
‘পথের পাঁচালী’ নিয়ে নতুন কিছু বলা বাকি নেই। হয়তো অনেকের জানা নেই—তাদের জন্য বলা যায় এই সিনেমার কয়েকটি ফাঁকি নিয়ে। হ্যাঁ, ‘পথের পাঁচালী’তে নিখুঁতভাবে একাধিকবার দর্শকদের ফাঁকি দিয়েছেন সত্যজিৎ! সিনেমা দেখে ফাঁকিগুলো ধরার উপায় নেই।

স্লোগানসর্বস্ব রাজনীতির বাইরে গিয়ে সত্যজিৎ রায় কীভাবে শিল্পের মোড়কে ক্ষমতার ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তারই এক নিবিড় বিশ্লেষণ এই উপস্থাপনা। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণ আর সত্যজিতের নিজস্ব জবানবন্দিতে উঠে এসেছে সেন্সর বোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে প্রতিবাদী সত্য বলার এক অভাবনীয় কৌশল।

সত্যজিতের রাজনীতি কেবল সত্তর দশকেই শুরু হয়নি। তার প্রথম ছবি ‘পথের পাঁচালী’ ছিল এক প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষের গল্প। ১৯৬০ সালে ‘দেবী’ ছবিতে তিনি ধর্মের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলে রক্ষণশীল হিন্দুদের রোষাণলে পড়েছিলেন।

কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৫৫ সালে ‘পথের পাঁচালী’ নির্মাণ করলেন সত্যজিৎ রায়। তারপর তো এই সিনেমা ইতিহাস গড়ল। এখনো এই সিনেমা নিয়ে আলোচনা ও পড়াশোনা হয়। ‘পথের পাঁচালী’ নিয়ে নতুন কিছু বলা বাকি নেই। হয়তো অনেকের জানা নেই—তাদের জন্য বলা যায় এই সিনেমার কয়েকটি ফাঁকি নিয়ে। হ্যা

শংকর একাধিকবার বলেছেন, সত্যজিৎ রায় ও উত্তমকুমার তার লেখালেখির জনপ্রিয়তাকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। চৌরঙ্গী করার আগে থেকে কথাসাহিত্যিক শংকরের সঙ্গে উত্তকুমারের আলাপ ছিল। কিন্তু তার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ‘চৌরঙ্গী’র পর।

তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সোনা ফলেছে। বাংলা সিনেমায় তো তাক লাগানো অভিনয় করেছেনই, বলিউডেও ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। চাইলে শুধু অভিনয় করেই সুখে-শান্তিতে জীবনটা পার করে দিতে পারতেন উৎপল দত্ত।