
বিদ্যুৎ সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই পুঞ্জীভূত সমস্যার দায় কোনোভাবেই বর্তমান নির্বাচিত সরকারের নয়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অব্যবস্থাপনার দায় আমাদের সবাইকে নিতে হচ্ছে। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে তার গড়মিল রয়েছে।”

জ্বালানি সংকট ‘অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়বহুল হওয়ায় সরকার সাশ্রয়ের নীতি নিয়েছে। এ অবস্থায় দেশের আটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ের ফলে একদিকে যেমন পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ঘুম বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে জেনারেটর চালাতে গিয়ে হাসপাতালগুলোর অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ছে। ঢাকার গ্রামীণ এলাকাগুলোতেও প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। এ অবস্থায় বাড়তি দামে গ্রাহক বিদ্যুৎ নাকি লোডশেডিং কিনবে–সে প্

ভূমিকম্পের পরপরই বেশ কিছু কেন্দ্র বাধাগ্রস্থ হয়। তবে আশুগঞ্জ এবং সিরাজগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুতই পুনরায় চালু করা হয়েছে।