Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ
ইকোনমিস্টের নিবন্ধ

১৬ বছর পর হতে যাওয়া ভারতের আদমশুমারি কি বিতর্কিত হতে যাচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ৪১
১৬ বছর পর হতে যাওয়া ভারতের আদমশুমারি কি বিতর্কিত হতে যাচ্ছে?

ভারতের ১৪৫ কোটি মানুষের জনসংখ্যা কীভাবে গোনা হবে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শুরুটা হবে প্রায় ৩৫ লাখ তথ্যসংগ্রহকারীর মাধ্যমে। যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য নেবে, স্প্রেডশিট তৈরি করবে এবং ডেটা বিশ্লেষণ করবে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে এটি এক বিশাল কর্মযজ্ঞ।

এই তথ্যসংগ্রহকারীরা মরুভূমি, জঙ্গল, পাহাড় সবখানেই যাবে। সবচেয়ে প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছাতে পাড়ি দেবে নানা চড়াই–উতরাই। পুরো প্রক্রিয়াটিও চলবে একাধিক ধাপে।

২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রতিটি বসতবাড়ির তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। এরপর একই বছরের অক্টোবরে কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মানুষের মাথাগণনা শুরু হবে। বাকি দেশজুড়ে গণনা হবে ২০২৭ সালের মার্চে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর আদমশুমারি হয়। কিন্তু কোভিড–১৯ মহামারি ২০২১ সালের শুমারি পুরোপুরি ভণ্ডুল করে দেয়। মহামারি কাটার পরও নানা কারণে কাজটি পেছাতে থাকে। ফলে নতুন শুমারি সম্পন্ন হতে হতে ১৬ বছর পেরিয়ে যাবে।

২০২৬ সালের এপ্রিলে ভারতের প্রতিটি বসতবাড়ির তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
২০২৬ সালের এপ্রিলে ভারতের প্রতিটি বসতবাড়ির তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

এর মধ্যে ভারত কয়েক শ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে তুলেছে, দেশে মোবাইল ব্রডব্যান্ডের ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে, গড় মাথাপিছু আয়ও দ্বিগুণ হয়েছে। এসব পরিবর্তন এবারের শুমারিকে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। এর সঙ্গে আছে জনতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক কারণও, যা এই শুমারিকে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে। এ শুমারির ফলাফল ভারতের গতিপথ কয়েক দশকের জন্য বদলে দিতে পারে।

সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে, তা হলো শাসনব্যবস্থার উন্নতি। কারণ আদমশুমারির তথ্যই নীতিনির্ধারণের মূল ভিত্তি। হালনাগাদ সংখ্যা ছাড়া সরকারের পক্ষে কল্যাণ কর্মসূচির লক্ষ্য নির্ধারণ, জরুরি সেবা পৌঁছানো কিংবা অবকাঠামো পরিকল্পনা কিছুই কার্যকরভাবে করা সম্ভব নয়, বিশেষ করে ভারতের মতো বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় দেশে। নতুন তথ্য পেলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো নীতি আরও বাস্তবভিত্তিকভাবে সাজাতে পারবে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নরেন্দ্র মোদি সরকারের দাবি কতটা সত্য তাও স্পষ্ট হবে এই শুমারির তথ্য থেকে।

তবে সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো বর্ণ (কাস্ট)–সংক্রান্ত তথ্য। ভারতে বর্ণভিত্তিক কোটা ব্যবস্থা রয়েছে এবং রাজনীতিতেও বর্ণভিত্তিক জোট এখনও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কোন বর্ণের কত মানুষ এই সঠিক তথ্য স্বাধীনতার পর আর কখনও সংগ্রহ করা হয়নি। এবার প্রথমবারের মতো সেই সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ফলাফলে দেখা যাবে কোন বর্ণের জনসংখ্যা বেড়েছে, কারা কমেছে এবং সেই অনুযায়ী বাড়বে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি। আবার যাদের সংখ্যা কম, তারা রাজনৈতিকভাবে আরও পিছিয়ে পড়তে পারে। এতে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রেও পরিবর্তন আসতে পারে।

এবারের আদমশুমারি আরও একটি বৈষম্য দূর করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে। গত তিন দশক ধরে আইনসভায় নারীদের জন্য কোটা নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতায় নারীদের অংশগ্রহণ এখনও খুব কম। লোকসভায় মাত্র ১৪% সদস্য নারী, আর রাজ্য বিধানসভাগুলোতে ১০ ভাগেরও কম।

২০২৩ সালের সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়েছে এই আদমশুমারির পর প্রথম নির্বাচনে সংসদ ও রাজ্য আইনসভায় এক–তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। প্রভাবশালী নেতারা স্ত্রী–কন্যাদের সামনে আনার সুযোগ নিতে পারেন এমন আশঙ্কা থাকলেও, এই কোটা ভারতের রাজনীতিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দেবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া

সবচেয়ে প্রত্যাশিত, অথচ এখনও অনিশ্চিত বিষয় হলো সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার পুনর্বিন্যাস। স্বাধীনতার পর প্রতিটি আদমশুমারির পর এটি হতো। কিন্তু ১৯৭১ সালের পর পুনর্বিন্যাস স্থগিত রাখা হয় যাতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। কিন্তু এতে অসমতা তৈরি হয়েছে। কেউ প্রায় ৩০ লাখ মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করেন, আবার কেউ তার অর্ধেক ভোটারকে।

২০২৬ সালে এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সরকার আসন পুনর্বণ্টনে আগ্রহী। এতে মোট আসন সংখ্যা বাড়তে পারে। ভারতের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী কিন্তু রাজনৈতিকভাবে দুর্বল শহরগুলো আরও মনোযোগ ও তহবিল পেতে পারে। অন্যদিকে, ধনী ও কম জনসংখ্যার দক্ষিণাঞ্চলকে ক্ষমতা ছাড়তে হতে পারে জনবহুল ও গরিব উত্তরাঞ্চলের কাছে। বিশ্লেষকদের মতে এতে বিজেপির প্রভাব আরও বাড়বে, কারণ দলটি উত্তরে শক্তিশালী, দক্ষিণে অনেক দুর্বল।

তবুও এই পুনর্বিন্যাসকে অগ্রাহ্য করা কঠিন। কারণ যেখানে এক আসনের ভোটারের সংখ্যা অন্যটির দ্বিগুণ, তা প্রকৃত গণতন্ত্র নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন আদমশুমারি ভারতের সমাজে ক্ষমতার বণ্টনকে বর্ণ, লিঙ্গ, ভৌগোলিক এলাকা সকল দিক থেকেই পুনর্গঠিত করবে। তাই এটি নিঃসন্দেহে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আদমশুমারি হতে যাচ্ছে।

বিষয়: আদমশুমারিবিজেপিকোভিড–১৯ভোটভারত
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড