Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

গণপিটুনি কমাতে কী করতে হবে

অর্ণব সান্যাল

অর্ণব সান্যাল

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২: ২৩
গণপিটুনি কমাতে কী করতে হবে

এ দেশে হুট করেই যেন বেড়ে গেছে গণপিটুনি এবং প্রতি মাসেই বেশ আশঙ্কাজনক হারে ঘটছে এটি। পরিসংখ্যানে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে গণপিটুনির হার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। শুধু ২০২৩ সালের সঙ্গে তুলনা করলেই দেখা যাবে, এক বছরের ব্যবধানে গণপিটুনি সংক্রান্ত নিহতের হার ১০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ২০২৫ সালেও তা বৃদ্ধির পথেই আছে। এতেই বর্তমান অবস্থা আন্দাজ করা যায় অনেকটা। কিন্তু এমন ধারাবাহিক গণপিটুনি আসলে কীসের ইঙ্গিত দেয়?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এক্ষেত্রে আগে জানতে ও বুঝতে হবে যে, গণপিটুনি আসলে কেমন ক্রিয়া। সাধারণত অনেক মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে একই উদ্দেশে পেটায় এই প্রক্রিয়ায়। অর্থাৎ, এই পিটুনি এক ধরনের শাস্তি প্রদান প্রক্রিয়া। প্রচলিত কোনো আইনের তোয়াক্কা না করেই, সমাজের মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে এমন শাস্তি প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ, সভ্য সমাজে যেখানে আইনের আওতায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, অভিযোগপত্র গঠন হয়, আদালতে বিচার হয় এবং এসবের সর্বশেষ ধাপ হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হলে আনুষ্ঠানিক শাস্তি প্রদান করা হয়। এতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত এক ধরনের সমান সুযোগ পায়। কিন্তু এসব প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পাদিত হয় গণপিটুনির মতো কর্মকাণ্ড। এটি এক ধরনের ‘মব জাস্টিস’। কিছু মানুষ গোষ্ঠী বা জোটবদ্ধ হয়ে নিজেরাই শাস্তি প্রদান করে, সেটি দোষ থাকুক বা না থাকুক। অনেক ক্ষেত্রে সন্দেহের বশেও এমন কর্মকাণ্ড ঘটে। এবং সব ক্ষেত্রেই গণপিটুনির মতো মব জাস্টিস অবৈধ এবং এটি এক ধরনের হত্যাকাণ্ড। যদিও মবের সঙ্গে জাস্টিস শব্দটি আদৌ যায় কিনা, এ নিয়েও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই মবের সঙ্গে জাস্টিস শব্দটি বসাতে রাজি নন। তারা বলেন, এর চেয়ে মব ভায়োলেন্স বলা যুক্তিযুক্ত। কারণ এটিও অপরাধ।

এবার চলুন জানা যাক, মব জাস্টিস বা ভায়োলেন্স সৃষ্টির কারণ সম্পর্কে। গবেষকেরা এক্ষেত্রে কিছু কারণ বের করেছেন। তারা বলছেন, মব জাস্টিস জন্মের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অকার্যকর বিচার বিভাগ। এই বিভাগের ওপর যখন সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলে, কোনোভাবেই যখন প্রচলিত ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় বিশ্বাস ফেরাতে পারে না, তখনই মব নিজেরাই জাস্টিস প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করে। এছাড়া যখন সরকার আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখনও মব জাস্টিস বা ভায়োলেন্স দেখা যায়। এই আইন প্রয়োগহীনতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষকেরা বলছেন, যখন মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তখনই তারা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্ররোচনা পায়। এই নিরাপত্তাহীনতা তখনই প্রবল হয়ে ওঠে যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা আনুষ্ঠানিক বাহিনী এক অর্থে অকার্যকর হয়ে যায়। অর্থাৎ, এসব বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয় করে ফেলার কারণেই নিরাপত্তাহীনতার জন্ম হয়। এক্ষেত্রে সরকারের কর্মনৈপুণ্যহীনতাকেও কাঠগড়ায় তোলা হয়। সুতরাং, একটি বিষয় স্পষ্ট যে, প্রচলিত সরকার ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের ব্যর্থতাই মোটা দাগে মব জাস্টিস বা ভায়োলেন্স সৃষ্টির অন্যতম কারণ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

mob lyncing 2

গণপিটুনির মতো মব ভায়োলেন্স নিয়ে যেসব আন্তর্জাতিক গবেষণা হয়েছে, সেসবে এটি স্পষ্ট যে, এ ধরনের ঘটনা কমাতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতেই হবে। এগুলো কম–বেশি বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও সত্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি যে ঘটাতেই হবে, সেটি বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ হতে হয় না। তবে সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালতের প্রতি জনমানুষের আস্থা ফেরাতে দুর্নীতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। একইসঙ্গে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটার পর সেগুলো সামাল দিতে হবে স্বচ্ছ উপায়ে। বিদ্যমান বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতেই হবে। সেই সঙ্গে অপরাধমূলক কর্মকান্ডের ক্ষেত্রে যেসব আইনি প্রক্রিয়া কার্যকর থাকে, সেসব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে শিক্ষিতও করে তুলতে হবে। নাগরিক বানাতে হলে জনসাধারণকে নাগরিক হওয়ার শিক্ষাও দিতে হবে।

এসব না হলে গণপিটুনির ঘটনা গণহারে ঘটতেই থাকবে। তা থেকে আর রক্ষা পাওয়া হবে না।

বিষয়: বাংলাদেশগণপিটুনিমৃত্যুআইন–শৃঙ্খলামানুষসমাজগবেষণাঅপরাধপিটিয়ে হত্যা
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড