ভাস্কর্য

এপস্টেইনকে প্রেমিকার মতো জড়িয়ে ধরে আছেন ট্রাম্প!
আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সির ন্যাশনাল মলে দেখা গেল এক নজিরবিহীন দৃশ্য। ‘সিক্রেট হ্যান্ডসেক’ নামের একটি রহস্যময় শিল্পী গোষ্ঠী তৈরি করেছে ‘কিং অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামক আর্ট ইনস্টলেশন। এখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জেফরি এপস্টেইনকে ‘টাইটানিক’ সিনেমার জ্যাক ও রোজের বিখ্যাত পোজে দেখা যাচ্ছে।

পাওনা না পেয়ে ট্রাম্পের মূর্তি আটকে দিলেন ভাস্কর
ওহাইওর ভাস্কর অ্যালান কট্রিল তৈরি করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৫ ফুট লম্বা সোনার মূর্তি। তবে কাজ শেষ হলেও ৯০ হাজার ডলারের বেশি পাওনা না পাওয়ায় তিনি মূর্তিটি হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

প্রজাপতি সেজে রাস্তায় নারীরা
ব্রাজিলের রেসিফে শহরে ঐতিহ্যবাহী গালো দা মাদ্রুগাদা উৎসবে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। বিশাল মোরগের ভাস্কর্যের নিচে সংগীত, নাচ ও বর্ণিল শোভাযাত্রায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো নগরী। এ বছর উৎসবের মূল বার্তা ছিল পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির বিরোধিতা।

তাজমহল দেখেছেন বহুবার, কিন্তু বরফের তাজমহল দেখেছেন?
উত্তর-পূর্ব চীনের হারবিনে বরফ ভাস্কর্য প্রতিযোগিতায় তৈরি হয়েছে ভারতের তাজমহলের বরফ সংস্করণ। হারবিন আন্তর্জাতিক বরফ ও তুষার উৎসবের অংশ হিসেবে বিশ্বের নানা দেশের শিল্পীরা প্রদর্শন করছেন অনন্য সব শিল্পকর্ম। এই উৎসব ঘিরে প্রতিবছরের মতো এবারও হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে শীতল এই শহরে।

বরফের বড় দুনিয়া
চীনের হারবিন শহরে ৫ জানুয়ারি (২০২৫) খুলে দেওয়া হয়েছে ‘আইস অ্যান্ড স্নো ওয়ার্ল্ড’। এই কৃত্রিম বরফ-দুনিয়ায় প্রায় ৪ লাখ কিউবিক বরফ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বহু নান্দনিক প্রাসাদ ও ভাস্কর্য। গত বছর একই আয়োজনে প্রায় ৯০ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন দর্শনার্থী যোগ দিয়েছিল।

দেড় বছর হয়ে গেলেও, ভাস্কর্যগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেই
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মরণ করা হচ্ছে ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া সূর্য-সন্তানদের। অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখা মনীষীদের যে ভাস্কর্যগুলো গড়েছিলেন ভাস্কর শামীম সিকদার—৫ আগস্ট (২০২৫) সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এক বছরের বেশি সময় পরও ভাস্কর্যগুলো সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।

স্বাধীন দেশে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ভাস্কর্যের যে হাল
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মরণ করা হচ্ছে ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া সূর্য-সন্তানদের। অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখা মনীষীদের যে ভাস্কর্যগুলো গড়েছিলেন ভাস্কর শামীম সিকদার—৫ আগস্ট (২০২৫) সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এক বছরের বেশি সময় পরও ভাস্কর্যগুলো সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।



