চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশের এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজি রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন “ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই”-এর গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিটেইলারদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে এই ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়।
এর আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রিটেইলাররা ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের রিটেল শপ সাজিয়ে ছবি পাঠান। দেশজুড়ে ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ড ভিজিবিলিটি শক্তিশালী করা এবং রিটেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব বাড়ানোই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।
প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা থাকলেও রিটেইলারদের সাড়ার কারণে ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়। চার মাসব্যাপী এই আয়োজনে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে ৩ হাজার ৫০০ এরও বেশি রিটেইলার অংশ নেন।
ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ বিজয়ীর পাশাপাশি ৬৪ জেলার সেরা রিটেইলারদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে তিন বিজয়ী হলেন, চ্যাম্পিয়ন জামালপুরের ‘এমএস রাইশা ট্রেডিং’-এর স্বত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম রাসেল, ১ম রানার-আপ মৌলভীবাজারের ‘আরিফ সাউন্ড অ্যান্ড লাইটিং’-এর স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুল ইসলাম, ২য় রানার-আপ হবিগঞ্জের ‘তোফাজ্জল দিনের আড়ত’-এর স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল।
পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন পেয়েছেন দুইজনের বিদেশ ভ্রমণের ট্যুর প্যাকেজ। এছাড়া অন্যান্য বিজয়ীদের জন্য ছিল মোটরসাইকেল, বিদেশ ভ্রমণ, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও গিফট হ্যামপার। পাশাপাশি ক্যাম্পেইনজুড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজি রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন “ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই”-এর গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিটেইলারদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে এই ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়।
এর আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রিটেইলাররা ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের রিটেল শপ সাজিয়ে ছবি পাঠান। দেশজুড়ে ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ড ভিজিবিলিটি শক্তিশালী করা এবং রিটেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব বাড়ানোই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।
প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা থাকলেও রিটেইলারদের সাড়ার কারণে ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়। চার মাসব্যাপী এই আয়োজনে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে ৩ হাজার ৫০০ এরও বেশি রিটেইলার অংশ নেন।
ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ বিজয়ীর পাশাপাশি ৬৪ জেলার সেরা রিটেইলারদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে তিন বিজয়ী হলেন, চ্যাম্পিয়ন জামালপুরের ‘এমএস রাইশা ট্রেডিং’-এর স্বত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম রাসেল, ১ম রানার-আপ মৌলভীবাজারের ‘আরিফ সাউন্ড অ্যান্ড লাইটিং’-এর স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুল ইসলাম, ২য় রানার-আপ হবিগঞ্জের ‘তোফাজ্জল দিনের আড়ত’-এর স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল।
পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন পেয়েছেন দুইজনের বিদেশ ভ্রমণের ট্যুর প্যাকেজ। এছাড়া অন্যান্য বিজয়ীদের জন্য ছিল মোটরসাইকেল, বিদেশ ভ্রমণ, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও গিফট হ্যামপার। পাশাপাশি ক্যাম্পেইনজুড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মেলায় এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রাহকসহ এমএসএমই খাতের উদ্যোক্তারা অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করেন। গ্রাহক-ব্যাংকার সম্পর্ক উন্নয়ন, উদ্যোক্তাদের সমস্যার সমাধান, ঋণপ্রাপ্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়াসহ ব্যাংকিং সেবা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে পারস্পারিক মতবিনিময় করা হয়।

শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়া এবং মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করার লক্ষ্যে, ওয়ান ব্যাংক এ যাবৎ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ৯ হাজার ২৫০-এরও বেশি কৃতী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সংবর্ধনার মাধ্যমে সম্মানিত করেছে।