সাইরুল ইসলাম

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যেই তাজিকিস্তানে তিন চীনা নাগরিককে লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলা নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) খতলোন প্রদেশে একটি সোনার খনিতে গ্রেনেড ও আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন চীনা নাগরিক নিহত ও একজন আহত হয়।
বুধবারের সেই হামলার পর থেকেই পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে শুরু করে। তাজিক সরকার হামলাকারীদের প্রতিবেশী দেশের অপরাধী দল হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের অভিযোগ, পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান-নেতৃত্বাধীন সরকার এই ঘটনার দায় এড়াতে চাইছে। তারা বলছে, এই হামলা এমন একটি চক্র দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, যা এই অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি করছে।
তালেবান সরকার অবশ্য এই সুযোগে পাকিস্তানকে দোষারোপ করেছে। তারা বলছে, পাকিস্তান তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আমেরিকাকে আফগানিস্তানের ভেতরে ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। আফগানিস্তান আরও অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান ইসলামিক স্টেট (আইএস) সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনার সুযোগ দিচ্ছে।

যদিও এই হামলার পেছনে কারা ছিল, তা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। কাবুল ও দুশানবে একে অপরকে সরাসরি দোষারোপও করেনি। কিন্তু পাকিস্তান দ্রুত এই ঘটনাকে ব্যবহার করে কাবুলের তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, এক আফগান নাগরিক ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই মার্কিন নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করার পর পাকিস্তান যেভাবে নিজেদের ‘সন্ত্রাসের শিকার’প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিল, ঠিক একই কাজ সেভাবেই তারা তাজিকিস্তানের হামলার ঘটনাতেও করেছে। পাকিস্তান দ্রুততার সঙ্গে এই ঘটনাকে ব্যবহার করে নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা ‘সন্ত্রাসীর উৎসের’ অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তালেবান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ পরিচালক হাফিজ জিয়া আহমদ বলেছেন, কাবুল দুশানবেকে তথ্য আদান-প্রদান, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও যৌথ মূল্যায়নসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তারা বলেছে, আফগান ভূখণ্ড ‘তার প্রতিবেশী বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়’।
জাতিসংঘের মতে, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে জন্ম নেওয়া দেশ তাজিকিস্তান উগ্রবাদের সঙ্গে লড়াই করছে, বিশেষ করে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে।
পাকিস্তানি পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ আলি এস চিশতি বলছেন, এই হামলার জন্য আফগান তালেবানই দায়ী। এই ঘটনা বেইজিংয়ের অবস্থানকে কঠোর করবে এবং আঞ্চলিক সন্ত্রাসবিরোধী সমন্বয়কে ত্বরান্বিত করবে।

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যেই তাজিকিস্তানে তিন চীনা নাগরিককে লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলা নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) খতলোন প্রদেশে একটি সোনার খনিতে গ্রেনেড ও আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন চীনা নাগরিক নিহত ও একজন আহত হয়।
বুধবারের সেই হামলার পর থেকেই পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে শুরু করে। তাজিক সরকার হামলাকারীদের প্রতিবেশী দেশের অপরাধী দল হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের অভিযোগ, পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান-নেতৃত্বাধীন সরকার এই ঘটনার দায় এড়াতে চাইছে। তারা বলছে, এই হামলা এমন একটি চক্র দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, যা এই অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি করছে।
তালেবান সরকার অবশ্য এই সুযোগে পাকিস্তানকে দোষারোপ করেছে। তারা বলছে, পাকিস্তান তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আমেরিকাকে আফগানিস্তানের ভেতরে ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। আফগানিস্তান আরও অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান ইসলামিক স্টেট (আইএস) সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনার সুযোগ দিচ্ছে।

যদিও এই হামলার পেছনে কারা ছিল, তা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। কাবুল ও দুশানবে একে অপরকে সরাসরি দোষারোপও করেনি। কিন্তু পাকিস্তান দ্রুত এই ঘটনাকে ব্যবহার করে কাবুলের তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, এক আফগান নাগরিক ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই মার্কিন নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করার পর পাকিস্তান যেভাবে নিজেদের ‘সন্ত্রাসের শিকার’প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিল, ঠিক একই কাজ সেভাবেই তারা তাজিকিস্তানের হামলার ঘটনাতেও করেছে। পাকিস্তান দ্রুততার সঙ্গে এই ঘটনাকে ব্যবহার করে নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা ‘সন্ত্রাসীর উৎসের’ অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তালেবান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ পরিচালক হাফিজ জিয়া আহমদ বলেছেন, কাবুল দুশানবেকে তথ্য আদান-প্রদান, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও যৌথ মূল্যায়নসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তারা বলেছে, আফগান ভূখণ্ড ‘তার প্রতিবেশী বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়’।
জাতিসংঘের মতে, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে জন্ম নেওয়া দেশ তাজিকিস্তান উগ্রবাদের সঙ্গে লড়াই করছে, বিশেষ করে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে।
পাকিস্তানি পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ আলি এস চিশতি বলছেন, এই হামলার জন্য আফগান তালেবানই দায়ী। এই ঘটনা বেইজিংয়ের অবস্থানকে কঠোর করবে এবং আঞ্চলিক সন্ত্রাসবিরোধী সমন্বয়কে ত্বরান্বিত করবে।

২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের পর, ইউরোপীয় মিত্ররা প্রাথমিকভাবে ট্রাম্পের অনন্য বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও তার ইচ্ছার সামনে নিজেদের কিছুটা মানিয়ে নিতে এবং নতিস্বীকার করতে প্রস্তুত ছিল। এর একটি বড় উদাহরণ ছিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-এর দ্রুত হোয়াইট হাউস সফর।

টাকা খরচ করে ভারতের ধনী মানুষ আসলে কী পাচ্ছে? ভালো চিকিৎসা বা শিক্ষা তো নয়ই। এই শ্রেণির কেউ তাদের সন্তানদের সরকারি স্কুলে পাঠানোর কথা স্বপ্নেও ভাববেন না (এমনকি তাদের বাড়ির রাঁধুনি বা গাড়িচালকেরাও নয়)। ভালো গণপরিবহনও তারা পান না যেটা ব্যবহার করার জন্য মোদি মশাই বেশ হালকাভাবেই পরামর্শ দিচ্ছেন।