
শরীফুল আলম বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকে যদি একটু হিসাব করি, অনেক সরকার এসেছে। কিন্তু প্রান্তিক-সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে বিগত সরকারগুলোকে খুব বেশি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখিনি। আমরা ব্যস্ত থাকি যারা প্যান্ট পরা মানুষ, আমরা যারা শিক্ষিত উচ্চতর মানুষ, আমরা সেখানে বেশি নজর দেই।”

চাঁদপুর ছাড়াও আরও ২০ টি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মায়েরা–বোনেরা প্রতিদিন একটি কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়, প্রতিদিন একটি যুদ্ধ করে তাদের পরিবারের সকলের আহারের ব্যবস্থা করতে হয়। এই রান্নার ব্যবস্থা করার সময় যে চুলা জ্বালাতে হয়, তার জন্য গ্যাস বা খড়ি যেটাই ব্যবহার করুক–এটি একটি সমস্যার কারণ।”
বিএনপি সরকারের দুই মাস, কেমন করছে তারা? আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা উন্নত হলো? মবের বিরুদ্ধে সোচ্চার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরও কেন মব হচ্ছে? কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড–এসব কি কেবল লোক দেখানো?

জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জনগণকে গুজব ও প্যানিক বায়িং থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষও ভালো থাকবে। এই বিশ্বাস থেকেই সরকার কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ এই কার্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, এটি আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন, আপনাদের এই ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। তবে এলাকার উন্নয়নে কিছু কাজ করে যেতে চাই।”

আজ সকালে রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে সারা দেশের ১৪টি স্থানে একযোগে এই কার্ড বিতরণ শুরু হয়।

আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

তারেক রহমান বলেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছে।