয়া জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ উট পালন খাতকে আরও কার্যকর করে তুলবে এবং উটের পরিচয় ও মালিকানা সংক্রান্ত একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করবে বলে মনে করেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা।
প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপমন্ত্রী মনসুর বিন হিলাল আল মুশাইতি। তার ভাষ্য, এর মাধ্যমে সেবার মান উন্নত হবে, লেনদেনের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে এবং ভেটেরিনারি ও নিয়ন্ত্রক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।
উট সৌদি আরবের জাতীয় প্রতীকের একটি অংশ। দেশটিতে উটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়, যেখানে সেরা উটকে পুরস্কৃত করা হয়। জাতীয় দিবস, বিশেষ ও ঐতিহাসিক উপলক্ষে সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী উটের উপস্থিতি ছাড়া যেন অসম্পূর্ণই থেকে যায়।
২০২৪ সালে সরকারের হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবে প্রায় ২২ লাখ উট রয়েছে। এই প্রাণীটি প্রতি বছর দেশটির অর্থনীতিতে দুই বিলিয়ন রিয়ালের বেশি অবদান রাখছে।
আরব নিউজ বলছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি উট রয়েছে; যার মধ্যে ১ কোটি ৭০ লাখ আরব বিশ্বে। আরব দেশগুলোর মধ্যে উটের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে সোমালিয়া। এরপর রয়েছে সুদান, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব এবং ইয়েমেন।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়,ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিশ শতকের শুরুর দিকে উটই ছিল ইসলামের পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এমনকি সুদূর পূর্বাঞ্চল থেকে আসা হাজি ও হাজি কাফেলাগুলো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উটের পিঠে করেই সৌদি আরবে পৌঁছাতেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের শুষ্ক মরুভূমিতে পরিবহনের জন্য উট ব্যবহারের ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সৌদি আরবে পাথরে খোদাই করা উটের ভাস্কর্যগুলো বিশ্বে পশুপাখি নিয়ে আঁকা প্রাচীনতম চিত্র হতে পারে।
২০১৮ সালে প্রথম এগুলো খনন করে বের করার সময় গবেষকেরা ধারণা করেছিলেন, সেগুলো প্রায় দুই হাজার বছর আগে নির্মিত।
জর্ডানের প্রাচীন নগরী পেত্রায় পাওয়া নিদর্শনের সঙ্গে সাদৃশ্যের কারণে এই অনুমান করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী গবেষণায় এসব উটের ছবির বয়স সাত থেকে আট হাজার বছর বলে নির্ধারণ করা হয়।
পাথরের খোদাইয়ের সঠিক বয়স নির্ধারণ করা গবেষকদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। কারণ গুহাচিত্রের মতো এখানে সাধারণত কোনো জৈব উপাদান পাওয়া যায় না, যা পরীক্ষা করা সম্ভব। এই অঞ্চলে এত উচ্চমানের শিলাচিত্র পাওয়া যাওয়াও বিরল।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্স সাময়িকীতে তাদের গবেষণার ফল প্রকাশ করে।
তারা ভাস্কর্যগুলোর ভাঙনের ধরন, বিভিন্ন চিহ্ন এবং ওই এলাকায় পাওয়া প্রাণীর হাড় বিশ্লেষণ করে নতুন করে এগুলোর বয়স নির্ধারণ করেন।
এই স্মৃতিস্তম্ভগুলোর প্রাচীনত্ব এমন যে, সেগুলো পাঁচ হাজার বছর পুরোনো প্রস্তর যুগেরও আগের, কিংবা মিশরের গিজার পিরামিডের চেয়েও পুরোনো হতে পারে, যেগুলোর বয়স প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর।
এই স্মৃতিস্তম্ভগুলো নির্মিত হয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন উট গৃহপালিত হয়নি। অথচ পরবর্তী সময়ে উট পালন এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করে।
যখন এসব ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছিল, তখনকার সৌদি আরব আজকের মতো ছিল না। বর্তমানের মরুভূমির জায়গায় তখন ছিল বিস্তীর্ণ সবুজ ও ঘাসে ভরা এলাকা, সঙ্গে ছিল হ্রদ।
এই উটের ভাস্কর্যগুলো কেন তৈরি করা হয়েছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে গবেষকদের ধারণা, এগুলো যাযাবর গোত্রগুলোর মিলনস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে।
রিয়াদ পত্রিকার কলাম লেখক ও সৌদি ইতিহাসবিদ বদর বিন সৌদ বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আরব উপদ্বীপের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে উট।
এই প্রয়োজন থেকেই আরব বিশ্বে অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং জীবনের নানা ক্ষেত্রে উটের ভূমিকা গড়ে ওঠে।
বদর ইবনে সৌদের ভাষায়, ইসলাম-পূর্ব যুগে তারফা ইবনে আল-আব্দের মতো কবিরা তাঁদের কবিতায় উটের কথা উল্লেখ করেছেন।
ড. বদর বিন সৌদ বলেন, মানুষের জীবনে উট এমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে যে একে উপেক্ষা করা যায় না। এ কারণেই ইসলামের নবীরও (সা.) একটি উট ছিল, যার নাম ছিল কাসওয়া।
যদিও পরিবহনের ক্ষেত্রে উটের প্রয়োজন এখন অনেকটাই কমে গেছে, তবুও আরব নেতাদের সঙ্গে উটের ভালোবাসা এবং ঐতিহাসিক সম্পর্ক এখনো অটুট রয়েছে।
সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর আওতায় উট শিল্প দেশটির তেলবহির্ভূত প্রধান আয়ের উৎসগুলোর একটি হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। আয়ের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সামাজিক রীতিনীতি—যা সৌদিদের জন্য একই সঙ্গে লাভজনক এবং গর্বেরও বিষয়।

সম্প্রতি লাখ লাখ উটের জন্য পাসপোর্ট ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মূল্যবান এই প্রাণীর আরও ভালো ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সৌদি আরবের গণমাধ্যম আল আখবরিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি সরকারের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে এই নথির ছবিও দেখিয়েছে। সেখানে সবুজ রঙের একটি পাসপোর্ট দেখা যায়, যার ওপর রয়েছে দেশের প্রতীক এবং সোনালি রঙের একটি উটের ছবি।
কেন পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে উটকে?
আরব অঞ্চলে উট বহুদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি মালিকদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ায় এবং লাভজনক প্রজনন শিল্পেরও প্রসার ঘটায়।
দেশটির মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই পাসপোর্ট প্রতিটি উটের জন্য একটি স্বীকৃত সরকারি পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করবে। যা প্রাণীটিকে যাচাই করার জন্য ব্যবহার করা হবে।
আল আখবরিয়া জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ উট পালন খাতকে আরও কার্যকর করে তুলবে এবং উটের পরিচয় ও মালিকানা সংক্রান্ত একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করবে বলে মনে করেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা।
প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপমন্ত্রী মনসুর বিন হিলাল আল মুশাইতি। তার ভাষ্য, এর মাধ্যমে সেবার মান উন্নত হবে, লেনদেনের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে এবং ভেটেরিনারি ও নিয়ন্ত্রক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।
উট সৌদি আরবের জাতীয় প্রতীকের একটি অংশ। দেশটিতে উটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়, যেখানে সেরা উটকে পুরস্কৃত করা হয়। জাতীয় দিবস, বিশেষ ও ঐতিহাসিক উপলক্ষে সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী উটের উপস্থিতি ছাড়া যেন অসম্পূর্ণই থেকে যায়।
২০২৪ সালে সরকারের হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবে প্রায় ২২ লাখ উট রয়েছে। এই প্রাণীটি প্রতি বছর দেশটির অর্থনীতিতে দুই বিলিয়ন রিয়ালের বেশি অবদান রাখছে।
আরব নিউজ বলছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি উট রয়েছে; যার মধ্যে ১ কোটি ৭০ লাখ আরব বিশ্বে। আরব দেশগুলোর মধ্যে উটের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে সোমালিয়া। এরপর রয়েছে সুদান, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব এবং ইয়েমেন।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়,ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিশ শতকের শুরুর দিকে উটই ছিল ইসলামের পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এমনকি সুদূর পূর্বাঞ্চল থেকে আসা হাজি ও হাজি কাফেলাগুলো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উটের পিঠে করেই সৌদি আরবে পৌঁছাতেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের শুষ্ক মরুভূমিতে পরিবহনের জন্য উট ব্যবহারের ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সৌদি আরবে পাথরে খোদাই করা উটের ভাস্কর্যগুলো বিশ্বে পশুপাখি নিয়ে আঁকা প্রাচীনতম চিত্র হতে পারে।
২০১৮ সালে প্রথম এগুলো খনন করে বের করার সময় গবেষকেরা ধারণা করেছিলেন, সেগুলো প্রায় দুই হাজার বছর আগে নির্মিত।
জর্ডানের প্রাচীন নগরী পেত্রায় পাওয়া নিদর্শনের সঙ্গে সাদৃশ্যের কারণে এই অনুমান করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী গবেষণায় এসব উটের ছবির বয়স সাত থেকে আট হাজার বছর বলে নির্ধারণ করা হয়।
পাথরের খোদাইয়ের সঠিক বয়স নির্ধারণ করা গবেষকদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। কারণ গুহাচিত্রের মতো এখানে সাধারণত কোনো জৈব উপাদান পাওয়া যায় না, যা পরীক্ষা করা সম্ভব। এই অঞ্চলে এত উচ্চমানের শিলাচিত্র পাওয়া যাওয়াও বিরল।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্স সাময়িকীতে তাদের গবেষণার ফল প্রকাশ করে।
তারা ভাস্কর্যগুলোর ভাঙনের ধরন, বিভিন্ন চিহ্ন এবং ওই এলাকায় পাওয়া প্রাণীর হাড় বিশ্লেষণ করে নতুন করে এগুলোর বয়স নির্ধারণ করেন।
এই স্মৃতিস্তম্ভগুলোর প্রাচীনত্ব এমন যে, সেগুলো পাঁচ হাজার বছর পুরোনো প্রস্তর যুগেরও আগের, কিংবা মিশরের গিজার পিরামিডের চেয়েও পুরোনো হতে পারে, যেগুলোর বয়স প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর।
এই স্মৃতিস্তম্ভগুলো নির্মিত হয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন উট গৃহপালিত হয়নি। অথচ পরবর্তী সময়ে উট পালন এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করে।
যখন এসব ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছিল, তখনকার সৌদি আরব আজকের মতো ছিল না। বর্তমানের মরুভূমির জায়গায় তখন ছিল বিস্তীর্ণ সবুজ ও ঘাসে ভরা এলাকা, সঙ্গে ছিল হ্রদ।
এই উটের ভাস্কর্যগুলো কেন তৈরি করা হয়েছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে গবেষকদের ধারণা, এগুলো যাযাবর গোত্রগুলোর মিলনস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে।
রিয়াদ পত্রিকার কলাম লেখক ও সৌদি ইতিহাসবিদ বদর বিন সৌদ বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আরব উপদ্বীপের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে উট।
এই প্রয়োজন থেকেই আরব বিশ্বে অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং জীবনের নানা ক্ষেত্রে উটের ভূমিকা গড়ে ওঠে।
বদর ইবনে সৌদের ভাষায়, ইসলাম-পূর্ব যুগে তারফা ইবনে আল-আব্দের মতো কবিরা তাঁদের কবিতায় উটের কথা উল্লেখ করেছেন।
ড. বদর বিন সৌদ বলেন, মানুষের জীবনে উট এমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে যে একে উপেক্ষা করা যায় না। এ কারণেই ইসলামের নবীরও (সা.) একটি উট ছিল, যার নাম ছিল কাসওয়া।
যদিও পরিবহনের ক্ষেত্রে উটের প্রয়োজন এখন অনেকটাই কমে গেছে, তবুও আরব নেতাদের সঙ্গে উটের ভালোবাসা এবং ঐতিহাসিক সম্পর্ক এখনো অটুট রয়েছে।
সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর আওতায় উট শিল্প দেশটির তেলবহির্ভূত প্রধান আয়ের উৎসগুলোর একটি হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। আয়ের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সামাজিক রীতিনীতি—যা সৌদিদের জন্য একই সঙ্গে লাভজনক এবং গর্বেরও বিষয়।