কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগ বাড়াতে চায় আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা মেটা। এর অংশ হিসেবে মেটা তাদের মোট কর্মীবাহিনীর ১০ শতাংশ ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করছে। অবশিষ্ট কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি খরচ কমানোই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জা

দ্য ইকোনোমিস্টের প্রতিবেদন
‘অটো প্লে’ (ভিডিও নিজে নিজে চালু হওয়া), অ্যালগরিদমের মাধ্যমে পছন্দের জিনিস বারবার সামনে আনা এবং ‘ইনফিনাইট ফিড’ (স্ক্রল করতে করতে শেষ না হওয়া)—এই ফিচারগুলো ইচ্ছা করেই যুক্ত করা হয়েছে যাতে ব্যবহারকারীরা ফোন ছাড়তে না পারে।

তরুণ প্রজন্মকে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা (ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান) এবং ইউটিউবকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত।

শিশু যৌন নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে মেটাকে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার (৩৭৫ মিলিয়ন ডলার) জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি বোর্ড। কোনো প্ল্যাটফর্মে ঘটা অপরাধের জন্য মেটাকে সরাসরি দায়ী করার ক্ষেত্রে এটিই প্রথম কোনো বিচারিক রায় বলে নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।

তদন্ত অনুযায়ী, হামলার কয়েক মাস আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংবাদমাধ্যমগুলোকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ ও ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে হামলার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। মেটা-কে এসব ক্ষতিকারক পোস্ট সরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সতর্ক করলেও তারা ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফ্যাক্ট-চেকিংকে অনেকেই সত্য উদঘাটনের নির্ভরযোগ্য উপায় মনে করলেও বাস্তবে তা সবসময় নিরপেক্ষ থাকে না। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ- বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হিলারি ক্লিনটন-এর সময় থেকেই এই বিতর্ক তীব্র হয়।

মেটার নিয়ম ভাঙায় কে এগিয়ে বিএনপি না জামায়াত? জাতীয় নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ম ভেঙে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। মেটার অ্যাড লাইব্রেরি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে চমকে দেওয়া তথ্য। নিয়ম ভাঙায় রাজনৈতিক দলগুলো আড়াল মানছে বিভিন্ন ব্যবসায়িক পেজকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘সংঘবদ্ধ রিপোর্ট’ করে ভেরিফায়েড অফিশিয়াল পেজটি রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ মাহমুদ।

টাইম ম্যাগাজিন বেশ সচেতনতার সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সরাসরি এআইকে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব করেনি। বরং এটি নিয়ে যারা চিন্তা করেছেন, ডিজাইন করেছেন এবং তৈরি করেছেন তাদের বেছে নিয়েছেন।

বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠানেই এআই ব্যবহারে কর্মীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।

একবার ডাউনলোড করলে সেই ভাষা ভবিষ্যতে অনুবাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সুবিধা চ্যাট, গ্রুপ এবং চ্যানেল আপডেট-সব জায়গাতেই কাজ করবে।