মমতা ব্যানার্জি

মমতা পদত্যাগ না করলে যা হবে
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন মোড়, পদত্যাগ করবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তাহলে কী হবে? ওদিকে বিজেপি বলছে, পদত্যাগ না করতে চাওয়া ‘হাস্যকর’।

পশ্চিমবঙ্গ: বিজেপির জয় যে ইঙ্গিত দিচ্ছে
হিন্দু ভোট সুসংহত করে এবং বিরোধী ভোটের বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি পূর্ব ভারতের এই শেষ বড় দুর্গ জয় করতে সক্ষম হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে যে শাসনব্যবস্থা বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে, তার এই নাটকীয় পতন ভারতের জাতীয় রাজনীতিতেও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কে?
২০২১ সালের পরাজয়ের পর সবাই ভেবেছিল বিজেপি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। কিন্তু সেই সময়ে শুভেন্দু অধিকারী শক্ত হাতে হাল ধরেন। ভোট পরবর্তী সমস্যা মোকাবিলা করেন এবং দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়ান।

মমতার সাম্রাজ্য যে ৫ কারণে ‘ভেঙে খান খান’
প্রায় ১৯৩টি আসনে এগিয়ে থেকে ‘ম্যাজিক ফিগার’ পার করেছে গেরুয়া শিবির। দলীয় অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যমাত্রা ১৮৫-এর গণ্ডিও ছাড়িয়ে গেছে তারা। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসকে (টিএমসি) সরিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের নেপথ্যের কারণ কী?

মমতার রাজ্যে সাঁজোয়া গাড়িতে চাপা পড়েছে ভোটে উৎসবের সুর
এমনিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে বাংলাদেশি খোঁজার প্রক্রিয়ায় মানুষকে গ্রাস করেছে অভূতপূর্ব আতঙ্ক। চারিদিকেই তৈরি হয়েছে ভয়ের মহল। সেই ভয়ের পরিবেশকেই আর কঠিন করে তুলেছে আধা সেনার অতি-সক্রিয়তা।

পশ্চিমবঙ্গে মমতা একাই ২৯৪
বিজেপি দাবি করেছিল, তারা দু শরও বেশি আসন পাবে। কিন্তু তারা থামে ৭৭-এ। প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৭.৯৮। পরে অবশ্য দলবদলের হাত ধরে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয় ২১৯ এবং বিজেপির কমে ৬৪। আর সিপিআইএম-কংগ্রেসের সম্মিলিত জোট পায় মাত্র ১০ শতাংশ ভোট। আসন বলতে আইএসএফের একটি। কংগ্রেস ০, সিপিএম ০।

