Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৯০০ কোটি টাকা খরচ হবে যেভাবে

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ১০: ০৫
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৯০০ কোটি টাকা খরচ হবে যেভাবে

চলতি বছরে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, তারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটের খাতা খুলবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নতুন অর্থবছরে ইসির জন্য ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটের মধ্যে পরিচালন ব্যয়ের জন্য রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৭৫৭ কোটি টাকা। এই পরিচালন ব্যয় থেকেই নির্বাচনের জন্য খরচ করে ইসি।

প্রস্তাবিত বাজেটের ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আয়োজনের জন্য খরচ করতে পারবে।

প্রস্তুতি ও নীতিগত অগ্রগতি

Advertisement
Advertisement
Advertisement

স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশোধিত নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া জনমত যাচাইয়ে নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে ইসি। আর সরকারের প্রাথমিক ‘সিগনাল’ পেয়ে ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে একটি ‘নির্বাচনী ক্যালেন্ডার’ সফটওয়্যার প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা।

বাজেট পরিকল্পনা ও বরাদ্দ কাঠামো

ইসির বাজেট শাখার সূত্র চরচাকে জানিয়েছে, বাজেট চূড়ান্ত হলে ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকাকে বরাদ্দ ধরে ইউপি নির্বাচনের খরচের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে। বরাদ্দের চেয়ে বেশি অর্থ প্রয়োজন হলে সরকারের পক্ষ থেকে আরও বরাদ্দ পাওয়া যাবে।

election office
নির্বাচন কমিশন। ছবি: বাসস

সম্ভাব্য সময়সূচি ও তফসিল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গত ২৯ জুন জানিয়েছেন সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে আগস্টে।

বাজেটে কর প্রত্যাহার, তবু কি কম্পিউটার ক্রেতাদের স্বস্তি মিলবে?pc

নির্বাচন উপযোগী প্রতিষ্ঠানের চিত্র

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে ৪ হাজার ৫৮১টি। এর মধ্যে চলতি বছরেই নির্বাচন উপযোগী হবে ৩ হাজার ৭৫৫টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং আগামী বছরে উপযোগী হবে আরও ৩৪৯টি। ৪৭৭টি আইনি জটিলতা, মেয়াদপূর্ণ না হওয়াসহ নানা কারণে অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে।

এ ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেঙে দেওয়া ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা, ১২টি সিটি করপোরেশন ও ৬১টি জেলা পরিষদ বর্তমানে নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে।

বিভাগওয়ারী নির্বাচন ইউপিতে

ইউপি এবং উপজেলা পরিষদের নির্বাচনগুলো সাধারণত ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবার বিভাগওয়ারী আটটি ইউপি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। একইভাবে উপজেলা নির্বাচনও বিভাগীওয়ারী আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

ছবি: সুদীপ্ত সালাম
ছবি: সুদীপ্ত সালাম

নির্বাচনের ক্রম ও বাস্তবতা

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন না করলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করা যাবে না। কারণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা এক্স-অফিসিও মেম্বার অব উপজেলা পরিষদ। এই কারণে নিয়ম অনুযায়ী আগে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এটাই বাস্তবতা। তবে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করা যাবে। কিন্তু জেলা পরিষদের নির্বাচন একবারেই করা যাবে না। এটা হবে সবার শেষে।”

প্রস্তাবিত বাজেটে সংকটে পড়বে নিম্নআয়ের মানুষbudget

অভ্যন্তরীণ বাজেট দৃষ্টিভঙ্গি

ইসির বাজেট শাখার এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে চরচাকে বলেন, “ইউপির ধাপ অনুযায়ী একটা বাজেট করা হবে। থোক বরাদ্দ ২ হাজার ৯০০ কোটি। এটি চূড়ান্ত হবে বলে আশা করি। এর বেশি লাগলে সরকার দেবে, কম লাগলে অন্য নির্বাচনে খরচ হবে।”

চাহিদা বনাম বরাদ্দ

গত ১১ জুন খসড়া বাজেট প্রস্তাবের আগে স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার চাহিদা জানিয়েছিল ইসি। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৩৩০ কোটি টাকা, পৌরসভার জন্য ৩০০ কোটি টাকা এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার চাহিদা ছিল। এই ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য চাওয়া হয়েছিল ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

স্থানীয় নির্বাচনে যে সব ব্যয় হয়ে থাকে

ইসি একটি নির্বাচন আয়োজন করতে গিয়ে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করে থাকে, যা মূলত প্রশাসনিক, লজিস্টিক, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমকে ঘিরে হয়। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ব্যয়ের একটি অংশ যায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনায়। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্র নির্ধারণ, বুথ তৈরি, ব্যালট বাক্স ও ভোটপর্দা সরবরাহ, পাশাপাশি স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার বাবদ ভাড়া এবং বিদ্যুৎ-পানিসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে অর্থ ব্যয় হয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে অতিরিক্ত প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা আসবে কোথা থেকে?nbr-economy

এছাড়া নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তার ভাতা ও প্রশিক্ষণ খাতেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করে ইসি। প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের সম্মানী, নির্বাচন-পূর্ব প্রশিক্ষণ আয়োজন এবং দায়িত্ব পালনকালীন ভাতা ও খাবার খরচ এই খাতের অন্তর্ভুক্ত।

ছবি: সুদীপ্ত সালাম
ছবি: সুদীপ্ত সালাম

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়, যেখানে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন, তাদের ভাতা প্রদান এবং যানবাহন ও টহল পরিচালনার জন্য লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হয়।

ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সামগ্রী প্রস্তুত করতেও উল্লেখযোগ্য ব্যয় হয়। ব্যালট পেপার ছাপানো, সিল, কালি, স্ট্যাম্প, বিভিন্ন ফরম এবং ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের জন্য আলাদা বাজেট থাকে। একইসঙ্গে নির্বাচন সামগ্রী বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং যানবাহন ভাড়া ও জ্বালানি খরচ বহন করার জন্য পরিবহন ও লজিস্টিক খাতেও ব্যয় করতে হয়।

বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার কারণে আইসিটি খাতেও ব্যয় বাড়ছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের জন্য সফটওয়্যার ও আইটি সাপোর্টে অর্থ ব্যয় হয়। এর পাশাপাশি ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রচার ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যেখানে পোস্টার, বিজ্ঞাপন, মিডিয়া প্রচারণা ও বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে অর্থ ব্যয় করা হয়।

সবশেষে প্রশাসনিক ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মধ্যে রয়েছে অফিস পরিচালনা, কাগজপত্র ও যোগাযোগ খরচ এবং নির্বাচন-সংক্রান্ত সভা ও সমন্বয় কার্যক্রম। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচন আয়োজন কেবল ভোটগ্রহণের দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর আগে ও পরে দীর্ঘ প্রস্তুতি, জনবল ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য বহুমাত্রিক খাতে ব্যাপক ব্যয় করতে হয় ইসিকে।

বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদস্থানীয় সরকারনির্বাচনইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচননির্বাচন কমিশন
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।