Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ভারত–তালেবান ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তিতে পাকিস্তান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৫৮
ভারত–তালেবান ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তিতে পাকিস্তান

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সীমান্তে সংঘর্ষের পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ ভারতের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি অভিযোগ এনেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিনি দাবি করেছেন, ”ভারত আফগান তালেবান নেতৃত্বকে প্রভাবিত করছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের পেছনে ভারতীয় কৌশল কাজ করছে।”

যদিও এই অভিযোগের কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি, এটি পাকিস্তানের কূটনৈতিক আস্থা ও নিরাপত্তা চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আসিফ বলেন, “তালেবান নেতৃত্বকে আমি সম্মান করি, কিন্তু কাবুলে যারা নকশা করছে, তারা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিনি দাবি করেন, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধ করতে চাইছে এবং কাবুলকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তান সীমান্তে আগের সংঘর্ষের সময়ও আসিফ তালেবানকে ‘ভারতের গর্ভে বসা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এই ঘোষণাগুলো এমন সময় এসেছে যখন আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্তে শান্তি আলোচনা ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ইসলামাবাদ–দোহা–ইস্তানবুলের মধ্যস্থতায় চুক্তি করতে চেষ্টা করলেও সীমান্তে সামরিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো ভয়ের ছাপ রেখেছে।

ভারত–আফগান সম্পর্কের উষ্ণতা

২০২১ সালে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর ভারত ধীরে ধীরে কাবুলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুতাকির সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত আফগান প্রদেশগুলোতে ত্রাণ পাঠিয়েছেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো–নয়াদিল্লি দীর্ঘ চার বছর পর কাবুলে নিজস্ব দূতাবাস পুনরায় চালু করেছে। এসব পদক্ষেপ পাকিস্তানের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইসলামাবাদের অভিযোগ, তালেবান সরকার আফগান ভূখণ্ডে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামের বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় এসব গোষ্ঠী পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। যদিও তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে, পাকিস্তান বিষয়টিকে ‘ভারতের ছায়া যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই অবস্থান তার ঐতিহাসিক ‘স্ট্র্যাটেজিক ডেপথ’ নীতির ফল, যার লক্ষ্য আফগানিস্তানকে ভারতের প্রভাবমুক্ত রাখা।

আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও কূটনীতি

দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত তার কূটনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে চাইছে। আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য ও উন্নয়ন সহায়তার মাধ্যমে নয়াদিল্লি নতুন প্রভাব তৈরি করছে। অপরদিকে পাকিস্তান মনে করছে-ভারতের এই উদ্যোগ কেবল মানবিক নয়, বরং কৌশলগতভাবে ইসলামাবাদকে ঘিরে ধরার অংশ। ফলে পাকিস্তান এখন তার প্রতিটি সীমান্তে নিরাপত্তা উদ্বেগে ভুগছে।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ইব্রাহিম বাহিস বলেন, “পাকিস্তান আফগানিস্তানকে সরাসরি শত্রু হিসেবে নয়, বরং ভারতের সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখছে।”

তিনি আরও বলেন, “যখন পাকিস্তান বলে ভারত তালেবান ও বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একসঙ্গে পরিচালনা করছে, তখন তা বাস্তবতার তুলনায় বেশি রাজনৈতিক বয়ান হয়ে যায়।”

অন্যদিকে ইসলামাবাদ ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের আমিনা খান মনে করেন, “পাকিস্তান এখন বুঝতে পারছে যে আফগানিস্তান নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, এবং সেই সিদ্ধান্তে ভারতের ভূমিকা ক্রমেই বাড়ছে–যা ইসলামাবাদ মেনে নিতে পারছে না।”

সম্ভাব্য উত্তেজনার ঝুঁকি

দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে উত্তেজনা নতুন নয়, কিন্তু এবার তা আফগান সংযোগে নতুন মাত্রা পেয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ও ভারত উভয়েই সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে, এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বক্তব্যেও যুদ্ধের আভাস মিলছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন–যদি এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামরিক উত্তেজনায় রূপ নেয়, তবে তা সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বিষয়: পাকিস্তানআফগানিস্তাননিরাপত্তাতালেবানভারত
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড