Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ঢামেকের হাম হাসপাতাল চালু হবে কবে?

আরমান ভূঁইয়া

আরমান ভূঁইয়া

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২২: ১৮
ঢামেকের হাম হাসপাতাল চালু হবে কবে?

সারা দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২০ শয্যার একটি বিশেষ ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে সব প্রস্তুতি শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি হাসপাতালটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পেলেই শুরু হবে চিকিৎসাসেবা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ঢামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজধানীসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক হাম-আক্রান্ত শিশু হাসপাতালে আসছে। অনেক শিশুই জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা ও নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে ঢামেকের শিশু ওয়ার্ড হিমশিম খাচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আক্রান্ত শিশুদের সাধারণ ওয়ার্ডে রাখা হলে অন্য রোগীরাও সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়বে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢামেক হাসপাতালের ডা. মিলন অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে ২০ শয্যার একটি বিশেষ ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করেছে সেনাবাহিনী।

চিকিৎসকরা বলছেন, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা। বিশেষ করে এক বছরের নিচের শিশুদের ঝুঁকি বেশি। যেসব শিশু নির্ধারিত সময়ে টিকা নেয়নি, তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।

হাসপাতালটির চিকিৎসা ও তত্ত্বাবধান করবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগ। মূলত শিশুদের হাম ও ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্যই এটি প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে অক্সিজেন সাপোর্ট, নেবুলাইজেশন সুবিধা, পৃথক বেড ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কবে নাগাদ এই ফিল্ড হাসপাতাল চালু হবে–জানতে চাইলে ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “সরকারের নির্দেশনা পেলেই হামের রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা ফিল্ড হাসপাতালটি চালু করা হবে। সরকারের নির্দেশেই এই বিশেষ হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা বড় কোনো ইউনিট নেই। তারপরও পরিস্থিতি বিবেচনায় ছোট পরিসরে একটি বিশেষ ইউনিট চালু করে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ রোগীদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

পরিচালক বলেন, “বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও আউটডোর মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫ জন হাম-আক্রান্ত রোগী আসছে। তবে সবাই ভর্তি হওয়ার মতো অবস্থায় থাকে না। যাদের শারীরিক অবস্থা জটিল এবং ভর্তি প্রয়োজন হয়, তাদের জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।”

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে হামের প্রকোপ বাড়ছে কেন?measles

ফিল্ড হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও ঢামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শফিকুল আলম চৌধুরী চরচাকে বলেন, “হাম-আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২০ শয্যার বিশেষ ফিল্ড হাসপাতালের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য পৃথক রোস্টারও তৈরি করা হয়েছে। যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালটি চালু করা হবে, সেদিন থেকেই রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।”

হামের চিকিৎসার কথা তুলে ধরে এই চিকিৎসক বলেন, “বর্তমানে শিশু বিভাগের একটি আলাদা ইউনিটে ১১টি বেডে প্রায় ২২ জন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় বিদ্যমান ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে।”

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শফিকুল আলম চৌধুরী আরও বলেন, “সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রান্ত শিশুদের নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করতেই আলাদা ফিল্ড হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই এটি চালু করা হবে, যাতে বাড়তি রোগীদের সঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়।”

চিকিৎসকরা বলছেন, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা। বিশেষ করে এক বছরের নিচের শিশুদের ঝুঁকি বেশি। যেসব শিশু নির্ধারিত সময়ে টিকা নেয়নি, তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।

ঢামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবা খাতুন বলেন, “যেসব শিশু হামের টিকা নেয়নি, তাদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া আবহাওয়া পরিবর্তন, ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ এবং আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত আলাদা না রাখার কারণেও সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।”

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২০ শয্যার একটি বিশেষ ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। ছবি: চরচা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২০ শয্যার একটি বিশেষ ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। ছবি: চরচা

এই চিকিৎসক বলেন, “হামের শুরুতে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। এরপর মুখ থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে। অনেক শিশুর খাওয়ার রুচি কমে যায়, দুর্বলতা দেখা দেয় এবং কখনো কখনো ডায়রিয়া বা শ্বাসকষ্টও হতে পারে।”

হাবিবা খাতুন আরও বলেন, “যদি শিশুর জ্বর দীর্ঘসময় থাকে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, খেতে না পারে, অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে বা খিঁচুনি দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। সাধারণত হাম সংক্রমণের চারদিন পর শরীরে র‌্যাশ দেখা দেয়। তবে তার আগেই মুখের ভেতরে লক্ষণ দেখা দিতে পারে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে ৬১ শিশুর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৬৫৬ জনে। তাদের মধ্যে ৬ হাজার ৯৭৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ১৩৫ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর রাজশাহী বিভাগে ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ২৫ জন, খুলনায় ১৮ জন এবং বরিশালে ১২ জন মারা গেছে। গত ২০ বছরে হামে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও টিকাদানে অনিয়ম, অপুষ্টি এবং দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। তাদের মতে, সময়মতো এমআর টিকা নিশ্চিত করা, আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমেই সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমানো সম্ভব।

চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে হামের প্রকোপ দেখা দিলেও ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুসারে, ২০০৫ সালে ২৫ হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১০০ জনের বেশি শিশু মারা গিয়েছিল। এরপর গত ২০ বছরে আর এত বেশি শিশু আক্রান্ত বা মৃত্যু কোনো বছরই হয়নি।

৯ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের দুটি টিকা দেওয়া হয়। অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি চার বছর পর অতীতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হলেও ২০২৪ সালে তা হয়নি। এর আগে ২০২০ সালে কোভিডের কারণে ওই বিশেষ ক্যাম্পেইন হয়নি। আর রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে ২০২৪ সালে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিও সেভাবে পরিচালিত হয়নি।

বিষয়: ঢামেকহামঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালশিশু স্বাস্থ্যস্বাস্থ্য অধিদপ্তরঢাকাচিকিৎসাস্বাস্থ্য
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড