Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের প্রাপ্তি আসলে কতটা?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২০: ১৬
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের প্রাপ্তি আসলে কতটা?
ছবি : ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ২০ বছরে বাংলাদেশ ১১৯ ম্যাচে জিতেছিল মাত্র ১৪ বার। আর ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ২৩ ম্যাচে জয় ধরা দিয়েছে ১১টি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের চতুর্থ দিনে এই তালিকায় যোগ হতে পারে একটি জয় বা পরাজয়। তবে ফলাফল যাই হোক, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ যা করে ফেলেছে, সেটা হলো কিছুটা সম্মান আদায় করা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ডারউইন টেস্টের আগে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার দলের কাছে ঠিক এটাই চেয়েছিলেন। সফরের প্রত্যাশা নিয়ে সাবেক অধিনায়ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সম্মান আদায় করতে চান তারা। ২৩ বছর আগে দেশটিতে বাংলাদেশের প্রথম সফরের দলে ছিলেন বলেই তিনি জানেন, অস্ট্রেলিয়ায় খেলা কতটা কঠিন এবং কেন বাংলাদেশকে সেখানে যথেষ্ট সম্মানের চোখে দেখা হতো না। তবে এখন তা আর সেভাবে নেই। প্রথম টেস্টের তিন দিনে যে অবিশ্বাস্য ক্রিকেট উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ, সেটা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটকেই বড় একটা ধাক্কা দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যেমন, প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ব্যাট করেছে প্রায় দেড় দিন এবং ১৩৮ ওভার। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দলটির বিপক্ষে গত প্রায় আট বছরে এক ইনিংসে এরচেয়ে বেশি ওভার আর কোনো দলই ব্যাট করতে পারেনি। এছাড়া ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কা নিয়ে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকেই সেই বাস্তবতায় ঠেলে দেওয়ার মতো অবিশ্বাস্য ঘটনা তো রয়েছেই, যা সমালোচকদের কাছ থেকেও প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

২০০৩ সালে বাংলাদেশ যখন প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে গিয়েছিল, তখনও একটা জবাব দেওয়া গিয়েছিল। টেস্টে হাঁটি হাঁটি পা করতে থাকা দলটিকে নিয়ে হাসিঠাট্টায় মেতেছিল অজি মিডিয়া এবং সাবেক ক্রিকেটাররা। ডেভিড হুকস তার বিখ্যাত কলামে লিখেছিলেন, কীভাবে মাত্র একদিনেই বাংলাদেশকে হারাতে পারবে বাংলাদেশ!

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়েছিল বটে, তবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ছিল তাদের আয়োজনে। দুটি টেস্ট রাখা হয় ডারউইন ও কেয়ারসের মতো ভেন্যুতে, যেখানে অস্ট্রেলিয়া টেস্টই খেলত না। দেশটির বিখ্যাত ভেন্যুগুলোয় বাংলাদেশকে খেলার সুযোগ দেওয়ার ‘যোগ্য’ মনে করেনি অস্ট্রেলিয়া।

প্রায় দুই যুগ পরও এই চিত্রে আসেনি বদল। সিরিজের প্রথম টেস্ট হচ্ছে সেই ডারউইনেই, আর পরের ম্যাচে ম্যাকাইতে। অর্থাৎ, বাংলাদেশকে এখনো বড় ভেন্যুতে খেলতে দেওয়ার মতো যোগ্য প্রতিপক্ষ মনে করেনি অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। কেন? উত্তর খুব সহজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলাটা বাণিজ্যিকভাবে লাভবান নয়।

এর পেছনে মূল কারণ প্রায় দুই যুগ আগের সেই সফরের হতাশাজনক পারফরম্যান্সই। এক দিনে না হারলেও দুই টেস্টেই খালেদ মাহমুদের দল হেরে গিয়েছিল ইনিংস ব্যবধানে। সেই পারফরম্যান্সের সঙ্গে টেস্টে নিজেদের ধারাবাহিকতার অভাবের কারণেও অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে টেস্ট খেলার সৌভাগ্য আর হয়নি।

এরপর কেটে গেছে অনেক সময়। এখনো টেস্টে বাংলাদেশ সমীহ জাগানিয়া দল হতে পারেনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একটু একটু করে অবশ্য ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে ভালো করতে শুরু করেছে নাজমুল হোসেনের দল। দায়িত্ব পেয়ে তিনি বলেছিলেন দেশের বাইরে বড় দলগুলোকে নিয়মিত হারানোর স্বপ্নের কথা।

পাকিস্তানকে দুই বছর আগে পাকিস্তানে গিয়ে টেস্ট সিরিজে হারানো দিয়ে শুরু হয় সেই যাত্রার। তবুও অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বাংলাদেশকে কেউই পাত্তা দিতে চাচ্ছিল না। জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। টেস্ট শেষ হবে কত দিনে, কত রানের মধ্যে অলআউট হবে বাংলাদেশ—এসবই ছিল গবেষণার বিষয়।

তবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম টেস্ট শুরু হতেই ক্রিকেট বিশ্বকে কিছুটা নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে যার শুরু। ৬ উইকেট নিয়ে একাই ধস নামান হাসান মাহমুদ। সঙ্গে তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেনরাও ভড়কে দেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যানদের।

দ্বিতীয় দিনের পুরোটা ব্যাট করার পর তৃতীয় দিনেও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখতে সমর্থ হয় সফরকারীরা। ছবি: বিসিবি
দ্বিতীয় দিনের পুরোটা ব্যাট করার পর তৃতীয় দিনেও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখতে সমর্থ হয় সফরকারীরা। ছবি: বিসিবি

এরপর দ্বিতীয় দিনের পুরোটা ব্যাট করার পর তৃতীয় দিনেও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখতে সমর্থ হয় সফরকারীরা। দলীয় ইনিংস থামে ৪২৬ রানে গিয়ে। সঙ্গে ২২৮ রানের বেশ বড় লিড।

অনেক কারণেই এই ইনিংসটি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য ল্যান্ডমার্ক। এশিয়ার বাইরে এটি নিজেদের ইতিহাসের পঞ্চম সর্বোচ্চ স্কোর। বড় দলগুলোর বিপক্ষে ২২৮ রানই বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি লিডের কীর্তি। আর সব মিলিয়ে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের পঞ্চম বড় লিড এটি।

এদিকে সেই ২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের পর এই প্রথম দেশের মাটিতে মাঠে কোনো দলের কাছে ২০০ বা তার বেশি প্রথম ইনিংসের লিড হজম করেছে অস্ট্রেলিয়া।

পরিসংখ্যান যা বলবে না, তা হলো ব্যাট হাতে সময়ের সেরা বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে বাংলাদেশের দৃঢ়তা। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জস হ্যাজেলউড ও নাথান লায়নদের বিপক্ষে টপ অর্ডার থেকে শুরু করে মেহেদি হাসান মিরাজ, হাসান, তাসকিন, তাইজুল ইসলামরা দেখিয়েছেন চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা।

২০০৬ সালে এই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই ১৫৮ রানের লিড নিয়েও হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অনুজ্জ্বল পারফরম্যান্সই ছিল এর মূল কারণ। তবে সেই বাংলাদেশ আর এই বাংলাদেশ দলের মূল পার্থক্য মানসিকতায়।

বড় একটা লিড পেয়েও তাই বল হাতে হাসানরা অস্ট্রেলিয়াকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেননি। ট্রাভিস হেড, স্টিভ স্মিথসহ চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের লাগাম অনেকটাই নিজেদের হাতেই নিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স কেয়ারি, বিউ ওয়েবস্টাররা অতিমানবীয় কিছু না করলে এই টেস্টে বাংলাদেশের হেরে হওয়াটা বেশ কঠিনই।

ডারউইন টেস্টে তাই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ জিততে পারে, আবার হেরেও যেতে পারে নাটকীয়ভাবে। তবে এই ম্যাচের বড় প্রাপ্তি, নাজমুল-তানজিদরা বিশ্ব ক্রিকেটে মাথাটা একটু উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছেন।

বিষয়: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপটেস্ট সিরিজবাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া সিরিজটেস্ট ক্রিকেট
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।