চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে চারতলার একটি ফ্ল্যাটের ভেতরে কয়েকদিন ধরে পড়ে ছিল ৭৫ বছর বয়সী নূরজাহান বেগমের মরদেহ। একই বাসার আরেকটি কক্ষে ছিলেন তার মেয়ে। অথচ মৃত্যুর পরও কয়েকদিন কেউ জানতে পারেনি বৃদ্ধার খোঁজ। শেষ পর্যন্ত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহে পচন শুরু হয়েছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোকা দেখা যায়। দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাসের কারণে জীবিত থাকাবস্থাতেও শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মো. হাসান বাসির বলেন, “ঘরের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত নোংরা। শুধু বৃদ্ধার কক্ষ নয়, পুরো বাসাটিই দীর্ঘদিন অপরিচ্ছন্ন ছিল। মা-মেয়ে একই বাসায় থাকলেও পরিস্থিতি দেখে মনে হয়েছে বৃদ্ধা দীর্ঘদিন অযত্নে ছিলেন।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নূরজাহান বেগমের বড় ছেলে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব এবং আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। তাদের একজন বিদেশেও অবস্থান করেন। তবে কেউই মায়ের সঙ্গে স্থায়ীভাবে থাকতেন না। বৃদ্ধা বসবাস করতেন মেয়ে ফাতিমা নাসরিনের সঙ্গে, যিনি মিরপুরের একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।
তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর ওইভাবে কারো নেওয়া হতো না। মেয়ের আচরণ ও কথাবার্তায় কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। আমাদের কাছে তাকে পুরোপুরি স্বাভাবিক মনে হয়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এসআই শামসুর রহমান জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছেলেরা অতীতে বাসায় যাতায়াত করতেন, এমনকি ২-৩ বছর আগেও একসাথে ছিলেন। পরিবারের এক নাতিও চলতি কোরবানির ঈদের সময় সেখানে এসেছিলেন।
শামসুর রহমান বলেন, “তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর ওইভাবে কারো নেওয়া হতো না। মেয়ের আচরণ ও কথাবার্তায় কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। আমাদের কাছে তাকে পুরোপুরি স্বাভাবিক মনে হয়নি।”
এসআই শামসুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক অনুসন্ধানে আমরা জানতে পেরেছি, নূরজাহান বেগমের ছেলেরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে মায়ের নিয়মিত ভরণপোষণ বা দেখভালের দায়িত্ব পালন করতেন না। বৃদ্ধার মেয়ে ফাতিমা নাসরিন একই বাসায় থাকতেন। তার স্বামী প্রায় পাঁচ বছর আগে মারা যাওয়ার পর তিনি অনেকটা একাই জীবনযাপন করতেন এবং মায়ের দেখাশোনার দায়িত্বও তার ওপরই ছিল। মাঝে মধ্যে মায়ের চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচও তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বহন করতেন বলে জানা গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “তদন্তের স্বার্থে আমরা বৃদ্ধার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রেসক্রিপশন ও নথিপত্র দেখতে চেয়েছিলাম। তবে মেয়ে সেসব কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এতে বৃদ্ধার চিকিৎসার ধারাবাহিকতা ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।”
এসআই শামসুর রহমানের ভাষ্য, “মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এমনকি সচিব পদে কর্মরত ছেলেও শুরুতে ময়নাতদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিতে আগ্রহ দেখাননি। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডাও হয়। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের কাছে মনে হয়েছে, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ ও দায়িত্ববোধের ঘাটতি ছিল। ফলে মা ও মেয়ে অনেকটা বিচ্ছিন্নভাবেই ওই বাসায় বসবাস করছিলেন।”
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এসআই শামসুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বৃদ্ধার মাথায় আঘাতের একটি চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এটি কীভাবে হয়েছে–তা এখনো নিশ্চিত নয়। পুলিশ ধারণা করছে, অসুস্থ অবস্থায় বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন। তবে চূড়ান্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতেন। বাচ্চাদের ডায়েরি লিখে দিতেন, হাতে-কলমে শেখাতেন এবং দায়িত্বশীলভাবেই কাজ করতেন। বাইরে থেকে দেখে তাকে স্বাভাবিক ও পরিপাটি মনে হতো।
এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরেই অনেকটা বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল সীমিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের জয়েন্ট সেক্রেটারি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান পলাশ বলেন, “আমরা ছোটবেলা থেকেই এই পরিবারকে দেখছি। কিন্তু তারা কারও সঙ্গে খুব একটা মিশত না। বাড়ির ভেতরে কী হচ্ছে, সেটাও কেউ জানত না। পুলিশের মাধ্যমে প্রথম জানতে পারি বৃদ্ধা মারা গেছেন। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত পরিবার হলেও সামাজিক যোগাযোগ ছিল খুবই সীমিত।”
অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে ফাতিমা নাসরিনকে ভিন্নভাবেই দেখতেন তার সহকর্মীরা।
মিরপুর ইমপেরিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, “তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতেন। বাচ্চাদের ডায়েরি লিখে দিতেন, হাতে-কলমে শেখাতেন এবং দায়িত্বশীলভাবেই কাজ করতেন। বাইরে থেকে দেখে তাকে স্বাভাবিক ও পরিপাটি মনে হতো।”
স্কুলটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এম এ খায়ের বলেন, “তিনি খুবই চুপচাপ স্বভাবের ছিলেন। সহকর্মীদের সঙ্গে খুব বেশি কথা বলতেন না, ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করতেন না। নিজের মতো করেই থাকতেন।”
এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

রাজধানীর মিরপুরে চারতলার একটি ফ্ল্যাটের ভেতরে কয়েকদিন ধরে পড়ে ছিল ৭৫ বছর বয়সী নূরজাহান বেগমের মরদেহ। একই বাসার আরেকটি কক্ষে ছিলেন তার মেয়ে। অথচ মৃত্যুর পরও কয়েকদিন কেউ জানতে পারেনি বৃদ্ধার খোঁজ। শেষ পর্যন্ত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহে পচন শুরু হয়েছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোকা দেখা যায়। দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাসের কারণে জীবিত থাকাবস্থাতেও শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মো. হাসান বাসির বলেন, “ঘরের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত নোংরা। শুধু বৃদ্ধার কক্ষ নয়, পুরো বাসাটিই দীর্ঘদিন অপরিচ্ছন্ন ছিল। মা-মেয়ে একই বাসায় থাকলেও পরিস্থিতি দেখে মনে হয়েছে বৃদ্ধা দীর্ঘদিন অযত্নে ছিলেন।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নূরজাহান বেগমের বড় ছেলে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব এবং আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। তাদের একজন বিদেশেও অবস্থান করেন। তবে কেউই মায়ের সঙ্গে স্থায়ীভাবে থাকতেন না। বৃদ্ধা বসবাস করতেন মেয়ে ফাতিমা নাসরিনের সঙ্গে, যিনি মিরপুরের একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।
তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর ওইভাবে কারো নেওয়া হতো না। মেয়ের আচরণ ও কথাবার্তায় কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। আমাদের কাছে তাকে পুরোপুরি স্বাভাবিক মনে হয়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এসআই শামসুর রহমান জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছেলেরা অতীতে বাসায় যাতায়াত করতেন, এমনকি ২-৩ বছর আগেও একসাথে ছিলেন। পরিবারের এক নাতিও চলতি কোরবানির ঈদের সময় সেখানে এসেছিলেন।
শামসুর রহমান বলেন, “তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর ওইভাবে কারো নেওয়া হতো না। মেয়ের আচরণ ও কথাবার্তায় কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। আমাদের কাছে তাকে পুরোপুরি স্বাভাবিক মনে হয়নি।”
এসআই শামসুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক অনুসন্ধানে আমরা জানতে পেরেছি, নূরজাহান বেগমের ছেলেরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে মায়ের নিয়মিত ভরণপোষণ বা দেখভালের দায়িত্ব পালন করতেন না। বৃদ্ধার মেয়ে ফাতিমা নাসরিন একই বাসায় থাকতেন। তার স্বামী প্রায় পাঁচ বছর আগে মারা যাওয়ার পর তিনি অনেকটা একাই জীবনযাপন করতেন এবং মায়ের দেখাশোনার দায়িত্বও তার ওপরই ছিল। মাঝে মধ্যে মায়ের চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচও তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বহন করতেন বলে জানা গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “তদন্তের স্বার্থে আমরা বৃদ্ধার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রেসক্রিপশন ও নথিপত্র দেখতে চেয়েছিলাম। তবে মেয়ে সেসব কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এতে বৃদ্ধার চিকিৎসার ধারাবাহিকতা ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।”
এসআই শামসুর রহমানের ভাষ্য, “মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এমনকি সচিব পদে কর্মরত ছেলেও শুরুতে ময়নাতদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিতে আগ্রহ দেখাননি। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডাও হয়। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের কাছে মনে হয়েছে, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ ও দায়িত্ববোধের ঘাটতি ছিল। ফলে মা ও মেয়ে অনেকটা বিচ্ছিন্নভাবেই ওই বাসায় বসবাস করছিলেন।”
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এসআই শামসুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বৃদ্ধার মাথায় আঘাতের একটি চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এটি কীভাবে হয়েছে–তা এখনো নিশ্চিত নয়। পুলিশ ধারণা করছে, অসুস্থ অবস্থায় বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন। তবে চূড়ান্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতেন। বাচ্চাদের ডায়েরি লিখে দিতেন, হাতে-কলমে শেখাতেন এবং দায়িত্বশীলভাবেই কাজ করতেন। বাইরে থেকে দেখে তাকে স্বাভাবিক ও পরিপাটি মনে হতো।
এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরেই অনেকটা বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল সীমিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের জয়েন্ট সেক্রেটারি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান পলাশ বলেন, “আমরা ছোটবেলা থেকেই এই পরিবারকে দেখছি। কিন্তু তারা কারও সঙ্গে খুব একটা মিশত না। বাড়ির ভেতরে কী হচ্ছে, সেটাও কেউ জানত না। পুলিশের মাধ্যমে প্রথম জানতে পারি বৃদ্ধা মারা গেছেন। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত পরিবার হলেও সামাজিক যোগাযোগ ছিল খুবই সীমিত।”
অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে ফাতিমা নাসরিনকে ভিন্নভাবেই দেখতেন তার সহকর্মীরা।
মিরপুর ইমপেরিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, “তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতেন। বাচ্চাদের ডায়েরি লিখে দিতেন, হাতে-কলমে শেখাতেন এবং দায়িত্বশীলভাবেই কাজ করতেন। বাইরে থেকে দেখে তাকে স্বাভাবিক ও পরিপাটি মনে হতো।”
স্কুলটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এম এ খায়ের বলেন, “তিনি খুবই চুপচাপ স্বভাবের ছিলেন। সহকর্মীদের সঙ্গে খুব বেশি কথা বলতেন না, ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করতেন না। নিজের মতো করেই থাকতেন।”
এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গত ২ জুন মঙ্গলবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে ৮ ভোটে পরাজিত করে তিনি এক বছরের জন্য এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।