Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টারে কী আছে

ফজলুল কবির

ফজলুল কবির

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৭: ৪০
বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টারে কী আছে

চীনের বেইজিংয়ে গড়া হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টার। এ নিয়ে চীনের তরফ থেকে চরম গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস চলতি বছরের শুরুতে এ–সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গত ৩১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টার। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সেন্টারটি পেন্টাগনের চেয়েও বেশ বড়। যদিও আমেরিকার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত নয়। একই সঙ্গে তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, চীন ‘প্রতিরক্ষার ধর্ম ধারণ করে করা প্রতিরক্ষা নীতি’র প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নিজেদের হাতে আসা স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, এই ছবিগুলো মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তরও পরীক্ষা করেছে। এতে দেখা গেছে, বেইজিংয়ের পশ্চিমাঞ্চলে একটি নতুন সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সংঘাতের সময় নেতৃত্ব পর্যায়কে এমনকি নিউক্লিয়ার হামলা থেকেও সুরক্ষা দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই ঘটনা যখন চলছে, তখন চীনের সামরিক বাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) নতুন নতুন অস্ত্র তৈরিতে নতুন সব প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।

সিআইএ-এর বিশ্লেষকর বলছেন, চীন সম্পর্কিত শীর্ষ বিশ্লেষক ডেনিস ওয়াইল্ডার বলছেন, মাটির নিচে অত্যাধুনিক বাংকার তৈরির বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে চীনের পরমাণু যুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষাও। ছবি: সংগৃহীত
সিআইএ-এর বিশ্লেষকর বলছেন, চীন সম্পর্কিত শীর্ষ বিশ্লেষক ডেনিস ওয়াইল্ডার বলছেন, মাটির নিচে অত্যাধুনিক বাংকার তৈরির বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে চীনের পরমাণু যুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষাও। ছবি: সংগৃহীত

এ বিষয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর চীন সম্পর্কিত শীর্ষ বিশ্লেষক ডেনিস ওয়াইল্ডার বলছেন, ‘মাটির নিচে অত্যাধুনিক বাংকার তৈরির বিষয়টি সত্য হলে বলতে হয়, এটি শুধু চীনের শীর্ষ নেতৃত্বকে সংঘাত পরিস্থিতিতে সুরক্ষিত রাখতেই গড়া হচ্ছে না, এর সাথে যুক্ত রয়েছে চীনের পরমাণু যুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষাও।’

স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পাঁচ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এলাকাটিতে অন্তত ১০০টি ক্রেন টানা কাজ করছে। পুরো এলাকা অনেক দিন ধরেই নির্মাণকাজ নিয়ে ব্যস্ত। বিরাট এলাকাজুড়ে হওয়ায় অঞ্চলটির প্রতি অনেকেরই আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কী ধরনের স্থাপনার নির্মাণ চলছে, সে বিষয়ে কোনো ঘোষণাও নেই। যদিও চীনে বড় কোনো নির্মাণকাজ চললে, বিশেষত বাণিজ্যিক কোনো স্থাপনার কাজ চললে সে সম্পর্কে তাদের ওয়েবসাইটে তথ্য দেওয়া থাকে। পুরো এলাকায় নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি রয়েছে। কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। অবশ্য সেখানে কোনো সামরিক বাহিনীর সদস্যের অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যায় না। অর্থাৎ, পোশাকে কোনো সেনাসদস্য সেখানে যাচ্ছে না। যদিও এই নির্মাণকাজকে স্থানীয়রা বলছে, ‘সেনাবাহিনীর কাজ’ বা এলাকাটিকে বলছে, ‘সামরিক এলাকা’।

স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পাঁচ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এলাকাটিতে অন্তত ১০০টি ক্রেন টানা কাজ করছে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পাঁচ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এলাকাটিতে অন্তত ১০০টি ক্রেন টানা কাজ করছে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

কেন এই স্থাপনা?

কেন এমন সামরিক স্থাপনা করছে চীন? পশ্চিমা সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমেরিকার কাছে বাংকার বাস্টার বোমা আছে। অর্থাৎ, এমন বোমা বা বিস্ফোরক আছে, যা দিয়ে বাংকার গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে চীন সেই সক্ষমতার বিরুদ্ধে নিজেদের নিরাপদ রাখতে সামরিক স্থাপনা ও বাংকার ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করবে–এটাই স্বাভাবিক। এ ছাড়া নানা সময়ে নানা ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে চীন‑আমেরিকা সামরিক সক্ষমতার তুলনা হয়েছে ও হচ্ছে। তাইওয়ান ইস্যুতে চীন কোনো পদক্ষেপ নিলে আমেরিকার তরফ থেকে কড়া প্রত্যুত্তর আসতে পারে–এটা তো সবাই জানে। এ ছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ মার্কিন মিত্রের সঙ্গে চীনের রয়েছে দীর্ঘ দ্বন্দ্ব। ফলে যুদ্ধের আশঙ্কা অবাস্তব নয়। তাই নিজেদের প্রতিরক্ষার স্বার্থেও এই স্থাপনা গড়ে তোলা হতে পারে।

পাশাপাশি এটাও মনে রাখা জরুরি যে, প্রতিযোগী দেশগুলো সাধারণত এক ধরনের অনিঃশেষ সামরিকায়নের দৌড়ে থাকে। তারা প্রতিনিয়ত পাল্টাপাল্টি সামরিক সক্ষমতা অর্জনের এক ‘অসুস্থ’ প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়ে। এর কারণও আছে। কোনো একটি দেশ যদি কোনো বিশেষ ক্ষমতার বোমা তৈরি করে, তাহলে তার প্রতিদ্বন্দ্বীকেও সেই বোমা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়তে হয়। এ কারণেই, পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা সব সময় নিজের ও অপরের পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ও সক্ষমতা বিশ্লেষণে মত্ত থাকেন।

চীনা সামাজিক মাধ্যম বাইদু’তে এ নিয়ে স্থানীয়দের পোস্টের দিকে তাকালে এই দ্বিতীয় কারণটিও সামনে আসে। বাইদু’তে দেওয়া এক পোস্টে বেইজিংয়ের স্থানীয় এক বাসিন্দা লিখেছেন, ‘তারা কি চীনা পেন্টাগন তৈরি করছে?’ প্রশ্নটি সরাসরি অস্ত্র, প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ সক্ষমতার তুলনাগত জায়গাটিকে সামনে আনে।

সারা বিশ্বে মার্কিন প্রভাব ও মুরব্বিয়ানার পেছনে যেমন পেন্টাগন একই সঙ্গে সামরিক মগজ ও পেশির চিহ্ন হিসেবে ক্রিয়াশীল, তেমনি করে চীনের এই নয়া সামরিক স্থাপনাও একটি বড় চিহ্ন তৈরিতে ব্যস্ত। প্রশ্ন উঠতে পারে, এটি যে সামরিক স্থাপনাই, সে বিষয়ে তো এখনো চীনা বয়ানটি পাওয়া যায়নি। ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাস তো এটি ‘জানে না’ বলেই জানিয়ে দিয়েছে। তাহলে? পাল্টা প্রশ্ন তো করাই যায় যে, চীন কি এই প্রতিবেদন বা এমন গুঞ্জনকে অস্বীকার করেছে? চীন কি বলেছে, এই স্থাপনাটি আসলে কীসের? এই নীরবতা যতক্ষণ না ভাঙা হচ্ছে, ততক্ষণ এই স্থাপনার সাথে লেপ্টে যাওয়া ‘যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টারের’ সাইনবোর্ডটি সরবে না।

এই স্থাপনা কেন গুরুত্বপূর্ণ

কথা হলো–এই স্থাপনাটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? চীন-আমেরিকা সম্ভাব্য কোনো যুদ্ধের দামামা কি বাজছে? যেকোনো সামরিক স্থাপনা বা কার্যক্রম যুদ্ধের বা বারুদের গন্ধ ছড়াবেই। তবে এই স্থাপনা বাস্তব কোনো যুদ্ধের ইঙ্গিত দিক না দিক, ভবিষ্যতের বিশ্বে চীনের কূটনৈতিক প্রভাব অনেকটাই বাড়াতে সাহায্য করবে। কারণ, ক্ষমতার ওপরই শেষ পর্যন্ত নির্ভর করে যে, কোন বসের কৌতুকে কতটা হাসবে লোকে। তাই ক্ষমতার চিহ্ন ও প্রচার জরুরি। এ কারণেই সমরাস্ত্র বা সামরিক বাজেট যেমন, তেমনি সামরিক স্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

চীন বা আমেরিকা উভয়েই ভালো করে জানে যে, তাদের দুই পক্ষের কোনো সংঘাত গোটা বিশ্বকে কোথায় নিয়ে যাবে। আর নগর পুড়লে যে দেবালয় এড়ায় না, তা তো শিশুও জানে। ফলে বাস্তব যুদ্ধের চেয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব এবং এই সমর শক্তিকে বাণিজ্য সুবিধা নেওয়ায় কাজে লাগানোর দিকেই সম্ভবত উভয় পক্ষের নজর থাকবে।

বিষয়: আমেরিকাবিশ্লেষণগোয়েন্দা সংস্থাস্যাটেলাইটবিশ্লেষকের চোখেদূতাবাসওয়েবসাইটযুদ্ধবাণিজ্যচীন
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড