চরচা ডেস্ক

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ব্যবহারে ৫০ শতাংশ সাশ্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সব প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তার জন্য এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে।
গতকাল রোববার পিকেএসএফের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (কমিউনিকেশন) সুহাস শংকর চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দাপ্তরিক কাজে জ্বালানি খরচ কমাতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে অফিসের গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিকেএসএফের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সরকারি কাজে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অফিস ভবনে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম আনা এবং সীমিত পরিসরে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানি সাশ্রয়ের মাধ্যমে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করাই এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ব্যবহারে ৫০ শতাংশ সাশ্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সব প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তার জন্য এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে।
গতকাল রোববার পিকেএসএফের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (কমিউনিকেশন) সুহাস শংকর চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দাপ্তরিক কাজে জ্বালানি খরচ কমাতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে অফিসের গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিকেএসএফের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সরকারি কাজে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অফিস ভবনে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম আনা এবং সীমিত পরিসরে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানি সাশ্রয়ের মাধ্যমে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করাই এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।