
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। দিনটি উদযাপন করতে ক্যাম্পাস ও শাহবাগ এলাকায় সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। দিনটি উদযাপন করতে ক্যাম্পাস ও শাহবাগ এলাকায় সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়।

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। দিনটি উদযাপন করতে ক্যাম্পাস ও শাহবাগ এলাকায় সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়।

পয়লা বৈশাখের বেশ নবীনতম সংযোজন হলো ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। যদি শত শত বছরের ইতিহাস হিসেবে নেওয়া হয়, তাহলে উচ্চারণ করতেই হয় ‘নবীনতম’ শব্দটি। এর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫/৪০ বছর। উদ্ভবের ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৮৫ সালে যশোরে চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন এ ধরনের একটি শোভাযাত্রার শুরুটা করেছিল।

পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা ঘিরে নাম পরিবর্তন বিতর্কে উঠে এসেছে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের প্রশ্ন। ‘মঙ্গল’ থেকে ‘আনন্দ’, শেষে ‘বৈশাখী’—নামের পরিবর্তনে লুকিয়ে মতাদর্শিক টানাপোড়েন। বৈশাখী শোভাযাত্রার নাম বারবার বদলানো কি কেবলই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ?

এই আয়োজন নিয়ে সরকারি হস্তক্ষেপ শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, বরং ভীতিরও কারণ। তাই বৈশাখের আয়োজনও ক্রমেই হয়ে পড়ছে আনুষ্ঠানিকতা সর্বস্ব।

শোভাযাত্রায় অংশ নেন নানা বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষ। রঙিন মুখোশ, বিশাল মোটিফ এবং লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর ছিল চারুকলা ও আশপাশের সড়কগুলো।
পুরনো অশুভকে বিদায় দিয়ে নতুন শুভ’র প্রত্যাশায় এল পয়লা বৈশাখ। বাঙালির আবহমান সংস্কৃতির উদযাপনের ভেতর দিয়ে এল নতুন বঙ্গাব্দ ১৪৩৩।

আপন ঐতিহ্যের শৈল্পিক ও জননন্দিত রূপায়ন যেখানে আমাদের গর্বিত করবে, সেখানে আমরা দেখি বিপরীত চিত্র। এই ঘটনাক্রম দেখিয়ে দেয় জাতি হিসাবে আমাদের বিভ্রম। এটা হয়ে ওঠে আত্মগর্ব বিসর্জনের কৌতুকপ্রদ কাহিনি।

‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে প্রথমে করা হয় ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। এখন করা হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। এ নিয়ে কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

‘মঙ্গল’ বাদ, ‘আনন্দ’ বাদ, এবার বাংলা নতুন বর্ষবরণে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে চলছে প্রস্তুতি।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আওয়াজ ফাউন্ডেশন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নারী শ্রমিকদের অংশগ্রহণে মানববন্ধন ও শোভাযাত্রার আয়োজন করে।

ব্রাজিলের রেসিফে শহরে ঐতিহ্যবাহী গালো দা মাদ্রুগাদা উৎসবে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। বিশাল মোরগের ভাস্কর্যের নিচে সংগীত, নাচ ও বর্ণিল শোভাযাত্রায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো নগরী। এ বছর উৎসবের মূল বার্তা ছিল পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির বিরোধিতা।

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে শুরু হয়েছে বার্ষিক বৌদ্ধ শোভাযাত্রা। সাজানো হাতি, নৃত্যশিল্পী ও ঢাকিদের পরিবেশনায় মুখর শহরের রাজপথ।

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে শুরু হয়েছে বার্ষিক বৌদ্ধ শোভাযাত্রা। সাজানো হাতি, নৃত্যশিল্পী ও ঢাকিদের পরিবেশনায় মুখর শহরের রাজপথ।