চরচা ডেস্ক

বীমা খাতে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) আয়োজিত ’আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ সম্পন্ন হয়েছে। এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আইডিআরএ সদস্য (প্রশাসন) ফজলুল হক স্বাগত বক্তব্য দেন এবং প্রদর্শন করা হয় ’আইডিআরএ: ইতিবাচক পরিবর্তনের এক যাত্রা’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র। পরে বীমা খাতের নীতি-নৈতিকতা, দাবি নিষ্পত্তি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, প্রিমিয়াম প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটাল সেবায় অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়।
নন-লাইফ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, দ্বিতীয় সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং তৃতীয় রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স। গ্রীন ডেল্টা চতুর্থ এবং যৌথভাবে পঞ্চম স্থান পেয়েছে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, সেনা ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স।
অন্যদিকে লাইফ ইন্স্যুরেন্সে প্রথম হয়েছে মেটলাইফ, দ্বিতীয় প্রগতি লাইফ, তৃতীয় ডেল্টা লাইফ, চতুর্থ জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং যৌথ পঞ্চম ন্যাশনাল লাইফ ও গার্ডিয়ান লাইফ।
প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের সিইও সৈয়দ সেহাব উল্লাহ আল মনজুর বিমান দুর্ঘটনায় মাত্র ১৬ লাখ টাকার প্রিমিয়ামের বিপরীতে ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের উদাহরণ তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন।
সচিব নাজমা মোবারেক বলেন, ডিজিটাইজেশনই বীমা খাতে আস্থা বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। সরকার শিগগিরই বীমা খাতের ডিজিটাল রূপান্তরে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করবে।
আইডিআরএর চেয়ারম্যান এম. আসলাম আলম জানান, বীমা খাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।
প্রধান অতিথি ড. আনিসুজ্জামান বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বীমা খাত গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
এছাড়া বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও ইন্স্যুরেন্স ফোরামের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বীমা খাতে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) আয়োজিত ’আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ সম্পন্ন হয়েছে। এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আইডিআরএ সদস্য (প্রশাসন) ফজলুল হক স্বাগত বক্তব্য দেন এবং প্রদর্শন করা হয় ’আইডিআরএ: ইতিবাচক পরিবর্তনের এক যাত্রা’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র। পরে বীমা খাতের নীতি-নৈতিকতা, দাবি নিষ্পত্তি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, প্রিমিয়াম প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটাল সেবায় অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়।
নন-লাইফ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, দ্বিতীয় সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং তৃতীয় রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স। গ্রীন ডেল্টা চতুর্থ এবং যৌথভাবে পঞ্চম স্থান পেয়েছে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, সেনা ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স।
অন্যদিকে লাইফ ইন্স্যুরেন্সে প্রথম হয়েছে মেটলাইফ, দ্বিতীয় প্রগতি লাইফ, তৃতীয় ডেল্টা লাইফ, চতুর্থ জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং যৌথ পঞ্চম ন্যাশনাল লাইফ ও গার্ডিয়ান লাইফ।
প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের সিইও সৈয়দ সেহাব উল্লাহ আল মনজুর বিমান দুর্ঘটনায় মাত্র ১৬ লাখ টাকার প্রিমিয়ামের বিপরীতে ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের উদাহরণ তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন।
সচিব নাজমা মোবারেক বলেন, ডিজিটাইজেশনই বীমা খাতে আস্থা বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। সরকার শিগগিরই বীমা খাতের ডিজিটাল রূপান্তরে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করবে।
আইডিআরএর চেয়ারম্যান এম. আসলাম আলম জানান, বীমা খাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।
প্রধান অতিথি ড. আনিসুজ্জামান বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বীমা খাত গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
এছাড়া বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও ইন্স্যুরেন্স ফোরামের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।