Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বাংলাদেশে কি আসলেই ২৬ লাখ ভারতীয় কাজ করে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৯: ৫৭
বাংলাদেশে কি আসলেই ২৬ লাখ ভারতীয় কাজ করে?

বাংলাদেশে আসলে কত ভারতীয় আছে? কতজন ভারতীয় বৈধ বা অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাজ করে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংখ্যাটি কি ২৬ লাখ, ৫ লাখ, নাকি আরও কম বা বেশি?

১০ মে, রোববার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ইনকিলাব মঞ্চ সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে ইনকিলাব মঞ্চ দাবি করে, দেশে থাকা ২৬ লাখ ভারতীয়কে বহিষ্কার করতে হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু দেশে আসলেই কি ২৬ লাখ ভারতীয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে? এই সংখ্যাটি কোথা থেকে এল?

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের আগে অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ সংখ্যাটি উচ্চারণ করেন। এ নিয়ে পরে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চেভেলের ‘খালেদ মহিউদ্দিন জানতে চায়’ অনুষ্ঠানে প্রশ্নের মুখোমুখিও হন তিনি। সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন তার কাছে এই সংখ্যাটির উৎস সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্যসূত্র সেখানে তিনি দিতে পারেননি।

কিন্তু এই সংখ্যা বিশেষ হয়ে ওঠে। এবং জনমনে এই সংখ্যা একটি স্থিরতা পায়।

ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে গঙ্গা চুক্তি কোন পথে?river padma

বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে ভারতবিরোধী রাজনীতিতে এবং বাংলাদেশের শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে প্রচার হিসেবে এ সংখ্যা ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু সংখ্যাটি আসলে কত, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা।

সরকারি যে তথ্য পাওয়া যায়, তা নিয়েও রয়েছে সংশয় ও অবিশ্বাস।

পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সুরক্ষা সেবা বিভাগের প্রতিবেদন অনুসারে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থানরত বৈধ বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার ১৬৭। এর মধ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত ভিসায় ১০ হাজার ৪৮৫ জন, এমপ্লয়ি ভিসায় ১৪ হাজার ৩৯৯, স্টাডি ভিসায় ৬ হাজার ৮২৭ ও ট্যুরিস্ট ভিসায় রয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৫৬ জন। সবচেয়ে বেশি রয়েছেন ভারতীয় নাগরিক ৩৭ হাজার ৪৬৪ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের নাগরিক রয়েছেন ১১ হাজার ৪০৪ জন।

ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশে ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীনসহ ৪৪টি দেশের মানুষ কাজ করেন।

এর আগে ২০২০ সালে টিআইবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশে বৈধ বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা কমপক্ষে আড়াই লাখ।

দুটি সংখ্যার কোনোটিই ২৬ লাখের কাছেধারে নেই।

এদিকে ২০২৪ সালেরই ১০ ডিসেম্বর বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টিভি এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেওয়া বক্তব্যে অবৈধ বিদেশি খেদাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশের অন্তত ১৫ লাখ বিদেশি আছেন বলে তারা গবেষণার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। যদিও একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একই সংগঠনের করা এক প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়েছিল যে, দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১০ লাখের বেশি বৈধ-অবৈধ বিদেশির কাজ করছে।

বিরাট বিপত্তি দেখা যাচ্ছে! আসলে সংখ্যা কত?

আরেকটু দেখা যাক। বাংলাদেশে বৈধ ‘ওয়ার্ক পারমিট’ নিয়ে কর্মরত বিদেশি অভিবাসীর যে হিসাব বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) প্রকাশ করেছে, সেটাও ২৬ লাখ ভারতীয় নাগরিকের বিষয়টিকে সমর্থন করে না।

বিডার তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট ১৫ হাজার ১২৮ জন বিদেশিকে বাংলাদেশ বিডা বৈধভাবে ‘ওয়ার্ক পারমিট’ দিয়েছে। মোট ১০৬টি দেশের নাগরিকরা ওয়ার্ক পারমিট নিয়েছে। বিডার হিসাবমতে, এ দেশে বৈধভাবে কর্মরত বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাশিয়ান নাগরিক ৩ হাজার ৯৬৬ জন, তারপর ভারতীয় ৩ হাজার ২১২ জন, এরপর চীনা নাগরিক ২ হাজার ৩৪৬ জন। রাশিয়ার অর্থায়নে নির্মীয়মাণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে রাশিয়ান অভিবাসীদের সংখ্যাধিক্য সৃষ্টি হয়েছে। চীনা নাগরিকরাও বেশ কয়েকটি চীন অর্থায়িত প্রকল্পে কর্মরত। ভারতীয় অভিবাসীরা প্রকল্পের চেয়েও নানা শিল্প-কারখানায় কর্মরত।

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের বরফ কি গলছেajit doval

আবার বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) এক জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মোট ৪ হাজার ৫৬০টি তৈরি পোশাক কারখানার মধ্যে মাত্র বায়ান্নটিতে ১৭৭ জন ভারতীয় কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছে।

সরকারি বিভিন্ন দপ্তর থেকে আসা এসব বিচিত্র সংখ্যা নিয়েও রয়েছে সংশয়। একেক সংস্থার তথ্যের সঙ্গে অন্য সংস্থার তথ্যের কোনো মিল নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি হিসাবেও প্রকৃত চিত্রের দেখা মেলা ভার।

এই যখন অবস্থা, তখন ২৬ লাখ সংখ্যাটির ভিত নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। এ নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট দাবি জানানো হয়– ‘মাননীয় উপদেষ্টা–২৬ লক্ষ ভারতীয় নাগরিক যারা বাংলাদেশে চাকরি করে, তাদের তালিকা করে, চাকরি থেকে বিদায় করে, দেশের তরুণ বেকারদের সুযোগ তৈরি করতে হবে!’

কিন্তু সে রকম কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে দীর্ঘ ১১ বছর পর অর্থনৈতিক শুমারির আয়োজন করা হয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৬ সালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসে। সেখানেও এ সংখ্যা নিয়ে তেমন কোনো তথ্য মেলেনি।

ফলে বাংলাদেশে কত ভারতীয় আছে, সেই সংখ্যার দেখা পাওয়া তো দূর, কত বিদেশি আছে, তারা কোথায় কাজ করে, কী কাজ করে, কতজন বৈধ বা অবৈধ–কোনো কিছুরই নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য নেই।

এই প্রেক্ষাপটে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আবারও ২৬ লাখ ভারতীয় নাগরিকের এই দেশে থাকা এবং এখানে দেশীয় লোকের চাকরির হক মেরে কাজ করা ও বিলিয় বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গটি সামনে এসেছে। এ নিয়ে নিশ্চয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর কাজ করবে। একটা নির্ভরযোগ্য ও তথ্যপ্রমাণ সম্বলিত সংখ্যা আমর নিশ্চয় জানতে পারব।

বিষয়: বাংলাদেশশেখ হাসিনাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়অভিবাসীটিআইবিভারত
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।