Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

পাসপোর্ট কেন শক্তিশালী হয়, কিছু দেশ কেন বাড়তি সুবিধা পায়?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫২
পাসপোর্ট কেন শক্তিশালী হয়, কিছু দেশ কেন বাড়তি সুবিধা পায়?

কিছু যাত্রী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের সময় সরাসরি হেঁটে চলে যান, আবার কিছু যাত্রীদের নথিপত্র সংগ্রহ, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করা এবং ভিসার অনুমোদনের চিন্তায় ব্যস্ত থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কেন এমনটি হয়। এর মূল কারণ হলো পাসপোর্ট। এটি কেবল একটি ভ্রমণ নথি নয়। এটি একটি দেশের বৈশ্বিক সম্পর্ক, স্থায়িত্ব, নিরাপত্তার মান এবং বিদেশের মাটিতে সে দেশের নাগরিকদের আচরণের প্রতিফলন ঘটায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পাসপোর্টের শক্তিশালী মোবিলিটি স্কোর বা চলাচলের স্বাধীনতা থাকায় নির্দিষ্ট কিছু দেশের মানুষ হঠাৎ করেই কোনো ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারেন। অন্যদিকে, অন্যদের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হয় কারণ তাদের নথিপত্র অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন পড়ে।

পাসপোর্টের ক্ষমতা নির্ধারিত হয় দীর্ঘমেয়াদী নীতি, বৈশ্বিক ধারণা এবং বার্ষিক হালনাগাদের মাধ্যমে, যা পরিমাপ করে একজন ভ্রমণকারী কত সহজে সীমান্ত পার হতে পারেন।

শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচক: দুর্বলতায় ৭ নম্বরে বাংলাদেশbd-passport-chaarcha

একটি দেশের পাসপোর্ট কতটা শক্তিশালী হবে তা মূলত বেশ কিছু বৈশ্বিক সূচকের ওপর নির্ভর করে। নিচে এর মূল কারণগুলো আলোচনা করা হলো:

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১. শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক: কূটনীতি হলো আন্তর্জাতিক চলাচলের প্রধান ভিত্তি। যেসব দেশের সাথে অন্য দেশগুলোর বন্ধুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক, প্রতিরক্ষা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকে, তারা পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে ভিসা শিথিলকরণ চুক্তি করে। যেমন—সিঙ্গাপুর বা জাপানের মতো দেশগুলোর চমৎকার কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক তাদের নাগরিকদের প্রায় সারা বিশ্বে বিনা ভিসায় ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে।

২. অর্থনৈতিক সক্ষমতা: একটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তার নাগরিকদের ‘ঝুঁকিমুক্ত পর্যটক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। উন্নত ও উচ্চ আয়ের দেশের নাগরিকদের অন্য দেশে গিয়ে অবৈধভাবে থাকার বা কাজ করার প্রবণতা কম থাকে বলে মনে করা হয়। ফলে সেসব দেশের নাগরিকদের জন্য বিশ্বের অধিকাংশ দেশ তাদের সীমান্ত উন্মুক্ত রাখে।

৩. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা: যে দেশগুলোতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুসংহত এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, আন্তর্জাতিক মহলে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বেশি। অস্থিতিশীল বা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে কঠোর ভিসা নীতি অনুসরণ করা হয়, কারণ তাদের মাধ্যমে নিরাপত্তা ঝুঁকি বা শরণার্থী সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৪. আন্তর্জাতিক জোট ও চুক্তি: আন্তর্জাতিক জোটের সদস্যপদ পাসপোর্টকে রাতারাতি শক্তিশালী করতে পারে। যেমন—ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলো বা শেনজেন এলাকার দেশগুলো একে অপরের ভূখণ্ডে অবাধ চলাচলের সুবিধা পায়। ফলে এই জোটভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্ট বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় প্রথম দিকে থাকে।

৫. উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রযুক্তি: একটি দেশের পাসপোর্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যত উন্নত, বিশ্বজুড়ে তার বিশ্বাসযোগ্যতা তত বেশি। আধুনিক বায়োমেট্রিক ডাটা, ই-চিপ এবং জালিয়াতি-বিরোধী প্রযুক্তিসম্পন্ন পাসপোর্টধারী ব্যক্তিদের ইমিগ্রেশন পার হওয়া অনেক সহজ হয়।

৬. ভ্রমণকারীর আচরণ: পাসপোর্টের শক্তির পেছনে নাগরিকদের ব্যক্তিগত আচরণেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। যদি কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকরা বিদেশে গিয়ে আইন মেনে চলেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর নিজ দেশে ফিরে আসেন তবে সেই দেশের প্রতি অন্যান্য দেশের আস্থা বাড়ে এবং ভবিষ্যতে ভিসা সহজীকরণ করা হয়।

২০২৬ সালে কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান?bangladesh-pakistan

কেন পাসপোর্ট শক্তিশালী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ?

শক্তিশালী পাসপোর্ট মানেই হলো নাগরিকের জন্য বেশি স্বাধীনতা এবং কম বাধা-বিপত্তি। উচ্চ মোবিলিটি স্কোরসম্পন্ন পাসপোর্টের মালিকরা হঠাৎ করে ব্যবসায়িক ভ্রমণ বা জরুরি চিকিৎসা বা পর্যটনের জন্য যেকোনো দেশে যেতে পারেন। এতে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হয়। বিপরীতে, দুর্বল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে দীর্ঘ নথিপত্র প্রদান, ইন্টারভিউ এবং অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যা আন্তর্জাতিক যোগাযোগকে বাধাগ্রস্ত করে।

পাসপোর্টের শক্তি কেবল কাগজের গুণমান বা প্রযুক্তিতে নয়, বরং এটি একটি দেশের সামগ্রিক উন্নতির প্রতিচ্ছবি। একটি দেশের পাসপোর্ট তখনই শক্তিশালী হয় যখন সেই দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ, রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হয়। একটি শক্তিশালী পাসপোর্ট বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে আপনার মর্যাদাকে উচ্চতর আসীন করে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

বিষয়: বাংলাদেশই–পাসপোর্টভিসাপাসপোর্টবিমানবন্দরবিদেশ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।