
রাজধানীর সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলটির খসড়া প্রণয়নে ভূমিকা রাখা রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স বলেন, “আমরা ফের সরকারকে সচল করতে যাচ্ছি, আমরা নিশ্চিত করব ফেডারেল কর্মীরা এখন তাদের অর্জিত ও প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ পাবেন।”

সূত্রের বরাত দিয়ে সিবিএস জানিয়েছে, দুই দলের চুক্তির আওতায় শাটডাউনের সময় যে সব কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হবে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন অর্থায়নের মেয়াদও জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর কথা রয়েছে চুক্তিতে।

এ পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েকদিন লাগবে। ডেমোক্র্যাট পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বসহ বেশিরভাগ সিনেটর সমঝোতার বিরোধী হওয়ায় তারা চাইলে বিলটি পাসের প্রক্রিয়াকে আরও ধীরগতির করে দিতে পারেন।

নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, আটলান্টা, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ডালাসের মতো ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলো এই কাটছাঁটের আওতায় পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিমান বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান সিরিয়াম জানিয়েছে, এতে প্রায় ১৮০০ ফ্লাইট কমে যেতে পারে।