Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বৈশ্বিক-আঞ্চলিক উত্তেজনায় অস্ত্র ব্যবসায় রমরমা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯: ৪৯
বৈশ্বিক-আঞ্চলিক উত্তেজনায় অস্ত্র ব্যবসায় রমরমা

গত বছর বিশ্বের শীর্ষ ১০০ সমরাস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানির অস্ত্র বিক্রির আয় ৬৭৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই)-এর প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন তুলে আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সোমবার প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা ও ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা বাজেট দেশি ও বিদেশি বাজারে সমরাস্ত্র বিক্রি থেকে কোম্পানিগুলোর আয় ২০২৩ সালের তুলনায় ৫.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসআইপিআরআই জানায়, সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপভিত্তিক কোম্পানিগুলো। প্রায় সব অঞ্চলেই কিছু না কিছু প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও এশিয়া ও ওশেনিয়া ছিল ব্যতিক্রম, যেখানে চীনের প্রতিরক্ষা শিল্পের বিভিন্ন সমস্যার কারণে সামগ্রিক আয় হ্রাস পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে লকহিড মার্টিন, নর্থরপ গ্রুম্যান ও জেনারেল ডায়নামিকস। শীর্ষ ১০০ তালিকায় থাকা ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত আয় ২০২৪ সালে ৩৩৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩.৮ শতাংশ বেশি। বেশিরভাগ কোম্পানি তাদের বিক্রি বাড়িয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে এসআইপিআরআই উল্লেখ করেছে যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, কলাম্বিয়া ও ভার্জিনিয়া শ্রেণির সাবমেরিন, এবং আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের মতো বড় প্রকল্পগুলো বাজেটসহ নানা সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

ধনকুবের ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক শীর্ষ সামরিক প্রস্তুতকারকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের সামরিক আয় বেড়ে ১.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

ইউরোপের (রাশিয়া বাদে) ২৬টি কোম্পানি তালিকায় আছে, যার মধ্যে ২৩টি তাদের অস্ত্র বিক্রি বৃদ্ধি করেছে। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর সামগ্রিক আয় ১৩ শতাংশ বেড়ে ১৫১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে চেকোস্লোভাক গ্রুপের প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ এক লাফে ১৯৩ শতাংশ বেড়ে তাদের আয় হয়েছে ৩.৬ বিলিয়ন ডলার, যা মূলত ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ইউক্রেনিয়ান ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিও রাশিয়ার অব্যাহত হামলার মধ্যে তাদের আয় ৪১ শতাংশ বাড়িয়ে তিন বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে।

এসআইপিআরআই জানায়, ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রাশিয়াকে ঠেকানোর জন্য প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে। তবে চীনের কঠোর রপ্তানি নীতির কারণে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্কতা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রাশিয়ার দুটি কোম্পানি, রোস্তেক এবং ইউনাইটেড শিপবিল্ডিং করপোরেশন এই তালিকায় রয়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তাদের সম্মিলিত আয় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩১.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

এশিয়া ও ওশেনিয়াতে অস্ত্র বিক্রি ২০২৩ সালের তুলনায় ১.২ শতাংশ কমে ১৩০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যার প্রধান কারণ চীনের তালিকাভুক্ত আটটি কোম্পানির বিক্রি ১০ শতাংশ কমে যাওয়া। এর মধ্যে চীনের প্রধান অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নোরিনককোর বিক্রিই ৩১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এসআইপিআরআই বলছে, অস্ত্র ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগের কারণে ২০২৪ সালে চীনের অনেক বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত বা বাতিল হয়েছে।

অন্যদিকে, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলো ইউরোপীয় এবং নিজস্ব বাজারে উচ্চ চাহিদার কারণে জোরালো প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে তাইওয়ান ও উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে। তালিকাভুক্ত জাপানের পাঁচটি কোম্পানির আয় ৪০ শতাংশ বেড়ে ১৩.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, আর দক্ষিণ কোরিয়ার চারটি কোম্পানি ১৪.১ বিলিয়ন ডলার অর্জন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি। দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান হানহোয়া গ্রুপ একাই ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে-যার অর্ধেকের বেশি এসেছে রপ্তানি থেকে।

ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

গাজা যুদ্ধের মধ্যেও ইসরায়েলের মুনাফা

এসআইপিআরআই’র তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের নয়টি প্রতিষ্ঠান শীর্ষ ১০০ অস্ত্র কোম্পানির মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এদের সম্মিলিত আয় ২০২৪ সালে দাঁড়িয়েছে ৩১ বিলিয়ন ডলার, যা ১৪ শতাংশ আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইডিজিই গ্রুপকে এই জরিপের বাইরে রাখা হয়েছে। সুদানের গৃহযুদ্ধে অস্ত্র যোগানের জন্য আন্তর্জাতিক মহল থেকে এই প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে আমিরাত এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তালিকায় থাকা তিনটি ইসরায়েলি অস্ত্র কোম্পানি গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে তাদের সম্মিলিত আয় ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১৬.২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং অবরুদ্ধ উপত্যকার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই তিন কোম্পানির মধ্যে এলবিট সিস্টেমস অর্জন করেছে ৬.২৮ বিলিয়ন ডলার, এরপর ইসরায়েল এয়ারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের আয় ৫.১৯ বিলিয়ন ডলার, এবং রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস অর্জন করেছে ৪.৭ বিলিয়ন ডলার।

এসআইপিআরআই জানিয়েছে, ইসরায়েলের মানববিহীন আকাশযান এবং কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থার প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাফায়েলের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে মূলত ইরানকে কেন্দ্র করে, ২০২৪ সালের এপ্রিল ও অক্টোবর মাসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ইসরায়েল এর চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছল। শীর্ষ ১০০ তালিকায় আছে পাঁচটি তুর্কি কোম্পানি- যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। তাদের সম্মিলিত আয় দাঁড়িয়েছে ১০.১ বিলিয়ন ডলারে, যা ১১ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

বায়কার, যা উন্নতমানের ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি নির্মাণ করে; সম্প্রতি ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহ করেছে। ২০২৪ সালে তাদের ১.৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের ৯৫ শতাংশই অন্যান্য দেশে রপ্তানি থেকে এসেছে।

তালিকায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ভারত, তাইওয়ান, নরওয়ে, কানাডা, স্পেন, পোল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়ার সামরিক কোম্পানিগুলিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বিষয়: অস্ত্রগৃহযুদ্ধক্ষেপণাস্ত্রগাজা উপত্যকাইউক্রেন যুদ্ধ
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড