Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর বিয়ে নিয়ে শঙ্কায় ভারতীয়রা!

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ১৯: ৪৯
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর বিয়ে নিয়ে শঙ্কায় ভারতীয়রা!

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বাসিন্দা সিধি শর্মা। স্বপ্ন দেখতেন আমেরিকায় উচ্চ-পদস্থ চাকরি করেন এমন কোনো ভারতীয় নাগরিককে বিয়ে করে সেখানেই থেকে যাবেন। তবে মেডিকেল ছাত্রী সিধি শর্মার সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে । কারণ, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে সিধি বলেন, আমি বিয়ের পর আমেরিকায় থাকার স্বপ্ন দেখতাম। ট্রাম্প আমার জন্য সেই দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।

ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতি বিশেষ করে এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জটিলতা বাড়ার পর ভারতীয়দের মধ্যে আমেরিকায় যাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয়দের শঙ্কা, এই কড়াকড়ির ফলে ভারতীয় আমেরিকান পরিবারগুলো ভারতে থাকা কারও সঙ্গে তাদের সন্তানদের বিয়ে দিতে দ্বিধা করছে। সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী যেকোনো সময় চাকরি বা অভিবাসন স্ট্যাটাস হারাতে পারেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ম্যাট্রিমনিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান 'ভাওস ফর ইটারনিটি'-এর প্রতিষ্ঠাতা অনুরাধা গুপ্তা রয়টার্সকে বলেন, অভিবাসন নীতিগুলো হয়তো ওয়াশিংটন থেকে লেখা হয় কিন্তু এর প্রভাব দেখা যায় ভারতীয় পরিবারগুলোর রাতের খাবারের টেবিলে। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত ভারতের সামাজিক কাঠামোয় ঢুকে বিয়ের মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকেও প্রভাবিত করছে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, এইচ-১বি ভিসার আবেদন যারা করবেন, তাদের ১ লাখ মার্কিন ডলার ফি দিতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নির্বাহী আদেশে বলা হয়, যারা প্রথমবারের মতো এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদন করবেন এবং বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে আছেন, তাদের জন্য এককালীন ১ লাখ ডলার ফি দিতে হবে।

এক দশক আগেও ভারতের মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত সমাজে একজন আমেরিকান গ্রিন কার্ডধারী পাত্র বা পাত্রীর মূল্য ছিল আকাশছোঁয়া। আমেরিকার জীবন মানে ছিল আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত জীবনযাত্রা এবং ভারতে সামাজিক মর্যাদা। এসব ব্যাপার বিবাহযোগ্য পাত্র-পাত্রীর জীবনসঙ্গী খোঁজার ক্ষেত্রে একটি প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হত।

নতুন নীতির ফলে উচ্চ ফি এবং ভিসা অনুমোদনের অনিশ্চয়তা এখন প্রবাস জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। পাত্র-পাত্রী এবং তাদের অভিভাবকরা দেখছেন, যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার চেয়ে ভারতের ভেতরে অথবা পশ্চিমা অন্য কোন স্থিতিশীল দেশে মনোযোগ দেওয়া ভালো।

প্রতিবেদনটিতে বিবাহ বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং ঘটকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখন অনেক পরিবারই স্পষ্টভাবে এমন পাত্র বা পাত্রী খুঁজছে যারা হয় ভারতেই ভালো বেতনের চাকরিতে আছেন অথবা অন্য কোনো দেশে চাকরিতে আছেন।

ট্রাম্পের কড়াকড়ি নীতিকে ভারত সরকার মানবিক বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে। তারা আমেরিকান কর্তৃপক্ষকে এটি পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে।

বিষয়: অভিবাসন প্রত্যাশীআমেরিকাপ্রবাসীডোনাল্ড ট্রাম্পঅভিবাসনঅভিবাসীভারতীয়যুক্তরাষ্ট্রভিসা নীতিভারত
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড