
মানুষের মাথায় এত বুদ্ধি কীভাবে এল? জানলে চমকে যাবেন!

১৯৮৬ সালের এক ভয়ংকর পারমাণবিক বিস্ফোরণে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া চেরনোবিল আজ এক রহস্যময় সবুজ ভূখণ্ড। মানুষের ফেলে যাওয়া পরিত্যক্ত দালানকোঠা আর রাস্তাঘাট দখল করে নিয়েছে বন্যপ্রাণী ও ঘন বনভূমি। তেজস্ক্রিয়তার অভিশাপ কাটিয়ে প্রাণের এই জয়গান আমাদের শেখায়—প্রকৃতি তার নিজের নিয়মেই নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারে।

লন্ডনের বিখ্যাত কিউ গার্ডেনসে ফুটেছে মনোমুগ্ধকর ইয়োশিনো চেরি ফুল। পাম হাউসের চারপাশ এখন সাদা আর গোলাপি ফুলের সমারোহে সেজেছে বসন্তের আগমনে। দর্শনার্থীরা প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় জমাচ্ছেন বাগানটির বিভিন্ন প্রান্তে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কে দেখা যাচ্ছে বিরল বুনো ফুলের সমারোহ। অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পর রুক্ষ মরুভূমি এখন রঙিন ফুলের গালিচায় ঢাকা। প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন বিশ্বের নানা প্রান্তের পর্যটকরা।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে আমেরিকার হাওয়াইয়ের মাউন্ট কিলাউয়া আগ্নেয়গিরিতে অস্থিরতা চলছিলো। তবে সম্প্রতি নতুন করে শুরু হয়েছে অগ্ন্যুৎপাত। এর রূপ যেমন সুন্দর, তেমনই ভয়ংকর।

আগ্নেয়গিরি হলো এমন কিছু পাহাড়, যেগুলোর ভেতরে ভূ-গর্ভস্থ ম্যাগমা নামক উত্তপ্ত পদার্থ সঞ্চিত থাকে। কোনো কোনো ফাটল বা ছিদ্রপথ দিয়ে ভূগর্ভস্থ গরম বাতাস, জলীয় বাষ্প, গলিত শিলা, কাদা, ছাই, গ্যাস প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। আর ভূগর্ভস্থ পদার্থের এমন নির্গমনকে বলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

মুসলিম ও দলিতদের বিরুদ্ধে সর্বদা ‘জিহাদে’ থাকা বিজেপির শাসনামলের আইন আবার তাদেরই করা এনসিআই উটের সংখ্যার বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখবে তা নিয়ে অনেকেরই সংশয় আছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিঙ্কহোল সৃষ্টি হওয়া পুরোপুরি বন্ধ করা মানুষের পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। সিঙ্কহোলের ঘটনা প্রাকৃতিক কারণ ছাড়াও মানবসৃষ্ট কার্যক্রমের ফলেও ঘটে। তাই এ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে সিঙ্কহোলের ঘটনা কমানো সম্ভব।