চরচা ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই নৌবাণিজ্য ও সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। একইভাবে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্ত ও আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের মাঝে অবস্থিত জিব্রাল্টার প্রণালিও ইতিহাসজুড়ে কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে এসেছে।
ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ মিলেছে প্রণালীর পূর্বদিকে অবস্থিত আলজেসিরাস উপসাগর বা জিব্রাল্টার উপসাগরে। আটলান্টিক মহাসাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে (বা উল্টো পথে) যাওয়া বড় বড় তেলবাহী জাহাজগুলো প্রায়ই এখানে নোঙর করে। তাই এই উপসাগর শুধু ভৌগোলিকভাবে নয়, বাণিজ্যিক দিক থেকেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
স্পেনের প্রত্নতত্ত্ববিদরা ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে এই ২৯ বর্গমাইল আয়তনের উপসাগরের নিচে ১৫১টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের সন্ধান পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১২৪টি জাহাজডুবির নিদর্শন।
গবেষণা অনুযায়ী, এসব জাহাজডুবি বিভিন্ন সময়কাল ও সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। এরমধ্যে প্রাচীন পিউনিক (কার্থাজিনীয়), রোমান, মধ্যযুগীয় এবং আধুনিক যুগেরও নিদর্শন রয়েছে।
গবেষকদের মতে, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী জিব্রাল্টার প্রণালিটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ নৌপথ, যা হরমুজের মতোই কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। ভূমধ্যসাগর থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে যেতে হলে সব জাহাজকেই এই প্রণালী অতিক্রম করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে খারাপ আবহাওয়া এড়াতে জাহাজগুলোকে আলজেসিরাস উপসাগরে নোঙর করে অপেক্ষা করতে হয়।
গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার উপসাগরটির আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সামুদ্রিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। প্রাচীনকাল থেকেই এখানে নগর বসতি ছিল। মধ্যযুগে আইবেরীয় উপদ্বীপে প্রবেশের অন্যতম পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এই উপসাগর। আধুনিক যুগে আবার প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নৌ-সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এটি।

স্পেনের ইউনিভার্সিটি অফ কাডিজের পানির নিচের প্রত্নতত্ত্বের গবেষক ফেলিপে সেরেজো আন্দ্রেও জানিয়েছেন, যদিও অধিকাংশ জাহাজডুবি আধুনিক সময়ের, তবে গবেষকরা কিছু অজানা ও গুরুত্বপূর্ণ জাহাজডুবির সন্ধানও পেয়েছেন।
গবেষকরা বলছেন, ঐতিহাসিক ও সংরক্ষণাগারের নথিতে হাজারো নৌদুর্ঘটনার উল্লেখ থাকলেও পানির নিচে থাকা এসব নিদর্শনের ওপর পর্যাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা না হওয়ায় অনেক জাহাজডুবির সন্ধান এখনো অজানাই রয়ে গেছে।
আন্দ্রেও সিএনএনকে জানান, সবচেয়ে প্রাচীন যে ধ্বংসস্তূপের নিদর্শনটি পাওয়া গেছে তা খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর একটি জাহাজডুবির ঘটনার। তিনি আরও জানান, জাহাজটি সম্ভবত স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কাদিজে উৎপাদিত মাছের সস বহন করছিল এবং তা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে পরিবহন করা হচ্ছিল।
আধুনিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে নেপোলিয়নের যুদ্ধের সময়ের জাহাজডুবির ঘটনা। উনিশ শতকের শুরুর দিকে ফ্রান্স ও ইউরোপের বিভিন্ন জোটের মধ্যে সংঘটিত এসব যুদ্ধের সঙ্গে এসব নিদর্শনের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
এছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সময়কার জাহাজডুবিরও সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মাইয়ালে’ বা ‘পিগ’ নামে পরিচিত এক ধরনের ক্ষুদ্র সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ, যা ইতালির নৌবাহিনী জিব্রাল্টার প্রণালিতে ব্রিটিশ নৌবহরের ওপর হামলার জন্য ব্যবহার করত।

গবেষকদের মতে, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী জিব্রাল্টার প্রণালিটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ নৌপথ, যা হরমুজের মতোই কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। ভূমধ্যসাগর থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে যেতে হলে সব জাহাজকেই এই প্রণালী অতিক্রম করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে খারাপ আবহাওয়া এড়াতে জাহাজগুলোকে আলজেসিরাস উপসাগরে নোঙর করে অপেক্ষা করতে হয়। একারণে এটি প্রণালির ‘বন্দর’ হিসেবেও পরিচিত।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণা শুরুর আগে এসব জাহাজডুবির অধিকাংশের কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নথি ছিল না। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের আগে এই এলাকায় পানির নিচের মাত্র চারটি প্রত্নস্থানের কথা জানা ছিল, যার মধ্যে কেবল একটি জাহাজডুবির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিবেচিত হতো।
গবেষকদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত ও উপসাগরের তলদেশে পলির গতিবিধিতে পরিবর্তন ঘটছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চাপা পড়ে থাকা বহু জাহাজডুবির নিদর্শন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান গবেষক আন্দ্রেও।
প্রত্নতত্ত্ববিদরা সমুদ্রতল চিহ্নিত করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মাল্টিবিম ইকোসাউন্ডার—যা শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে সমুদ্রতলের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করে। এছাড়া রয়েছে ম্যাগনেটোমিটার, যা চৌম্বক ক্ষেত্র পরিমাপ করে। এসব প্রযুক্তির সাহায্যে তলদেশে থাকা বস্তু ও পলির নিচে চাপা অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করার পর ডুবুরিরা সরেজমিনে নেমে পরিমাপ ও ডিজিটাল মডেল তৈরি করেন।
গবেষকদের মতে, এসব প্রত্নস্থল সংরক্ষণ ও বিশদভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি, কারণ এগুলোতে ওই অঞ্চলের সামুদ্রিক ইতিহাস সংরক্ষিত রয়েছে। এরমধ্যে নৌপথ, বাণিজ্য, নৌপ্রযুক্তি এবং সমুদ্রযাত্রীদের তথ্য উল্লেখযোগ্য। তবে উপসাগরে নোঙর করা বড় জাহাজের কার্যক্রম এবং পরিবর্তনশীল ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এসব নিদর্শন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
আন্দ্রেও বলেন, “এসব নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য সেগুলো নথিভুক্ত করা এবং প্রযুক্তিগতভাবে ডিজিটাল রূপে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, এখন পর্যন্ত গবেষকরা প্রায় ১০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়েছেন। তবে আলজেসিরাস উপসাগরের গভীরতা প্রায় ৪০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। আরও গভীরে প্রাগৈতিহাসিক যুগের নিদর্শনও থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন এই গবেষক।
গবেষকরা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতে প্রতিটি জাহাজডুবির বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হবে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত প্রত্নস্থলগুলোর মাত্র ২৪ শতাংশ নিয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আরও গভীর এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই নৌবাণিজ্য ও সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। একইভাবে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্ত ও আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের মাঝে অবস্থিত জিব্রাল্টার প্রণালিও ইতিহাসজুড়ে কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে এসেছে।
ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ মিলেছে প্রণালীর পূর্বদিকে অবস্থিত আলজেসিরাস উপসাগর বা জিব্রাল্টার উপসাগরে। আটলান্টিক মহাসাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে (বা উল্টো পথে) যাওয়া বড় বড় তেলবাহী জাহাজগুলো প্রায়ই এখানে নোঙর করে। তাই এই উপসাগর শুধু ভৌগোলিকভাবে নয়, বাণিজ্যিক দিক থেকেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
স্পেনের প্রত্নতত্ত্ববিদরা ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে এই ২৯ বর্গমাইল আয়তনের উপসাগরের নিচে ১৫১টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের সন্ধান পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১২৪টি জাহাজডুবির নিদর্শন।
গবেষণা অনুযায়ী, এসব জাহাজডুবি বিভিন্ন সময়কাল ও সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। এরমধ্যে প্রাচীন পিউনিক (কার্থাজিনীয়), রোমান, মধ্যযুগীয় এবং আধুনিক যুগেরও নিদর্শন রয়েছে।
গবেষকদের মতে, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী জিব্রাল্টার প্রণালিটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ নৌপথ, যা হরমুজের মতোই কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। ভূমধ্যসাগর থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে যেতে হলে সব জাহাজকেই এই প্রণালী অতিক্রম করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে খারাপ আবহাওয়া এড়াতে জাহাজগুলোকে আলজেসিরাস উপসাগরে নোঙর করে অপেক্ষা করতে হয়।
গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার উপসাগরটির আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সামুদ্রিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। প্রাচীনকাল থেকেই এখানে নগর বসতি ছিল। মধ্যযুগে আইবেরীয় উপদ্বীপে প্রবেশের অন্যতম পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এই উপসাগর। আধুনিক যুগে আবার প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নৌ-সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এটি।

স্পেনের ইউনিভার্সিটি অফ কাডিজের পানির নিচের প্রত্নতত্ত্বের গবেষক ফেলিপে সেরেজো আন্দ্রেও জানিয়েছেন, যদিও অধিকাংশ জাহাজডুবি আধুনিক সময়ের, তবে গবেষকরা কিছু অজানা ও গুরুত্বপূর্ণ জাহাজডুবির সন্ধানও পেয়েছেন।
গবেষকরা বলছেন, ঐতিহাসিক ও সংরক্ষণাগারের নথিতে হাজারো নৌদুর্ঘটনার উল্লেখ থাকলেও পানির নিচে থাকা এসব নিদর্শনের ওপর পর্যাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা না হওয়ায় অনেক জাহাজডুবির সন্ধান এখনো অজানাই রয়ে গেছে।
আন্দ্রেও সিএনএনকে জানান, সবচেয়ে প্রাচীন যে ধ্বংসস্তূপের নিদর্শনটি পাওয়া গেছে তা খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর একটি জাহাজডুবির ঘটনার। তিনি আরও জানান, জাহাজটি সম্ভবত স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কাদিজে উৎপাদিত মাছের সস বহন করছিল এবং তা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে পরিবহন করা হচ্ছিল।
আধুনিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে নেপোলিয়নের যুদ্ধের সময়ের জাহাজডুবির ঘটনা। উনিশ শতকের শুরুর দিকে ফ্রান্স ও ইউরোপের বিভিন্ন জোটের মধ্যে সংঘটিত এসব যুদ্ধের সঙ্গে এসব নিদর্শনের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
এছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সময়কার জাহাজডুবিরও সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মাইয়ালে’ বা ‘পিগ’ নামে পরিচিত এক ধরনের ক্ষুদ্র সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ, যা ইতালির নৌবাহিনী জিব্রাল্টার প্রণালিতে ব্রিটিশ নৌবহরের ওপর হামলার জন্য ব্যবহার করত।

গবেষকদের মতে, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী জিব্রাল্টার প্রণালিটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ নৌপথ, যা হরমুজের মতোই কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। ভূমধ্যসাগর থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে যেতে হলে সব জাহাজকেই এই প্রণালী অতিক্রম করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে খারাপ আবহাওয়া এড়াতে জাহাজগুলোকে আলজেসিরাস উপসাগরে নোঙর করে অপেক্ষা করতে হয়। একারণে এটি প্রণালির ‘বন্দর’ হিসেবেও পরিচিত।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণা শুরুর আগে এসব জাহাজডুবির অধিকাংশের কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নথি ছিল না। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের আগে এই এলাকায় পানির নিচের মাত্র চারটি প্রত্নস্থানের কথা জানা ছিল, যার মধ্যে কেবল একটি জাহাজডুবির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিবেচিত হতো।
গবেষকদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত ও উপসাগরের তলদেশে পলির গতিবিধিতে পরিবর্তন ঘটছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চাপা পড়ে থাকা বহু জাহাজডুবির নিদর্শন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান গবেষক আন্দ্রেও।
প্রত্নতত্ত্ববিদরা সমুদ্রতল চিহ্নিত করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মাল্টিবিম ইকোসাউন্ডার—যা শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে সমুদ্রতলের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করে। এছাড়া রয়েছে ম্যাগনেটোমিটার, যা চৌম্বক ক্ষেত্র পরিমাপ করে। এসব প্রযুক্তির সাহায্যে তলদেশে থাকা বস্তু ও পলির নিচে চাপা অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করার পর ডুবুরিরা সরেজমিনে নেমে পরিমাপ ও ডিজিটাল মডেল তৈরি করেন।
গবেষকদের মতে, এসব প্রত্নস্থল সংরক্ষণ ও বিশদভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি, কারণ এগুলোতে ওই অঞ্চলের সামুদ্রিক ইতিহাস সংরক্ষিত রয়েছে। এরমধ্যে নৌপথ, বাণিজ্য, নৌপ্রযুক্তি এবং সমুদ্রযাত্রীদের তথ্য উল্লেখযোগ্য। তবে উপসাগরে নোঙর করা বড় জাহাজের কার্যক্রম এবং পরিবর্তনশীল ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এসব নিদর্শন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
আন্দ্রেও বলেন, “এসব নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য সেগুলো নথিভুক্ত করা এবং প্রযুক্তিগতভাবে ডিজিটাল রূপে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, এখন পর্যন্ত গবেষকরা প্রায় ১০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়েছেন। তবে আলজেসিরাস উপসাগরের গভীরতা প্রায় ৪০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। আরও গভীরে প্রাগৈতিহাসিক যুগের নিদর্শনও থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন এই গবেষক।
গবেষকরা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতে প্রতিটি জাহাজডুবির বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হবে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত প্রত্নস্থলগুলোর মাত্র ২৪ শতাংশ নিয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আরও গভীর এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ মিলেছে প্রণালীর পূর্বদিকে অবস্থিত আলজেসিরাস উপসাগর বা জিব্রাল্টার উপসাগরে। আটলান্টিক মহাসাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে (বা উল্টো পথে) যাওয়া বড় বড় তেলবাহী জাহাজগুলো প্রায়ই এখানে নোঙর করে। তাই এই উপসাগর শুধু ভৌগোলিকভাবে নয়, বাণিজ্যিক দিক থেকেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র এবং আলোর প্রধান উৎস সূর্য মহাকাশে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করলেও, মহাকাশকে আমরা দেখি এক বিশাল অন্ধকার শূন্যতা হিসেবে। এই বিষয়টি প্রায়ই বিভ্রান্তি ও কৌতূহলের জন্ম দেয়। এটি মহাবিশ্বের অসংখ্য রহস্যের একটি হলেও, সৌভাগ্যবশত বিজ্ঞান এর সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়েছে।

রূপপুরের ফুয়েল লোডিং কেবল একটি প্রযুক্তিগত মাইলফলক নয়–এটি একটি পরিবর্তনের সূচনা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ উচ্চপ্রযুক্তির এই জ্বালানি ব্যবস্থাকে দক্ষভাবে পরিচালনা করবে। একটি ছোট ইউরেনিয়াম পলেট থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত করতে পারে, সেটি দেখার জন্য আম