Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

প্রথম সিনেমাতেই জাতীয় পুরস্কার, ডুবে মরলেন গ্রহণের আগেই

১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ভারত সরকার ঘোষণা করে সিনেমাটি সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা চিত্রগ্রহণ বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে।

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ২১: ০৩
প্রথম সিনেমাতেই জাতীয় পুরস্কার, ডুবে মরলেন গ্রহণের আগেই

জীবনে মাত্র একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা তৈরি করেছিলেন তিনি, যা এখনো বলিউডের অন্যতম ‘ক্লাসিক’ হিসেবে বিবেচিত। ১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ২১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে ছবিটিকে সেরা হিন্দি সিনেমা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বলছি পরিচালক অবতার কৃষ্ণ কৌলের কথা। মণি কৌল ও মৃণাল সেনের সমসাময়িক হলেও তার নাম সিনেমাপ্রেমীদের অনেকেই শোনেনি। ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির নাম ‘টুয়েন্টি সেভেন ডাউন’। এটি তৈরি করা হয়েছিল হিন্দি কথাসাহিত্যিক রমেশ বকশির ‘আঠারহ সূরজ কে পৌধে’ উপন্যাস অবলম্বনে। সিনেমাটি পরিচালনা ছাড়াও চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা তিনিই করেছিলেন।

কেন্দ্রীয় চরিত্র সঞ্জয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এম কে রাইনা। আরো আছেন রাখি ও ওম শিবপুরি। সঞ্জয় চরিত্রের অন্তর্জগৎ ও বহির্জগতের যাত্রাই এই সিনেমার মূল বিষয়। সে একজন ট্রেন কন্ডাক্টর। তার আত্ম-অন্বেষণমূলক জীবনকাহিনিই সিনেমার কাহিনি। সিনেমার একটা বড় অংশ মুম্বাই-বারাণসী রুটের ট্রেনে শুট করা।

ট্রেন এখানে একটি প্রতীক। সঞ্জয়ের জীবনের প্রতীক। সঞ্জয় তার প্রাক্তন প্রেমিকা শালিনীকে বলছে, “তুমি তো জানো শালিনী, আমি যা হতে চেয়েছিলাম, তা হতে পারিনি। আমি একটি লম্বা চলার পথ চেয়েছিলাম। কিন্তু পেলাম রেললাইন। এই রেললাইনের গন্তব্য আগে থেকেই নির্ধারিত, লাইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমি এখন ক্লান্ত।” সে আরো ভাবে, “যখনই আমার মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়, যখনই আমার কাছে প্রশ্নের জবাব থাকে না, তখন মনে হয়, চলন্ত ট্রেনই আমার ভরসা। জানি না কেন মনে হয়, এই বেগবান যাত্রাই সঠিক, বাকি সব মিথ্যা। আজব এক চক্র। শুধুই ছুটে চলা।” সিনেমাটি ট্রেন দিয়ে শুরু, ট্রেনেই শেষ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পিতার কঠোর শাসনের মধ্যে বড় হয় শিল্পমনা সঞ্জয়। পিতার ইচ্ছে অনুযায়ী, নিজের সব স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিয়ে রেলওয়ের চাকরিতে ঢুকতে হয় তাকে। ফলে তার অনুশোচনার শেষ থাকে না। ইতালির নিওরিয়ালিজম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পঞ্চাশের দশকে ভারতে যে প্যারালাল বা নিউ ইন্ডিয়ান সিনেমা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সেই আন্দোলনকে আরো এগিয়ে নিয়ে যায় অবতার কৃষ্ণ কৌলের এই ‘টুয়েন্টি সেভেন ডাউন’।

প্রথম ছবিতেই আলোচনার ঝড় তোলেন তিনি। চলচ্চিত্র সমালোচকরা ভীষণ প্রশংসা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ছবিটি লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবে ইকিউমেনিক্যাল পুরস্কার এবং মানহাইম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ডুলকাট পুরস্কার অর্জন করে।

১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ভারত সরকার ঘোষণা করে সিনেমাটি সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা চিত্রগ্রহণ বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে। তার কয়েক ঘণ্টা পরই মুম্বাইয়ের বালকেশ্বর এলাকায় একটি মেয়েকে পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজে ডুবে মারা যান।

অবতার কৃষ্ণ কৌলের জন্ম ১৯৩৯ সালে, জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে। শুরুতে অবতার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করতেন। পরে তাকে পাঠানো হয় নিউইয়র্কে ভারতীয় দূতাবাসে। ১৯৬০ সালে সেই চাকরি ছেড়ে তিনি সিনেমা তৈরি শিখতে ভর্তি হন নিউইয়র্কের ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম টেকনিকস-এ। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি টেক্সি চালাতেন। ১৯৭০ সালে তিনি বিখ্যাত পরিচালক জেমস আইভরির ‘বম্বে টকি’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৪ বছর প্রবাস-জীবন শেষে তিনি ভারতে ফিরে মাত্র ২ লাখ টাকায় নির্মাণ করেছিলেন তার প্রথম এবং শেষ সিনেমাটি।

তথ্যসূত্র:

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, ২০ জুলাই ২০২৫

দ্য হিন্দু, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫

আনন্দবাজার ডটকম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিষয়: সিনেমাচলচ্চিত্র নির্মাতাবলিউডসিনেমা রিভিউভারত
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।