Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বাজেট কী, কোথা থেকে এল?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৫: ৫৮
বাজেট কী, কোথা থেকে এল?

বাজেট কথাটি মাথায় এলেই প্রথমে আয় ও ব্যয়ের একটি নকশা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কোনো ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নতি ও মঙ্গল সাধনই হলো বাজেট প্রণয়নের আসল লক্ষ্য। তবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক বাজেট এবং রাষ্ট্রীয় বাজেটের কৌশলের মধ্যে এক মৌলিক তফাত রয়েছে। একজন সাধারণ মানুষ সাধারণত তার আয়ের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে খরচের পরিকল্পনা সাজান। বিপরীতে, সরকার প্রথমে ব্যয়ের খাতগুলো ঠিক করে এবং পরবর্তীতে সেই অর্থ সংস্থানের জন্য আয়ের উৎসগুলো খুঁজে বের করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু বাজেট শব্দটি এল কোথা থেকে?

বাজেট শব্দটি এসেছে ফরাসি শব্দ bougette (বুজেত) থেকে, যার অর্থ চামড়ার থলি। ধীরে ধীরে শব্দটি দিয়ে ব্যাগ এবং ব্যাগের ভেতরের জিনিস- উভয়কেই বোঝানো শুরু হয়।

বাজেটের ধারণাটি ১৭৬০ সালে ইংল্যান্ডে শুরু হয়। তখন অর্থমন্ত্রী প্রতি বছর সংসদে জাতীয় বাজেট পেশ করতেন। এর মূল লক্ষ্য ছিল রাজার অতিরিক্ত কর আদায়ের ক্ষমতা কমানো এবং সরকারি খরচ নিয়ন্ত্রণ করা। ১৮৩৭ সালে একটি সংস্কার আইনের মাধ্যমে এই বাজেট ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাজেট কেন দেওয়া হয়?

একটি বাজেটের মূল উদ্দেশ্য হলো উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করা। বাজেটের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়, অন্যদিকে উন্নয়নের গতিকে আরও বেগবান করার লক্ষ্য থাকে। জাতীয় বাজেট মূলত সরকারের আগামী এক বছরের একটি বিস্তারিত আর্থিক পরিকল্পনা, যা রাষ্ট্রের নীতির সাথে জনগণের ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। এই সুনির্দিষ্ট আয়-ব্যয়ের রূপরেখা দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে সচল রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড, নতুন কর প্রস্তাব, প্রশাসনিক ব্যয় এবং বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র এই বাজেটে ফুটে ওঠে।

জ্বালানিতে ভর্তুকি, বাড়তে পারে বাজেট ঘাটতি: অর্থমন্ত্রীamir khosru

বাজেট কত প্রকার?

বাজেট সাধারাণত ৩ প্রকার। সুষম বাজেট, উদ্বৃত্ত বাজেট ও ঘাটতি বাজেট।

সুষম বাজেট

যখন একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরে সরকারের সম্ভাব্য ব্যয় এবং প্রত্যাশিত আয় সমান হয়, তখন তাকে সুষম বাজেট বলা হয়। ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদদের মতে, আয়ের অতিরিক্ত ব্যয় করা সরকারের উচিত নয়—এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই এ ধরনের বাজেট প্রণীত হয়। তবে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কাগজে-কলমে আয়-ব্যয়ের এই সমতা রক্ষা করা সহজ মনে হলেও বাস্তবে তা কার্যকর করা বেশ কঠিন। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, অব্যাহতভাবে সুষম বাজেট তৈরি করা ভালো কিছু নয়। বরং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বাজেট কেমন হবে ঠিক করা উচিত। কেননা, সুষম বাজেট সুদের হার কমায়, বাড়ায় সঞ্চয় ও বিনিয়োগ। এ ছাড়া বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতি এগিয়ে যায়।

উদ্বৃত্ত বাজেট

যদি সরকারের পরিকল্পিত ব্যয়ের তুলনায় আয়ের পরিমাণ বেশি হয়, তবে তাকে উদ্বৃত্ত বাজেট বলে। এর অর্থ হলো, রাষ্ট্র জনকল্যাণে যে পরিমাণ অর্থ খরচ করছে, কর ও অন্যান্য খাত থেকে তার চেয়ে বেশি রাজস্ব সংগ্রহ করছে। বাজার থেকে অতিরিক্ত চাহিদা কমিয়ে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এই বাজেট কার্যকর হতে পারে। তবে মন্দা বা অর্থনৈতিক স্থবিরতার সময় এটি উপযোগী নয়। এই বাড়তি অর্থ দিয়ে সরকার পুরনো ঋণ পরিশোধ করতে পারে, যা ভবিষ্যতে সুদের বোঝা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করে।

আগামী ৭ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
আগামী ৭ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

ঘাটতি বাজেট

একটি অর্থবছরে সরকারের উপার্জনের চেয়ে যখন ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা বড় হয়ে যায়, তখন তাকে ঘাটতি বাজেট বলা হয়। এই বাজেটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর জন্য সরকারের হাতে পর্যাপ্ত নিজস্ব তহবিল থাকে না। ফলে এই ঘাটতি মেটাতে সরকারকে অভ্যন্তরীণ বা বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ঘাটতি বাজেট করে আসছে এবং তা পূরণে সরকার দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেয়। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো। এতে অব্যবহৃত সম্পদের ব্যবহার বাড়ে, ঘাটতি পূরণের চাপ থাকে। তাতে অর্থনীতিতে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। ঘাটতি বেশি থাকাটা আবার ভালো নয়।

বাজেটে পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করবে সরকারprogramme

সরকারের আয়-ব্যয়

রাষ্ট্রীয় ব্যয়কে মূলত দু'টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়- রাজস্ব ব্যয় ও উন্নয়ন ব্যয়। রাজস্ব ব্যয়ের লক্ষ্য হলো প্রশাসনের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বজায় রাখা। অন্যদিকে, দেশের অবকাঠামোগত অগ্রগতি যেমন- রাস্তাঘাট, সেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে যে অর্থ খরচ হয়, তা উন্নয়ন ব্যয় হিসেবে পরিচিত।

সরকার তার পরিকল্পিত ব্যয় মেটাতে প্রধানত তিনটি খাত থেকে অর্থ সংগ্রহ করে-

প্রত্যক্ষ কর (ব্যক্তিপর্যায়ের আয়কর বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর), পরোক্ষ কর (ভ্যাট), আমদানি-রপ্তানি শুল্ক ও আবগারি কর ও কর-বহির্ভূত আয় (সরকারি সংস্থার অর্জিত লভ্যাংশ, প্রশাসনিক ফি, জরিমানা এবং ইজারা থেকে প্রাপ্ত অর্থ)।

বাজেট কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আগামী এক বছরে কোন পণ্যের দাম কমবে বা বাড়বে এবং বাজার কোন দিকে যাবে, তার অনেক তথ্য বাজেটে থাকে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসে। দেশের অর্থনৈতিক সংকট সামাল দিতে বাজেট একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে বাজেটের খুঁটিনাটি খবর রাখা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রয়োজন।

বিষয়: অর্থনীতিজাতীয় বাজেটপ্রাক–বাজেট আলোচনাবাজেট ২০২৬-২৭সংসদবাজেট
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।