Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বৃষ্টিতে পরীক্ষা নেওয়া, প্রশ্নে ভুল নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৫৪
বৃষ্টিতে পরীক্ষা নেওয়া, প্রশ্নে ভুল নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি করছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। তারা বলছে, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে অনুরোধ সত্ত্বেও এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা পেছানো হয়নি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এরই মধ্যে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা পিছিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুকূল পরিস্থিতির তথ্য পাওয়ায় পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে জড়ো হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: চরচা
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে জড়ো হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: চরচা

রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করেন, “টানা বৃষ্টিতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা এক-দুই দিন পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তা করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা কয়েক দিনের জন্য পিছিয়ে দিতে কী সমস্যা ছিল?”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “সারা দেশে প্রায় দুই হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।”

শিক্ষামন্ত্রী মিলন আরও বলেন, “চট্টগ্রামে যখন বন্যা হলো, তখন একে একে প্রথম রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, পরে খাগড়াছড়ি, এরপরে পুরো বোর্ডের পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা লক্ষ্য করছিলাম যে বৃষ্টি হচ্ছিলো। আমরা মনিটরিং করছিলাম। মনিটরিং-এর সময় আমরা ৬৪টি জেলার এসপি, আটটি বিভাগীয় কমিশনার, প্রত্যেকটি বোর্ডের চেয়ারম্যান, ইউএনও –সকলের সাথে কথা বলেছি। আমরা ওয়েদার ম্যানদের সাথেও কথা বলেছি। তারা বললো যে বৃষ্টি হবে না। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বসে থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম। সকলেই বলল, ওয়েদার ভালো হবে। সেজন্য আমরা পরীক্ষা রেখেছি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখতে পেলাম, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গিয়েছে।”

তবে কেন্দ্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে একটি পাঁচতলা ভবনে নেওয়া হয় এবং সেখানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।”

শিক্ষামন্ত্রী জানান, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ ছাড়া দেশের অন্য কোথাও এমন পরিস্থিতির কথা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও ইউএনওরা জানাননি।

মন্ত্রী যোগ করেন, “শুধু কুমিল্লা সরকারি মহাবিদ্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা নির্দেশ দিয়েছে, পরীক্ষা দেরিতে শুরু করার জন্য এবং যে মেয়েটির কাপড় ভিজে গিয়েছিলো, তার বাড়ি থেকে কাপড় আনা হয়েছে এবং এক ঘণ্টা পরে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।”

ঢাকা ছাড়া বরিশালেও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছে। ছবি: চরচা
ঢাকা ছাড়া বরিশালেও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছে। ছবি: চরচা

এসময় তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে পরীক্ষা পরিচালনার বিদ্যমান ব্যবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন – ডিসি, ইউএনও, পুলিশ–দুর্যোগকালীন সময়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারে যে কোনো স্থানে পরীক্ষা হবে কি হবে না, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তও নিতে পারেন তারা।

শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, “আমরা বারবার তাদের সাথে কথা বলেছি, তারা বলেছে যে স্যার, আমরা ঠিকমতোই নিচ্ছি।”

কোনো শিক্ষার্থী দুর্যোগ বা প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে পরীক্ষা দিতে না পারলে সরকার তা পর্যালোচনা করবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন এলাকায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে এবং বিকল্প প্রশ্নপত্র রয়েছে। জরিপে কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী আবার পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।

শুধুমাত্র বৈরি আবহাওয়ায় পরীক্ষা নেওয়ার কারণেই পরীক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেননি। এর পাশাপাশি বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন প্রণয়ন করা এবং সেই প্রশ্নে ভুল থাকা নিয়েও তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের আরেকটি দাবি হলো, এই পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার দুটি প্রশ্নে ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, “বর্তমান সরকার মাত্র চার মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে। পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনের প্রক্রিয়া প্রায় দুই বছর আগে শুরু হয়। ফলে এবারের প্রশ্নপত্র আগের সরকারের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশ্ন প্রণয়ন ও মডারেশন কমিটির মাধ্যমেই প্রস্তুত হয়েছে। তারপরও সরকার ভুল শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে।”

শিক্ষামন্ত্রী মিলন আন্দোলন থামিয়ে পরীক্ষার্থীদের ‘পড়ার টেবিলে ফিরে’ যাওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, “সেজন্য আবারও অনুরোধ করব, শিক্ষার্থীরা যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, তাদের চেয়ে আমরাই উদ্বিগ্ন। তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন যে কীভাবে আমরা তাদের পরীক্ষা সঠিকভাবে নেব। এই দুর্যোগ মোকাবিলা করব।”

বিষয়: পদত্যাগসংসদ অধিবেশনঅবরোধসড়কবিক্ষোভএইচএসসিপরীক্ষার্থীসংসদশিক্ষামন্ত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।