
পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা ঘিরে নাম পরিবর্তন বিতর্কে উঠে এসেছে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের প্রশ্ন। ‘মঙ্গল’ থেকে ‘আনন্দ’, শেষে ‘বৈশাখী’—নামের পরিবর্তনে লুকিয়ে মতাদর্শিক টানাপোড়েন। বৈশাখী শোভাযাত্রার নাম বারবার বদলানো কি কেবলই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ?

এই আয়োজন নিয়ে সরকারি হস্তক্ষেপ শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, বরং ভীতিরও কারণ। তাই বৈশাখের আয়োজনও ক্রমেই হয়ে পড়ছে আনুষ্ঠানিকতা সর্বস্ব।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। দিনটি উদযাপন করতে ক্যাম্পাস ও শাহবাগ এলাকায় সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়।

আপন ঐতিহ্যের শৈল্পিক ও জননন্দিত রূপায়ন যেখানে আমাদের গর্বিত করবে, সেখানে আমরা দেখি বিপরীত চিত্র। এই ঘটনাক্রম দেখিয়ে দেয় জাতি হিসাবে আমাদের বিভ্রম। এটা হয়ে ওঠে আত্মগর্ব বিসর্জনের কৌতুকপ্রদ কাহিনি।

‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে প্রথমে করা হয় ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। এখন করা হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। এ নিয়ে কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

‘মঙ্গল’ বাদ, ‘আনন্দ’ বাদ, এবার বাংলা নতুন বর্ষবরণে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে চলছে প্রস্তুতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে এবারও বর্ষবরণে ‘মঙ্গল’ বাদ দিয়ে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।