Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

এআইয়ের কারণে ইন্টারনেট কি সত্যিই মানুষের হাতছাড়া হবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৪: ১৫
এআইয়ের কারণে ইন্টারনেট কি সত্যিই মানুষের হাতছাড়া হবে?

ডেড ইন্টারনেট থিওরিকে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা ‘কন্সপিরেসি থিওরি’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই–এর উত্থানের ফলে যা দৃশ্যমান। এই তত্ত্বের মূল বিষয়, ইন্টারনেট এখন মানুষের কার্যকলাপের চেয়ে বট বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত কার্যকলাপের দ্বারা অনেক বেশি প্রভাবিত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রেডিট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্সিস ওহানিয়ান এবং ওপেনএআই-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্যাম অল্টম্যান সম্প্রতি বিষয়টি জনসমক্ষে নিয়ে আসে। আমেরিকান বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরে।

ওহানিয়ান এক্সের একটি পোস্টের কথা উল্লেখ করে বিষয়টি তোলেন। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রেডিটের বহু ব্যবহারকারী “পাউন্ড কেক” নামের একটি মোটা বিড়ালের ওজন কমানো সম্পর্কিত পোস্টে প্রতারিত হয়। পরে জানা যায়, বিড়ালটি আসলে ছিল এআই-জেনারেটেড। ওহানিয়ান বলেন, এক দশক আগে এটিকে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মনে হলেও এখন এটি “খুবই বাস্তব”। কারণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানুষ এআই ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

স্যাম অল্টম্যান সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে বলেন, ”আমি কখনও এই তত্ত্বকে গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, ’বহু এলএলএম বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল চালিত এক্স অ্যাকাউন্ট’ দেখা যাচ্ছে।”

সাইবার সিকিউরিটি সংস্থা ইমপারভা-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইন্টারনেটের মোট ট্রাফিকের ৫১ শতাংশ বটের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। অর্থাৎ, বট মানুষের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এক দশকে এই প্রথমবার এমন হলো। সংস্থাটি এর কারণ হিসেবে এআই এবং এলএলএম-এর উত্থানকে দায়ী করেছে।

এআই-এর উত্থানের আগে বিশেষজ্ঞরা এই তত্ত্বকে বিশেষ পাত্তা দেননি। তবে এখন অনেকেই এর বাস্তবতা স্বীকার করছেন। সুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি দল এক গবেষণাপত্রে বলেন, ১০ বছর আগে এটি ’অনুমানমূলক’ থাকলেও জেনারেটিভ এআই-এর উত্থানের সাথে সাথে এখন এটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়। তারা আরও বলেন, এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের পক্ষে মানব-সৃষ্ট ও এআই-সৃষ্ট কনটেন্টের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের কম্পিউটার বিজ্ঞান গবেষক জেক রেনজেলা এবং ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্নের ভ্লাদা রোজোভা কৃত্রিমভাবে তৈরি কনটেন্ট অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার গোষ্ঠীভিত্তিক প্রবণতার কথা বলেছেন। তারা বলেছেন, এআই বট কৃত্রিম ছবি তৈরি করে, যা অন্য এআই-চালিত অ্যাকাউন্ট দ্বারা বুস্ট ও রিপোস্ট হয়। এই কাজটিতে মানুষের আর কোনো ভূমিকাই থাকে না। উদাহরণ হিসেবে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া এআই-জেনারেটেড ছবি ‘শ্রিম্প জেসাস’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রযুক্তি সম্পাদক অ্যালেক্স হার্ন মনে করেন, ইলন মাস্কের এক্স প্ল্যাটফর্ম এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়েছে। কারণ, তিনি ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টগুলোর জন্য উচ্চ এনগেজমেন্টের ভিত্তিতে অর্থ উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছেন। এর ফলে অনেকে নীল টিক কিনে, তাকে এলএলএম-এর সাথে যুক্ত করে ভাইরাল কনটেন্ট তৈরি করছেন।

নানা অনলাইন ফোরামে এই ‘ডেড ইন্টারনেট থিওরি’ ভাইরাল হয়েছিল। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রেডিটে ইলুমিনাটিপাইরেট নামের এক ব্যবহারকারী বিষয়টি নিয়ে একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ইন্টারনেট “মানুষশূন্য এবং বেশির ভাগ তথাকথিত মানুষ-সৃষ্ট কন্টেন্টও আসলে এআই দ্বারা তৈরি।”

ডেড ইন্টারনেট থিউরি সকলের মাঝে পরিচিত নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই তত্ত্ব আমাদের সতর্ক করছে যে, যেভাবে এআই–এর বিস্তার হচ্ছে, নেট দুনিয়ায় যেভাবে বটের উপস্থিতি বাড়ছে, তাতে অনলাইন দুনিয়ায় মানুষের উপস্থিতি সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে যাবে। এতে মুশকিলটি কোথায়? সংকট হলো–মানুষের পক্ষে আর নেট দুনিয়ার অনেক কার্যক্রমই বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হবে না। বাধাগ্রস্ত হবে পরিকল্পনা থেকে শুরু করে নানা পর্যায়।

বিষয়: ইন্টারনেটসোশ্যাল মিডিয়াএআইঅনলাইনসাইবার
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।